জামালপুরে পৃথক দুটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলায় ৪ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে জামালপুর শিশু আদালত-১ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।
প্রথম মামলার রায়, আদালত সূত্র জানায়, নারী ও শিশু মামলা নং- ২৯৩/২০২৩ এর রায়ে প্রধান আসামি মো. নয়নকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়া এই মামলার অন্য দুই আসামি মো. আনোয়ার এবং শাহনাজ পারভীন সুইটিকে ১০/৩০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার সমুদয় টাকা ভিকটিম মাহবুবা জান্নাত ইরা পাবেন বলে আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়।
দ্বিতীয় মামলার রায়, অন্যদিকে ইসলামপুর থানার অপর একটি মামলায়, মামলা নং-১৩১/২০২৩ স্ত্রীকে নির্যাতনের দায়ে মো. ফরিদ খন্দকারকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন একই আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত ফরিদ ইসলামপুরের চরচারিয়া গ্রামের মো. হোসেন আলীর ছেলে। তাকে আইনের ১১(গ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যা ভিকটিম মোছা. সুবর্ণা আক্তার পিংকি প্রাপ্য হবেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাগুলো পরিচালনা করেন আইনজীবী ফজলুল হক ( পি পি) পাবলিক প্রসিকিউটর। রায়ের পর দণ্ডিত আসামিদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে জামালপুর শিশু আদালত-১ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।
প্রথম মামলার রায়, আদালত সূত্র জানায়, নারী ও শিশু মামলা নং- ২৯৩/২০২৩ এর রায়ে প্রধান আসামি মো. নয়নকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়া এই মামলার অন্য দুই আসামি মো. আনোয়ার এবং শাহনাজ পারভীন সুইটিকে ১০/৩০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার সমুদয় টাকা ভিকটিম মাহবুবা জান্নাত ইরা পাবেন বলে আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়।
দ্বিতীয় মামলার রায়, অন্যদিকে ইসলামপুর থানার অপর একটি মামলায়, মামলা নং-১৩১/২০২৩ স্ত্রীকে নির্যাতনের দায়ে মো. ফরিদ খন্দকারকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন একই আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত ফরিদ ইসলামপুরের চরচারিয়া গ্রামের মো. হোসেন আলীর ছেলে। তাকে আইনের ১১(গ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যা ভিকটিম মোছা. সুবর্ণা আক্তার পিংকি প্রাপ্য হবেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাগুলো পরিচালনা করেন আইনজীবী ফজলুল হক ( পি পি) পাবলিক প্রসিকিউটর। রায়ের পর দণ্ডিত আসামিদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।