জামালপুর শহর বিএনপি'র অন্তর্গত ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি'র উদ্যােগে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাতে শহরের দেওয়ানপাড়ায় এ কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সালেক হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেতা ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আমরা দেখেছি স্বাধীনতার পরবর্তী চুয়ান্ন বছরে এই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় সংসদে বিল পাস করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় শাসন বাকশাল কায়েম করেছে। আমরা পরবর্তী সময়ে দেখেছি স্বৈরাচার এরশাদ বন্দুকের নলদিয়ে বিএনপির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে অনির্বাচিত সেই স্বৈরাতন্ত্র কায়েম করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি ২০০৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নগি বৈঠা দিয়ে মানুষ খুন করে বাংলাদেশে একটি অস্থিতিশীলতা তৈরি করে নির্বাচন বানচাল করে সেই অনির্বাচিত মঈনউদ্দীন ফখরুউদ্দিন সরকার কায়েমের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করে ফেলা হয়েছিল। এই চুয়ান্ন বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আমাদের সেই প্রিয় দল যে দলটি বার বার সেই বিপন্ন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রাম করেছে।
তিনি বলেন, বার বার এই দলের নেতাকর্মীরা জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে সকল ত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছে। অনেকেই বলেছেন বিএনপি নির্বাচনে গেলে ২০১৪ সালে বিএনপি সরকার গঠন করতো। বিএনপি সেই দল যে দল ক্ষমতার লোভ করে নাই। ক্ষমতার লোভ ছেড়ে দিয়ে এই নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালে নির্বাচন হয়েছে। আগের দিন এদেশের সাধারণ মানুষ নামাজ বন্দেগি করে খেয়ে দেয়ে আল্লাহর নাম নিয়ে রাতে ঘুমিয়েছে। পরের দিন সকালে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিবে।
ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আমরা শুনেছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উনি তাহাজ্জুদ নামাজ পড়েন। উনি তাহাজ্জুদ নামাজের কথা বলে সেই রাতের অন্ধকারে প্রশাসন দিয়ে সিল মেরে জনগণকে ঘুমের মধ্যে রেখে নির্বাচন শেষ করে দিয়েছেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে যায় নাই। জনগণকে আহ্বান জানিয়ে ছিলেন। সেই নির্বাচনকে প্রত্যাক্ষান করার জন্য।
বাংলাদেশের জনগণ বেগম খালেদা জিয়ার ও তারেক রহমানের আহ্বানে সেই নির্বাচন প্রত্যাক্ষান করেছিল। আওয়ামী লীগ ছাড়া কেউ নির্বাচনে যায় নাই। নৌকা নিয়ে যারা নির্বাচন করেছে তাঁরাও আওয়ামী লীগ, নৌকার বিরুদ্ধে যারা নির্বাচন করেছে তাঁরাও আওয়ামী লীগ। সেই ডামি নির্বাচন দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতার মস্তক দখল করেছিলেন। আল্লাহর কি নির্মম ইতিহাস ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা মস্তক ছেড়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আমরা স্বৈরাচার মুক্ত একটি বাংলাদেশ পেয়েছি।
তিনি বলেন, এই গণতন্ত্রের মুক্তির পথে আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন। ইতি মধ্যে জামালপুর-৫ সদর আসনে ধানের শীষ প্রতীকে আমাকে মনোনীত করেছে। আমি বিশ্বাস করি সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ জনগণের আশা আকাঙ্খা যাদেরকে নিয়ে ছিল, বিএনপির নেতা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের নাম ঘোষণা করেছেন। যার মধ্যে দিয়ে সর্বস্তরের জামালপুরবাসীর মধ্যে একটি আনন্দের জোয়ার বইছে। জামালপুরবাসী আশায় বুক পেতে আছে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করবে ইনশাআল্লাহ।
কর্মী সমাবেশে উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন শহর বিএনপির সভাপতি মো. লিয়াকত আলী এবং প্রধান বক্তার বক্তব্য শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।
২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হক জুয়েলের সঞ্চালনায় কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি লোকমান আহাম্মেদ খান লোটন, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক খান দুলাল, বর্তমান কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজীব, জেলা জাসাসের সভাপতি রিজভী আল জামালী রঞ্জু, শহর বিএনপির সহ-সভাপতি মাইন উদ্দিন বাবুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুর রহমান মমিন, নজরুল ইসলাম মুক্তা ২ নম্বর ওয়ার্ড সহ-সভাপতি বাবুল মিয়া প্রমুখ।
কর্মী সমাবেশে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সকল নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাতে শহরের দেওয়ানপাড়ায় এ কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সালেক হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেতা ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আমরা দেখেছি স্বাধীনতার পরবর্তী চুয়ান্ন বছরে এই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় সংসদে বিল পাস করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় শাসন বাকশাল কায়েম করেছে। আমরা পরবর্তী সময়ে দেখেছি স্বৈরাচার এরশাদ বন্দুকের নলদিয়ে বিএনপির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে অনির্বাচিত সেই স্বৈরাতন্ত্র কায়েম করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি ২০০৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নগি বৈঠা দিয়ে মানুষ খুন করে বাংলাদেশে একটি অস্থিতিশীলতা তৈরি করে নির্বাচন বানচাল করে সেই অনির্বাচিত মঈনউদ্দীন ফখরুউদ্দিন সরকার কায়েমের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করে ফেলা হয়েছিল। এই চুয়ান্ন বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আমাদের সেই প্রিয় দল যে দলটি বার বার সেই বিপন্ন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রাম করেছে।
তিনি বলেন, বার বার এই দলের নেতাকর্মীরা জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে সকল ত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছে। অনেকেই বলেছেন বিএনপি নির্বাচনে গেলে ২০১৪ সালে বিএনপি সরকার গঠন করতো। বিএনপি সেই দল যে দল ক্ষমতার লোভ করে নাই। ক্ষমতার লোভ ছেড়ে দিয়ে এই নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালে নির্বাচন হয়েছে। আগের দিন এদেশের সাধারণ মানুষ নামাজ বন্দেগি করে খেয়ে দেয়ে আল্লাহর নাম নিয়ে রাতে ঘুমিয়েছে। পরের দিন সকালে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিবে।
ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আমরা শুনেছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উনি তাহাজ্জুদ নামাজ পড়েন। উনি তাহাজ্জুদ নামাজের কথা বলে সেই রাতের অন্ধকারে প্রশাসন দিয়ে সিল মেরে জনগণকে ঘুমের মধ্যে রেখে নির্বাচন শেষ করে দিয়েছেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে যায় নাই। জনগণকে আহ্বান জানিয়ে ছিলেন। সেই নির্বাচনকে প্রত্যাক্ষান করার জন্য।
বাংলাদেশের জনগণ বেগম খালেদা জিয়ার ও তারেক রহমানের আহ্বানে সেই নির্বাচন প্রত্যাক্ষান করেছিল। আওয়ামী লীগ ছাড়া কেউ নির্বাচনে যায় নাই। নৌকা নিয়ে যারা নির্বাচন করেছে তাঁরাও আওয়ামী লীগ, নৌকার বিরুদ্ধে যারা নির্বাচন করেছে তাঁরাও আওয়ামী লীগ। সেই ডামি নির্বাচন দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতার মস্তক দখল করেছিলেন। আল্লাহর কি নির্মম ইতিহাস ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা মস্তক ছেড়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আমরা স্বৈরাচার মুক্ত একটি বাংলাদেশ পেয়েছি।
তিনি বলেন, এই গণতন্ত্রের মুক্তির পথে আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন। ইতি মধ্যে জামালপুর-৫ সদর আসনে ধানের শীষ প্রতীকে আমাকে মনোনীত করেছে। আমি বিশ্বাস করি সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ জনগণের আশা আকাঙ্খা যাদেরকে নিয়ে ছিল, বিএনপির নেতা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের নাম ঘোষণা করেছেন। যার মধ্যে দিয়ে সর্বস্তরের জামালপুরবাসীর মধ্যে একটি আনন্দের জোয়ার বইছে। জামালপুরবাসী আশায় বুক পেতে আছে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করবে ইনশাআল্লাহ।
কর্মী সমাবেশে উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন শহর বিএনপির সভাপতি মো. লিয়াকত আলী এবং প্রধান বক্তার বক্তব্য শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।
২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হক জুয়েলের সঞ্চালনায় কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি লোকমান আহাম্মেদ খান লোটন, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক খান দুলাল, বর্তমান কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজীব, জেলা জাসাসের সভাপতি রিজভী আল জামালী রঞ্জু, শহর বিএনপির সহ-সভাপতি মাইন উদ্দিন বাবুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুর রহমান মমিন, নজরুল ইসলাম মুক্তা ২ নম্বর ওয়ার্ড সহ-সভাপতি বাবুল মিয়া প্রমুখ।
কর্মী সমাবেশে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সকল নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব