জামালপুর জজ আদালতের পিপি অ্যাড. আনিসুজ্জামান গামার অপসারণের দাবি জানিয়েছেন আইনজীবীরা। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দুর্নীতিবাজ ও অযোগ্য দাবি করে এ দাবি জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৮ জুন) সকালে জেলা জজ আদালত চত্ত্বরে এক মানববন্ধন থেকে ওই পিপির দ্রুত অপসারণ দাবি করা হয়। অন্যথায় আগামী রবিবার থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবার হুঁশিয়ারি দেন আইনজীবীরা।
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সকল আইন কর্মকর্তা ও আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় মানববন্ধনটি।
জিপি অ্যাড. তৌহিদুর ইসলাম বাদশার'র সভাপতিত্বে ও জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি অ্যাড. মোবারক হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রিশাদ রেজওয়ান বাবু, অ্যাড. মো. গোলাম নবী, অ্যাড. দিদারুল ইসলাম প্রমুখ।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রিশাদ রেজওয়ান বাবু বলেন, পিপি অ্যাড. আনিসুজ্জামান গামার বিরুদ্ধে পিপি ও এপিপিরা নির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগে অনাস্থা এনেছেন। অনাস্থা প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত তাঁর অপসারণ হয়নি। তাই তাঁর দ্রুত অপসারণের দাবিতে আজ মানববন্ধন করেছেন আইনজীবীরা।
জিপি অ্যাড. তৌহিদুর ইসলাম বাদশা বলেন, পিপি কার্যালয়ে কোনো আলমারি না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র সংরক্ষণ করা মুশকিল। এ সমস্যা দূরীকরণে সরকারিভাবে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয় থেকে এ টাকা উত্তোলন করার জন্য করা হয় একটি কমিটি। সেখানে ওই পিপি সভাপতি ও আমাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। যদিও পদাধিকার বলে এবং বয়সের জ্যেষ্ঠতা বিবেচনায় আমাকেই সভাপতি করার কথা। তিনি দুই কিস্তিতে ওই টাকা উত্তোলন করে আমাকে ২০ হাজার টাকা দিতে চান আসবাবপত্র কেনার জন্য। আমি সেই টাকা গ্রহণ করিনি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
বুধবার (১৮ জুন) সকালে জেলা জজ আদালত চত্ত্বরে এক মানববন্ধন থেকে ওই পিপির দ্রুত অপসারণ দাবি করা হয়। অন্যথায় আগামী রবিবার থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবার হুঁশিয়ারি দেন আইনজীবীরা।
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সকল আইন কর্মকর্তা ও আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় মানববন্ধনটি।
জিপি অ্যাড. তৌহিদুর ইসলাম বাদশার'র সভাপতিত্বে ও জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি অ্যাড. মোবারক হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রিশাদ রেজওয়ান বাবু, অ্যাড. মো. গোলাম নবী, অ্যাড. দিদারুল ইসলাম প্রমুখ।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রিশাদ রেজওয়ান বাবু বলেন, পিপি অ্যাড. আনিসুজ্জামান গামার বিরুদ্ধে পিপি ও এপিপিরা নির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগে অনাস্থা এনেছেন। অনাস্থা প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত তাঁর অপসারণ হয়নি। তাই তাঁর দ্রুত অপসারণের দাবিতে আজ মানববন্ধন করেছেন আইনজীবীরা।
জিপি অ্যাড. তৌহিদুর ইসলাম বাদশা বলেন, পিপি কার্যালয়ে কোনো আলমারি না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র সংরক্ষণ করা মুশকিল। এ সমস্যা দূরীকরণে সরকারিভাবে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয় থেকে এ টাকা উত্তোলন করার জন্য করা হয় একটি কমিটি। সেখানে ওই পিপি সভাপতি ও আমাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। যদিও পদাধিকার বলে এবং বয়সের জ্যেষ্ঠতা বিবেচনায় আমাকেই সভাপতি করার কথা। তিনি দুই কিস্তিতে ওই টাকা উত্তোলন করে আমাকে ২০ হাজার টাকা দিতে চান আসবাবপত্র কেনার জন্য। আমি সেই টাকা গ্রহণ করিনি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব