ফুটবল বিশ্বকাপ ১৯৩০ সালে যাত্রা শুরুর পর ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘এক হাজারতম’ ম্যাচ। আর সেই ঐতিহাসিক লড়াইয়ে গ্রুপ ‘এফ’-এ মুখোমুখি হবে এশিয়ার ফুটবল পরাশক্তি জাপান ও উত্তর আফ্রিকার সাহসী প্রতিনিধি তিউনিসিয়া। বিশ্বকাপের ইতিহাসে বিশেষ এই ম্যাচ ঘিরে ইতোমধ্যেই বাড়ছে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা।
১৯৩০ থেকে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনাল পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে মোট ৯৬৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপের আসরে প্রথমবার ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১০৪টিতে। ফলে গ্রুপ পর্বের লড়াই চলাকালেই দ্রুততম সময়ে পূর্ণ হচ্ছে ম্যাচের এই হাজারী কোটা। আগামী ২০ জুন তারিখটি ফুটবল ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে এই ১০০০তম ম্যাচের কারণে।
ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে প্রায় ৫০ হাজারের বেশি দর্শক ধারণক্ষমতার দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলী মেক্সিকোর বিবিভিএ স্টেডিয়াম। মন্তেরেই শহরে অবস্থিত প্রকৃতির কোলে আধুনিকতার ছোঁয়া এই স্টেডিয়ামটি লাতিন আমেরিকার প্রথম ‘লিড সার্টিফায়েড’ বা পরিবেশবান্ধব স্টেডিয়াম।
স্টেডিয়ামটির বাইরের ঢেউখেলানো কাঠামো তৈরি করা হয়েছে পাশের ‘সেরো দে লা সিলা’ পাহাড়ের আদলে। এর ঝুলন্ত ছাদ দর্শকদের মাঝে তৈরি করে এক অপার্থিব অনুভূতি।
বিশ্বকাপের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে মেক্সিকোর নাম। প্রায় এক শতাব্দী পর, নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে মেক্সিকো ফুটবল ইতিহাসের এক বৃত্ত পূরণ করতে যাচ্ছে।
তাই জাপান ও তিউনিসিয়ার এই ম্যাচটি কেবল তিন পয়েন্টের লড়াই নয়, বরং ফুটবল বিশ্বের কয়েক প্রজন্মের আবেগের এক বিশাল মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
ইতিহাসের মঞ্চে জাপান-তিউনিসিয়া
ইতিহাসের মঞ্চে জাপান-তিউনিসিয়া
ফুটবল বিশ্বকাপ ১৯৩০ সালে যাত্রা শুরুর পর ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘এক হাজারতম’ ম্যাচ। আর সেই ঐতিহাসিক লড়াইয়ে গ্রুপ ‘এফ’-এ মুখোমুখি হবে এশিয়ার ফুটবল পরাশক্তি জাপান ও উত্তর আফ্রিকার সাহসী প্রতিনিধি তিউনিসিয়া। বিশ্বকাপের ইতিহাসে বিশেষ এই ম্যাচ ঘিরে ইতোমধ্যেই বাড়ছে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা। ১৯৩০ থেকে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনাল পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে মোট ৯৬৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপের আসরে প্রথমবার ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে
১০৪টিতে। ফলে গ্রুপ পর্বের লড়াই চলাকালেই দ্রুততম সময়ে পূর্ণ হচ্ছে ম্যাচের এই হাজারী কোটা। আগামী ২০ জুন তারিখটি ফুটবল ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে এই ১০০০তম ম্যাচের কারণে। ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে প্রায় ৫০ হাজারের বেশি দর্শক ধারণক্ষমতার দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলী মেক্সিকোর বিবিভিএ স্টেডিয়াম। মন্তেরেই শহরে অবস্থিত প্রকৃতির কোলে আধুনিকতার ছোঁয়া এই স্টেডিয়ামটি লাতিন আমেরিকার প্রথম ‘লিড সার্টিফায়েড’ বা পরিবেশবান্ধব স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামটির বাইরের ঢেউখেলানো কাঠামো তৈরি করা হয়েছে পাশের
‘সেরো দে লা সিলা’ পাহাড়ের আদলে। এর ঝুলন্ত ছাদ দর্শকদের মাঝে তৈরি করে এক অপার্থিব অনুভূতি। বিশ্বকাপের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে মেক্সিকোর নাম। প্রায় এক শতাব্দী পর, নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে মেক্সিকো ফুটবল ইতিহাসের এক বৃত্ত পূরণ করতে যাচ্ছে। তাই জাপান ও তিউনিসিয়ার এই ম্যাচটি কেবল তিন পয়েন্টের লড়াই নয়, বরং ফুটবল বিশ্বের কয়েক প্রজন্মের আবেগের এক বিশাল মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত