মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড হোয়াইট হাউসে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির নতুন সেক্রেটারি মার্কওয়েন ম্যুলিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন । তিনি দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জয় নিশ্চিত হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, তেহরান এখন একটি চুক্তির জন্য ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘সঠিক লোকজনের’ সঙ্গেই আলোচনা চালাচ্ছে।
শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘যুদ্ধে আমরা জয়ী হয়েছি।’ যদিও ঠিক কীভাবে বা কবে নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ শেষ হবে, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো রূপরেখা দেননি।
ইরানের সঙ্গে আলোচনা: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় তাঁর প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যুক্ত রয়েছেন। তিনি বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন।
এছাড়া ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও বর্তমানে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘ইরান এখন একটি চুক্তি করতে চায়... আপনি তাদের জায়গায় থাকলেও এটাই চাইতেন।’
হরমুজ প্রণালি ও ‘বড় পুরস্কার’: আলোচনার অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি আলোচকরা যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ‘অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পুরস্কার’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি তেল, গ্যাস এবং হরমুজ প্রণালির সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এই উপহার বা পুরস্কারটি আসলে কী, সে সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।
ট্রাম্পের মতে, এমন প্রস্তাবই প্রমাণ করে যে ওয়াশিংটন সঠিক লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছে।
ইরানে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’: তেহরানে সাম্প্রতিক হামলার প্রভাবে দেশটিতে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ এসেছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান কোনোদিন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এমন শর্তে তারা রাজি হয়েছে।
ইরানের বর্তমান সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তারা এখন একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারছে না, এটাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা।’
আঞ্চলিক মিত্রদের প্রশংসা: যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ‘চমৎকার’ এবং কাতারকে ‘দুর্দান্ত’ রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন। সূত্র: বিবিসি
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে জয়ের দাবি করলেন ট্রাম্প
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে জয়ের দাবি করলেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড হোয়াইট হাউসে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির নতুন সেক্রেটারি মার্কওয়েন ম্যুলিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন । তিনি দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জয় নিশ্চিত হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, তেহরান এখন একটি চুক্তির জন্য ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘সঠিক লোকজনের’ সঙ্গেই আলোচনা চালাচ্ছে। শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘যুদ্ধে আমরা জয়ী হয়েছি।’ যদিও ঠিক কীভাবে বা কবে নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ শেষ হবে, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো রূপরেখা দেননি। ইরানের সঙ্গে আলোচনা: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় তাঁর প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যুক্ত
রয়েছেন। তিনি বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও বর্তমানে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘ইরান এখন একটি চুক্তি করতে চায়... আপনি তাদের জায়গায় থাকলেও এটাই চাইতেন।’ হরমুজ প্রণালি ও ‘বড় পুরস্কার’: আলোচনার অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি আলোচকরা যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ‘অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পুরস্কার’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি তেল, গ্যাস এবং হরমুজ প্রণালির সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এই উপহার বা পুরস্কারটি আসলে কী, সে সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। ট্রাম্পের মতে, এমন প্রস্তাবই প্রমাণ
করে যে ওয়াশিংটন সঠিক লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছে। ইরানে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’: তেহরানে সাম্প্রতিক হামলার প্রভাবে দেশটিতে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ এসেছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান কোনোদিন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এমন শর্তে তারা রাজি হয়েছে। ইরানের বর্তমান সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তারা এখন একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারছে না, এটাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা।’ আঞ্চলিক মিত্রদের প্রশংসা: যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ‘চমৎকার’ এবং কাতারকে ‘দুর্দান্ত’ রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন। সূত্র: বিবিসি
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত