মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু ইস্যুতে ইরানকে চুক্তি করতে আল্টিমেটাম দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলাকে ‘আগুন নিয়ে খেলার’ শামিল বলে সতর্ক করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। এতে বিপজ্জনক পরিণতি হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সৌদি সংবাদমাধ্যম আল‑আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন হুঁশিয়ারি দেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা‑র তত্ত্বাবধানে থাকা স্থাপনাগুলোতে আগের আক্রমণগুলোই বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে।
‘এর ফল ভালো নয়ৃ প্রকৃতপক্ষে একটি পারমাণবিক ঘটনার সত্যিকারের ঝুঁকি ছিলৃ সবাই বুঝতে পারছে এটা আগুন নিয়ে খেলা,’ বলেন ল্যাভরভ।
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশে বিশেষত আরব ও উপসাগরী দেশগুলো স্পষ্টভাবে চায় উত্তেজনা বাড়ুক না, এবং নতুন সংঘাত সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতি নষ্ট করে দিতে পারে, যেমন ইরান ও প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন।
একই সময়, আমেরিকা ও ইরানের মাঝে জেনেভায় সরাসরি না হলেও পরোক্ষ আলোচনায় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চলছে। আমেরিকায় একটি সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, ইরান সম্ভবত একটি লিখিত প্রস্তাব জমা দেবে যার মাধ্যমে তারা মনে করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
তবে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা অঞ্চলে সামরিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করছেন এবং সেখানে মধ্য মার্চের মধ্যেই সম্পূর্ণ অবস্থানে থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে বলে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে হবে, আর তেহরান বারবার বলেছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানাচ্ছে না।
ইরানে হামলা মানে ‘আগুন নিয়ে খেলা’, এর ফল ভালো হবে না
ইরানে হামলা মানে ‘আগুন নিয়ে খেলা’, এর ফল ভালো হবে না
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু ইস্যুতে ইরানকে চুক্তি করতে আল্টিমেটাম দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলাকে ‘আগুন নিয়ে খেলার’ শামিল বলে সতর্ক করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। এতে বিপজ্জনক পরিণতি হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সৌদি সংবাদমাধ্যম আল‑আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন হুঁশিয়ারি দেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা‑র তত্ত্বাবধানে থাকা
স্থাপনাগুলোতে আগের আক্রমণগুলোই বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। ‘এর ফল ভালো নয়ৃ প্রকৃতপক্ষে একটি পারমাণবিক ঘটনার সত্যিকারের ঝুঁকি ছিলৃ সবাই বুঝতে পারছে এটা আগুন নিয়ে খেলা,’ বলেন ল্যাভরভ। তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশে বিশেষত আরব ও উপসাগরী দেশগুলো স্পষ্টভাবে চায় উত্তেজনা বাড়ুক না, এবং নতুন সংঘাত সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতি নষ্ট করে দিতে পারে, যেমন ইরান ও প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন। একই সময়, আমেরিকা ও ইরানের মাঝে জেনেভায়
সরাসরি না হলেও পরোক্ষ আলোচনায় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চলছে। আমেরিকায় একটি সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, ইরান সম্ভবত একটি লিখিত প্রস্তাব জমা দেবে যার মাধ্যমে তারা মনে করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। তবে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা অঞ্চলে সামরিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করছেন এবং সেখানে মধ্য মার্চের মধ্যেই সম্পূর্ণ অবস্থানে থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে বলে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে হবে, আর তেহরান বারবার বলেছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানাচ্ছে না।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত