সৈয়দপুরের পার্শ্ববর্তী উত্তরা ইপিজেড বন্ধ ও শ্রমিক ছাটাইয়ের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ বাঁধে। এতে হাবিবুর রহমান( ২৫) নামের এক শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।
ওইসময় আহত হয়েছেন আরো প্রায় ১০ জন শ্রমিক।২ সেপ্টেম্বর সকালে ইপিজেড এর সামনের সড়কে এই ঘটনা ঘটে। নিহত হাবিবুর ইকু ইন্টারন্যাশনাল নামের এক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাবার নাম দুলাল হোসেন। তাঁর বাড়ি নীলফামারীর সংগলশি ইউনিয়নের কাজির হাট এলাকায়।
ওইসময় আহত হয়েছেন আরো প্রায় ১০ জন শ্রমিক।২ সেপ্টেম্বর সকালে ইপিজেড এর সামনের সড়কে এই ঘটনা ঘটে। নিহত হাবিবুর ইকু ইন্টারন্যাশনাল নামের এক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাবার নাম দুলাল হোসেন। তাঁর বাড়ি নীলফামারীর সংগলশি ইউনিয়নের কাজির হাট এলাকায়।
নিহত হাবিবুর এর বড় ভাই আসিক জানায়,হাবিবুর ওই কারখানায় নাইট ডিউটি করেছিল। কাজ শেষে বাড়ি ফিরতেই ইপিজেড গেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।
শ্রমিকরা জানান,এবারগ্রিন নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫১ জন শ্রমিককে কোন কিছু না জানিয়ে ছাটাই করা হয় এবং বেতন ভাতা না দিয়ে কারখানাটি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়। ২ সেপ্টেম্বর সকালে প্রতিদিনের ন্যায় কাজে যোগ দিতে গিয়ে জানা যায় কারখানা বন্ধ।
এতে শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে ইপিজেড এর সামনের সড়কে অবস্থান নেয়। ওইসময় মুহূর্তেই সৈয়দপুর -নীলফামারী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ২ ঘন্টা পর ঘটনাস্থল আসেন সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা।তারা শ্রমিকদের কথা না শুনেই লাঠি চার্জ করে। এতে শ্রমিকরাও ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালায়। দুপক্ষের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই হাবিবুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।
নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক তানজিরুল ইসলাম ফারহান জানান, হাবিবুর নামের এক যুবককে মৃত্যু অবস্থায় আনা হয়। তার বুকে ক্ষত ছিল। মৃত্যুের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ছাড়া বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়। এছাড়া হাসপাতালে আহত অবস্থায় রয়েছে আরও ১০ জন শ্রমিক। বর্তমানে তাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব