ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো। এতে একাধিক বাড়িঘর ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৭টার দিকে পূর্বাঞ্চলীয় মালাক্কা সাগরে অনুভূত হয় কম্পনটি। জারি করা হয় সুনামি সতর্কতা।
টারনেট শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে মাটির ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল উৎপত্তিস্থল। এখন পর্যন্ত পাঁচ দশমিক পাঁচ ও পাঁচ দশমিক দুই মাত্রার দুটি আফটারশক হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আরও আফটারশক হতে পারে।
অঞ্চলটির বেশ কিছু স্থানে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য মিলেছে। ভবনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একজনের প্রাণহানি হয়েছে। ভূমিকম্প অনুভূত হওয়া দ্বীপটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ, ২ লাখের বেশি মানুষের বসবাস।
প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অফ ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়া। টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার কারণে এখানে ঘন ঘন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।
ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো। এতে একাধিক বাড়িঘর ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৭টার দিকে পূর্বাঞ্চলীয় মালাক্কা সাগরে অনুভূত হয় কম্পনটি। জারি করা হয় সুনামি সতর্কতা। টারনেট শহর
থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে মাটির ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল উৎপত্তিস্থল। এখন পর্যন্ত পাঁচ দশমিক পাঁচ ও পাঁচ দশমিক দুই মাত্রার দুটি আফটারশক হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আরও আফটারশক হতে পারে। অঞ্চলটির বেশ কিছু স্থানে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য মিলেছে।
ভবনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একজনের প্রাণহানি হয়েছে। ভূমিকম্প অনুভূত হওয়া দ্বীপটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ, ২ লাখের বেশি মানুষের বসবাস। প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অফ ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়া। টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার কারণে এখানে ঘন ঘন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত