দিনাজপুরের হিলি বন্দর বাজারে কমতে শুরু করেছে জিরার দাম। ৬০০ টাকার জিরা দাম কমে তা বিক্রি হচ্ছে ৫৩০ টাকা কেজি দরে। ভারত থেকে আমদানি স্বাভাবিক থাকায় কমেছে জিরার দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে জিরার দাম কমে যাওয়ায় খুশি সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা।
সোমবার (৪ আগস্ট) সকালে হিলি মসলা বাজার ঘুরে জানা যায়, তিন সপ্তাহের ব্যবধানে জিরার দাম কমেছে কেজিতে ৭০ টাকা। ৬০০ টাকা কেজি দরের জিরা বিক্রি হচ্ছে ৫৩০ টাকা কেজি হিসেবে। গত বছর এসময় জিরার কেজি ছিলো ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা কেজি। ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দরে পর্যাপ্ত জিরা আমদানি হওয়া স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জিরার দাম। এক বছরের ব্যবধানে দাম অর্ধেকে নেমেছে। আবার দুই বছর আগে এই বন্দর বাজারে জিরার কেজি ছিলো ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি। জিরার আমদানি স্বাভাবিক থাকলে পূর্বের দামে ফিরবে, এমনটিই বলছেন মসলা ব্যবসায়ীরা। এদিকে দাম কমে যাওয়ায় খুশি নিম্ন আয়ের মানুষ।
হিলি মসলা বাজারে জিরা কিনতে আসা বিরামপুরের একজন ক্রেতা শাহা আলম বলেন, হিলি বাজারে জিরার দাম অনেকটা কমে গেছে। গত দুই মাস আগে যে জিরা ৬০০ টাকার উপরে কিনেছিলাম, আজ তা কিনলাম ৫৩০ টাকা কেজি হিসেবে। দাম কম হওয়াতে এক কেজি জিরা কিনলাম।
নয়ন নামের আর একজন ক্রেতা বলেন, কোরবানির ঈদ আসলেই আমাদের মসলার প্রয়োজন বেশি হয়। ঈদের আগেই হিলি মসলা বাজার থেকে মসলা কিনি। তবে আজ জিরা কিনতে আসলাম। গত কোরবানির ঈদে জিরা ৬১০ টাকা কেজি কিনেছিলাম। আজ সেই জিরা ৫৩০ টাকা কেজি দরে কিনলাম। তবে আগের জিরার যে বাজার ছিলো, ঐবাজার ফিরে আসলে আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের উপকার হতো।
হিলি বাজারের মসলা ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন শাওন বলেন, হিলি বন্দরে প্রচুর জিরা আমদানি হয়েছে। বর্তমানও আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। আবার বর্তমান মসলার বেচাবিক্রি একেবারে কম। সবমিলে কমে গেছে জিরার দাম। হয়তো বাজার আরও কম হতে পারে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সোমবার (৪ আগস্ট) সকালে হিলি মসলা বাজার ঘুরে জানা যায়, তিন সপ্তাহের ব্যবধানে জিরার দাম কমেছে কেজিতে ৭০ টাকা। ৬০০ টাকা কেজি দরের জিরা বিক্রি হচ্ছে ৫৩০ টাকা কেজি হিসেবে। গত বছর এসময় জিরার কেজি ছিলো ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা কেজি। ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দরে পর্যাপ্ত জিরা আমদানি হওয়া স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জিরার দাম। এক বছরের ব্যবধানে দাম অর্ধেকে নেমেছে। আবার দুই বছর আগে এই বন্দর বাজারে জিরার কেজি ছিলো ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি। জিরার আমদানি স্বাভাবিক থাকলে পূর্বের দামে ফিরবে, এমনটিই বলছেন মসলা ব্যবসায়ীরা। এদিকে দাম কমে যাওয়ায় খুশি নিম্ন আয়ের মানুষ।
হিলি মসলা বাজারে জিরা কিনতে আসা বিরামপুরের একজন ক্রেতা শাহা আলম বলেন, হিলি বাজারে জিরার দাম অনেকটা কমে গেছে। গত দুই মাস আগে যে জিরা ৬০০ টাকার উপরে কিনেছিলাম, আজ তা কিনলাম ৫৩০ টাকা কেজি হিসেবে। দাম কম হওয়াতে এক কেজি জিরা কিনলাম।
নয়ন নামের আর একজন ক্রেতা বলেন, কোরবানির ঈদ আসলেই আমাদের মসলার প্রয়োজন বেশি হয়। ঈদের আগেই হিলি মসলা বাজার থেকে মসলা কিনি। তবে আজ জিরা কিনতে আসলাম। গত কোরবানির ঈদে জিরা ৬১০ টাকা কেজি কিনেছিলাম। আজ সেই জিরা ৫৩০ টাকা কেজি দরে কিনলাম। তবে আগের জিরার যে বাজার ছিলো, ঐবাজার ফিরে আসলে আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের উপকার হতো।
হিলি বাজারের মসলা ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন শাওন বলেন, হিলি বন্দরে প্রচুর জিরা আমদানি হয়েছে। বর্তমানও আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। আবার বর্তমান মসলার বেচাবিক্রি একেবারে কম। সবমিলে কমে গেছে জিরার দাম। হয়তো বাজার আরও কম হতে পারে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব