যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক হামলা এড়াতে ইরানকে দুটি শর্ত দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন,প্রথমত, কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়। দ্বিতীয়ত, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করতে হবে।
তারা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করছে, তিনি আরও যোগ করেন।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে ওয়াশিংটন ডিসির কেনেডি সেন্টারে স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকে নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্রের প্রিমিয়ারে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। খবর বিবিসি
ট্রাম্পের এ মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন,আমাদের অনেক বড়, খুব শক্তিশালী জাহাজ এখন ইরানের দিকে যাচ্ছে, আর যদি সেগুলো ব্যবহার না করতে হয়, তাহলে সেটা দারুণ হবে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তাদের সশস্ত্র বাহিনী আঙুল ট্রিগারে রেখে প্রস্তুত রয়েছে এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া জানাবে।
এর আগে এই সপ্তাহে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেন, ‘আশা করি ইরান দ্রুত আলোচনায় বসবে এবং একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক চুক্তি করবে—কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়।
তিনি সতর্ক করে বলেন,একটি বিশাল নৌবহর ইরানের দিকে যাচ্ছে এবং প্রয়োজনে তা দ্রুত ও সহিংসভাবে তাদের মিশন সম্পন্ন করতে প্রস্তুত, ইচ্ছুক ও সক্ষম।
এর জবাবে আরাঘচি বলেন,ইরান সবসময়ই পারস্পরিক লাভজনক, ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক একটি পারমাণবিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে—যা হবে সমান অবস্থানে এবং জবরদস্তি, হুমকি ও ভয়ভীতি থেকে মুক্ত—যা ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির অধিকার নিশ্চিত করবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র না থাকার নিশ্চয়তা দেবে।
তিনি আরও বলেন,এ ধরনের অস্ত্র আমাদের নিরাপত্তা হিসাবের অংশ নয় এবং আমরা কখনোই সেগুলো অর্জনের চেষ্টা করিনি।
হামলা থেকে রক্ষা পেতে ইরানকে দুই শর্ত ট্রাম্পের
হামলা থেকে রক্ষা পেতে ইরানকে দুই শর্ত ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক হামলা এড়াতে ইরানকে দুটি শর্ত দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন,প্রথমত, কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়। দ্বিতীয়ত, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করতে হবে। তারা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করছে, তিনি আরও যোগ করেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে ওয়াশিংটন ডিসির কেনেডি সেন্টারে স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকে নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্রের প্রিমিয়ারে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। খবর বিবিসি ট্রাম্পের এ মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট
বলেন,আমাদের অনেক বড়, খুব শক্তিশালী জাহাজ এখন ইরানের দিকে যাচ্ছে, আর যদি সেগুলো ব্যবহার না করতে হয়, তাহলে সেটা দারুণ হবে। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তাদের সশস্ত্র বাহিনী আঙুল ট্রিগারে রেখে প্রস্তুত রয়েছে এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া জানাবে। এর আগে এই সপ্তাহে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেন, ‘আশা করি ইরান দ্রুত আলোচনায় বসবে এবং একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক চুক্তি করবে—কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন,একটি বিশাল নৌবহর ইরানের
দিকে যাচ্ছে এবং প্রয়োজনে তা দ্রুত ও সহিংসভাবে তাদের মিশন সম্পন্ন করতে প্রস্তুত, ইচ্ছুক ও সক্ষম। এর জবাবে আরাঘচি বলেন,ইরান সবসময়ই পারস্পরিক লাভজনক, ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক একটি পারমাণবিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে—যা হবে সমান অবস্থানে এবং জবরদস্তি, হুমকি ও ভয়ভীতি থেকে মুক্ত—যা ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির অধিকার নিশ্চিত করবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র না থাকার নিশ্চয়তা দেবে। তিনি আরও বলেন,এ ধরনের অস্ত্র আমাদের নিরাপত্তা হিসাবের অংশ নয় এবং আমরা কখনোই সেগুলো অর্জনের চেষ্টা করিনি।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত