বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বলেছেন, আমাদের এই জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন স্বাধীনতা। ১৯৭১সালে আমরা একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। যে বাংলাদেশের জন্য আমাদের অনেক বেশি ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। গত ১৭ বছর বিএনপি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করেছে। ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করেছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করেছে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি একটা নেতা যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হয় এবং সংগঠনের সাধারণ সদস্যের ভোটে নির্বাচিত না হয় তাহলে সে যে-ই হোক সাধারণ সদস্যদের প্রতি তার জবাবদিহিতা থাকে না এবং সাধারণ সদস্যের প্রতি দ্বায়বদ্ধতা থাকেনা।
শনিবার (২১ জুন) দুপুরে শহরের ছনকান্দা ফেরিঘাট পৌরবাস টার্মিনাল প্রাঙ্গণে জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী, কভার্ডভ্যান, মিনি ট্রাক ও ট্রাক্টর চালক শ্রমিক ইউনিয়ন আয়োজিত সাধারণ সভা ও শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামে যুক্ত করেছিলেন, যিনি স্ব-শরীরে যুদ্ধ করে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ত্রিশ লক্ষ মানুষের জীবনের বিনিময়ে এবং দুই লক্ষ মা- বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই সকল ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জিয়াউর রহমানসহ সকল শহীদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।স্বাধীনতার মূলমন্ত্র হচ্ছে গণতন্ত্র। গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র হলো জনগণের ভোটের অধিকার। গণতন্ত্রের মূল অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে স্বাধীনতা পরবর্তী চুয়ান্ন বছরে যারা জীবন দিয়েছে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। শ্রদ্ধা নিবেদন করছি জামালপুর জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী, কভার্ডভ্যান, মিনি ট্রাক ও ট্রাক্টর চালক শ্রমিক ইউনিয়নের যে সকল নেতৃবৃন্দ এবং একইসাথে জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলড়ী মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ আমাদের ছেড়ে এই দুনিয়া থেকে চলে গিয়েছেন তাদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আজকের এই সাধারণ সভাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যারা জীবন দিয়ে এই দেশ স্বাধীন করেছে এবং যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে এই স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে তাদের স্বপ্ন ছিলো যে তাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও এই দেশ স্বাধীন হবে। স্বাধীন বাংলাদেশের মালিক হবে সাধারণ জনগণ। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবে। জনগণের ভোটে সরকার নির্বাচিত হবে। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের সংগঠনের নেতা নির্বাচিত করবে। যে সরকারের কাছে, প্রতিনিধির কাছে, নেতার কাছে সকল জনগণ সমান ভাবে বিবেচিত হবে। আইনের শাসন থাকবে এবং ন্যায় বিচার পাবে। এই বাংলাদেশটা সকল মানুষের বাংলাদেশ হবে। আমরা দূর্ভাগ্যক্রমে দেখেছি যে গত ১৭ বছর এই বাংলাদেশের মালিক হয়ে গিয়েছিল একটি রাজনৈতিক পরিবার এবং সেই রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতী সাধারণ মানুষ তাদের গোলামে পরিণত হয়ে গিয়েছিল।
তিনি বলেন, একইভাবে আজকের যে সংগঠন এই সংগঠনের সাধারণ সভা চলছে এই সংগঠন গুলো সেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী বাকশালি দলীয় ও পারিবারিক নেতাকর্মীদের সম্পদ হিসেবে পরিনত হয়েছিল। সাধারণ শ্রমিক ও জনগণ তাদের কাছে জিম্মি হয়ে ছিল। আপনারা জানেন যে আমরা স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে সক্ষম হয়েছি। যে স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে আমাদের অনেক ত্যাগ শিকার করতে হয়েছিল। ১৭ বছর সংগ্রাম করতে হয়েছে। গত ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। আজকে স্বৈরাচার মুক্ত, দুর্নীতি মুক্ত, দু:শাসন মুক্ত ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি। এই বাংলাদেশ আমাদের অনেক ত্যাগের বিনিময়ে পেতে হয়েছে।
এতে উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলড়ী মালিক সমিতির সভাপতি আমজাদ হোসেন ভোলা মল্লিক।
জামালপুর জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী, কভার্ডভ্যান, মিনি ট্রাক ও ট্রাক্টর চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম কেরামতের সঞ্চালনায় সাধারণ সভা ও শ্রমিক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সফিউর রহমান শফি, জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলড়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান, সাধারণ সম্পাদক বাবু জীবন কৃষ্ণ বসাক, জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শুভ, জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী, মালিক সমিতির সহ-সভাপতি শামীম হোসেন মঙ্গল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
সাধারণ সভা ও শ্রমিক সমাবেশে জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলড়ী মালিক সমিতি ও জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী, কভার্ডভ্যান, মিনি ট্রাক ও ট্রাক্টর চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
শনিবার (২১ জুন) দুপুরে শহরের ছনকান্দা ফেরিঘাট পৌরবাস টার্মিনাল প্রাঙ্গণে জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী, কভার্ডভ্যান, মিনি ট্রাক ও ট্রাক্টর চালক শ্রমিক ইউনিয়ন আয়োজিত সাধারণ সভা ও শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামে যুক্ত করেছিলেন, যিনি স্ব-শরীরে যুদ্ধ করে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ত্রিশ লক্ষ মানুষের জীবনের বিনিময়ে এবং দুই লক্ষ মা- বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই সকল ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জিয়াউর রহমানসহ সকল শহীদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।স্বাধীনতার মূলমন্ত্র হচ্ছে গণতন্ত্র। গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র হলো জনগণের ভোটের অধিকার। গণতন্ত্রের মূল অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে স্বাধীনতা পরবর্তী চুয়ান্ন বছরে যারা জীবন দিয়েছে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। শ্রদ্ধা নিবেদন করছি জামালপুর জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী, কভার্ডভ্যান, মিনি ট্রাক ও ট্রাক্টর চালক শ্রমিক ইউনিয়নের যে সকল নেতৃবৃন্দ এবং একইসাথে জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলড়ী মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ আমাদের ছেড়ে এই দুনিয়া থেকে চলে গিয়েছেন তাদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আজকের এই সাধারণ সভাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যারা জীবন দিয়ে এই দেশ স্বাধীন করেছে এবং যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে এই স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে তাদের স্বপ্ন ছিলো যে তাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও এই দেশ স্বাধীন হবে। স্বাধীন বাংলাদেশের মালিক হবে সাধারণ জনগণ। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবে। জনগণের ভোটে সরকার নির্বাচিত হবে। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের সংগঠনের নেতা নির্বাচিত করবে। যে সরকারের কাছে, প্রতিনিধির কাছে, নেতার কাছে সকল জনগণ সমান ভাবে বিবেচিত হবে। আইনের শাসন থাকবে এবং ন্যায় বিচার পাবে। এই বাংলাদেশটা সকল মানুষের বাংলাদেশ হবে। আমরা দূর্ভাগ্যক্রমে দেখেছি যে গত ১৭ বছর এই বাংলাদেশের মালিক হয়ে গিয়েছিল একটি রাজনৈতিক পরিবার এবং সেই রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতী সাধারণ মানুষ তাদের গোলামে পরিণত হয়ে গিয়েছিল।
তিনি বলেন, একইভাবে আজকের যে সংগঠন এই সংগঠনের সাধারণ সভা চলছে এই সংগঠন গুলো সেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী বাকশালি দলীয় ও পারিবারিক নেতাকর্মীদের সম্পদ হিসেবে পরিনত হয়েছিল। সাধারণ শ্রমিক ও জনগণ তাদের কাছে জিম্মি হয়ে ছিল। আপনারা জানেন যে আমরা স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে সক্ষম হয়েছি। যে স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে আমাদের অনেক ত্যাগ শিকার করতে হয়েছিল। ১৭ বছর সংগ্রাম করতে হয়েছে। গত ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। আজকে স্বৈরাচার মুক্ত, দুর্নীতি মুক্ত, দু:শাসন মুক্ত ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি। এই বাংলাদেশ আমাদের অনেক ত্যাগের বিনিময়ে পেতে হয়েছে।
এতে উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলড়ী মালিক সমিতির সভাপতি আমজাদ হোসেন ভোলা মল্লিক।
জামালপুর জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী, কভার্ডভ্যান, মিনি ট্রাক ও ট্রাক্টর চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম কেরামতের সঞ্চালনায় সাধারণ সভা ও শ্রমিক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সফিউর রহমান শফি, জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলড়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান, সাধারণ সম্পাদক বাবু জীবন কৃষ্ণ বসাক, জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শুভ, জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী, মালিক সমিতির সহ-সভাপতি শামীম হোসেন মঙ্গল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
সাধারণ সভা ও শ্রমিক সমাবেশে জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলড়ী মালিক সমিতি ও জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ী, কভার্ডভ্যান, মিনি ট্রাক ও ট্রাক্টর চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব