ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর প্রায় তিন ঘন্টা ব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে।মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬ রোজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে এই ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতরা নাসিরনগর সহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংঙসদ নির্বাচনের দিন সকালে গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপির সমর্থক গোয়ালনগর গ্রামের রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে ভ্রাম্যমান আদালতে তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ নিয়ে জিয়াউর রহমান একই গ্রামের কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করতে থাকে এবং প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উঠে। এক সপ্তাহ আগে জিয়াউর গোয়ালনগর গ্রামে শিশু মিয়াকে তার মোটরসাইকেলসহ আটক করে মারধর করে এবং মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেয়।
এ নিয়ে রহিম গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর মধ্যে বেশ কিছুদিন যাবৎ উত্তেজনা চলে আসছিল। আজ সকালে রহিম তালুকদারের লোকজন কাসেম গোষ্ঠীর বাড়ি ঘরে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বিকেলে উভয় গোষ্ঠীর লোকজন মাইকে ঘোষনা দিয়ে টেঁটা, বল্লম, দা সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়ে যায়। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।
এ ব্যাপারে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিনুর ইসলাম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।তিনি আরও জানান,এই সংঘর্ষের ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গোয়ালনগরে দুই গোষ্ঠীর তিন ঘন্টা ব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে,আহত অর্ধশতাধিক
গোয়ালনগরে দুই গোষ্ঠীর তিন ঘন্টা ব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে,আহত অর্ধশতাধিক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর প্রায় তিন ঘন্টা ব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে।মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬ রোজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে এই ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতরা নাসিরনগর সহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংঙসদ নির্বাচনের দিন সকালে গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপির সমর্থক গোয়ালনগর গ্রামের রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে ভ্রাম্যমান আদালতে তাকে
১০ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ নিয়ে জিয়াউর রহমান একই গ্রামের কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করতে থাকে এবং প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উঠে। এক সপ্তাহ আগে জিয়াউর গোয়ালনগর গ্রামে শিশু মিয়াকে তার মোটরসাইকেলসহ আটক করে মারধর করে এবং মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেয়। এ নিয়ে রহিম গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর মধ্যে বেশ কিছুদিন যাবৎ উত্তেজনা চলে আসছিল। আজ সকালে রহিম তালুকদারের লোকজন কাসেম গোষ্ঠীর বাড়ি ঘরে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বিকেলে উভয়
গোষ্ঠীর লোকজন মাইকে ঘোষনা দিয়ে টেঁটা, বল্লম, দা সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়ে যায়। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।এ ব্যাপারে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিনুর ইসলাম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।তিনি আরও জানান,এই সংঘর্ষের ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত