রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পদ্মা নদীর ধারে গ্যাসের সন্ধান জ্বলছে আগুন দেখছে লোকজন। এর মধ্যে বেশির ভাগ বুদ্বুদই হচ্ছে পানির ভেতর। নদীর পাড়ে হওয়া বুদ্বুদগুলোতে জ্বলন্ত দিয়াশলাইয়ের কাঠি ধরতেই বালুতের ওপর আগুন জ্বলছে। গ্যাসের কারণেই এমনটা হচ্ছে কি না, তা জানার জন্য বিষয়টি ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভির কর্মকর্তা। Godagari Photo Gas discovery along the river 29-10-2025.jpeg86.56 KBমঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে উপজেলার প্রেমতলী ঠাকুরঘাট এলাকায় এমন বুদ্বুদ দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর গভীর রাত পর্যন্ত নদীর পাড়ে ভিড় করেছিলেন উৎসুক মানুষ। আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকেই সেখানে ভিড় করেন আশপাশের গ্রামের নারী-পুরুষ ও শিশুরা।
এদিকে নদীর পাড়ে গ্যাসের বুদ্বুদ ওঠার খবরে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল পাঠান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহম্মেদ। দুপুরে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, বিষয়টি ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা মো. শিহাব জানান, সম্প্রতি নদীর ঠাকুরঘাট এলাকায় নৌকাডুবে তিনজনের মৃত্যু হয়। লাশ উদ্ধারের জন্য সেদিন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসেছিল। তারা জানিয়েছিলেন, পানিতে নামতে গেলে তাদের কাছে মনে হচ্ছে যে, তাঁরা ওপরের দিকেই চলে আসছেন। এখন তাঁরা ধারণা করছেন, সেটি গ্যাস ওঠার চাপ ছিল।
দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নদীর পানি ও পাড়ের বালু বিভিন্ন স্থান থেকে বুদ্বুদ উঠছে। বালুর মধ্যে ওঠা বুদ্বুদগুলো থেকে গ্যাস বের হওয়ার শব্দ শোনা যাচ্ছে।
এলাকার আরেক বাসিন্দা পিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘কয়েকদিন ধরে নদীর পানি কমে গেছে। গতকাল (মঙ্গলবার) এলাকার লোকজন এই বুদ্বুদ খেয়াল করেন। তারপর থেকেই উৎসুক মানুষের ভিড় লেগে আছে। গভীর রাত পর্যন্ত লোকজন আগুন জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি দেখেছেন।’
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ফায়ার সার্ভিসের গোদাগাড়ী স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা জমির উদ্দিন বলেন, ‘নদী পাড়ে অসংখ্য বুদ্বুদ বের হচ্ছে। এখন কোনো গ্যাসের কারণে এটি হচ্ছে কিনা, তা আমরা জানি না। বিষয়টি ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তাঁরা এসে দেখবেন।
গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ফয়সাল আহম্মেদ জানান, সকালে প্রেমতলী পুলিশ তদন্তকেন্দ্র থেকে বিষয়টি তাকে জানানো হয়। এরপর তিনি ফায়ার সার্ভিসকে পাঠান। তারা এসে একটি রিপোর্ট দেবেন। গ্যাসের উপস্থিতি আছে কি না, তা জানতে পরীক্ষার জন্য ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
গোদাগাড়ীতে পদ্মা নদীর ধারে গ্যাসের সন্ধান জ্বলছে আগুন দেখছে লোকজন
গোদাগাড়ীতে পদ্মা নদীর ধারে গ্যাসের সন্ধান জ্বলছে আগুন দেখছে লোকজন
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পদ্মা নদীর ধারে গ্যাসের সন্ধান জ্বলছে আগুন দেখছে লোকজন। এর মধ্যে বেশির ভাগ বুদ্বুদই হচ্ছে পানির ভেতর। নদীর পাড়ে হওয়া বুদ্বুদগুলোতে জ্বলন্ত দিয়াশলাইয়ের কাঠি ধরতেই বালুতের ওপর আগুন জ্বলছে। গ্যাসের কারণেই এমনটা হচ্ছে কি না, তা জানার জন্য বিষয়টি ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভির কর্মকর্তা।Godagari Photo Gas discovery along the river 29-10-2025.jpeg 86.56 KBমঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে উপজেলার প্রেমতলী ঠাকুরঘাট এলাকায় এমন বুদ্বুদ দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর গভীর রাত পর্যন্ত নদীর পাড়ে ভিড় করেছিলেন উৎসুক মানুষ। আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকেই সেখানে ভিড় করেন আশপাশের গ্রামের নারী-পুরুষ ও শিশুরা।এদিকে নদীর পাড়ে গ্যাসের বুদ্বুদ ওঠার খবরে সেখানে ফায়ার
সার্ভিসের একটি দল পাঠান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহম্মেদ। দুপুরে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, বিষয়টি ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা মো. শিহাব জানান, সম্প্রতি নদীর ঠাকুরঘাট এলাকায় নৌকাডুবে তিনজনের মৃত্যু হয়। লাশ উদ্ধারের জন্য সেদিন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসেছিল। তারা জানিয়েছিলেন, পানিতে নামতে গেলে তাদের কাছে মনে হচ্ছে যে, তাঁরা ওপরের দিকেই চলে আসছেন। এখন তাঁরা ধারণা করছেন, সেটি গ্যাস ওঠার চাপ ছিল।দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নদীর পানি ও পাড়ের বালু বিভিন্ন স্থান থেকে বুদ্বুদ উঠছে। বালুর মধ্যে ওঠা বুদ্বুদগুলো থেকে গ্যাস বের হওয়ার শব্দ শোনা যাচ্ছে।এলাকার আরেক বাসিন্দা পিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘কয়েকদিন ধরে নদীর পানি কমে গেছে। গতকাল
(মঙ্গলবার) এলাকার লোকজন এই বুদ্বুদ খেয়াল করেন। তারপর থেকেই উৎসুক মানুষের ভিড় লেগে আছে। গভীর রাত পর্যন্ত লোকজন আগুন জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি দেখেছেন।’ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ফায়ার সার্ভিসের গোদাগাড়ী স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা জমির উদ্দিন বলেন, ‘নদী পাড়ে অসংখ্য বুদ্বুদ বের হচ্ছে। এখন কোনো গ্যাসের কারণে এটি হচ্ছে কিনা, তা আমরা জানি না। বিষয়টি ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তাঁরা এসে দেখবেন।গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ফয়সাল আহম্মেদ জানান, সকালে প্রেমতলী পুলিশ তদন্তকেন্দ্র থেকে বিষয়টি তাকে জানানো হয়। এরপর তিনি ফায়ার সার্ভিসকে পাঠান। তারা এসে একটি রিপোর্ট দেবেন। গ্যাসের উপস্থিতি আছে কি না, তা জানতে পরীক্ষার জন্য ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব