ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনের ফলাফলকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন। নির্বাচন পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গেজেট প্রকাশিত হলেও এখনো পর্যন্ত শপথ নিতে না পারার বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি।
নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের মামলা নং ১৫/২০২০ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনের ফলাফল ও ৪ ফেব্রুয়ারির গেজেট বাতিল করে বিএনপি সমর্থিত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করে ১০ দিনের মধ্যে সংশোধিত গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই অনুযায়ী ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠায়।
তবে গেজেট প্রকাশের পরও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইশরাক। তার দাবি, শপথ অনুষ্ঠানে বিলম্ব করার জন্য নানা অজুহাত তুলে স্থানীয় সরকার বিভাগ কালক্ষেপণ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া রাজনৈতিক স্বার্থে শপথ অনুষ্ঠান পিছিয়ে দিচ্ছেন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
ইশরাক বলেন, "গেজেট জারি হলে একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি শপথ নিতে পারবেন না—এমন নজির গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। এটা মানলে ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি শপথ নেওয়ার সুযোগ পাবেন না।"
তিনি আরও বলেন, “জনাব সজীব ভূইয়া গেজেটের মেয়াদ শেষ হওয়ার অজুহাতে শপথ অনুষ্ঠান আটকে রেখেছেন, যা আদালতের আদেশের প্রতি অবমাননার শামিল। এটি শুধু রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নয়, বরং নাগরিক অধিকার হরণের শামিল।”
সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক ও ওয়ারিশি সনদ, টিকা প্রদান, মশক নিধন কার্যক্রম, এমনকি কোরবানির বর্জ্য অপসারণ—সবকিছুই নিয়মিতভাবে হচ্ছে, শপথ গ্রহণ না হওয়াতেও এই কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।”
পরিশেষে তিনি বলেন, “জনাব সজীব ভূইয়া তরুণ হলেও জনগণের প্রতি দায়িত্বশীলতা দেখাতে হবে। আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সঠিক তথ্য প্রদান তার নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু তিনি তা পালন না করে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন। তাই তার আর স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা পদে থাকার নৈতিক অধিকার নেই। আমরা তার পদত্যাগ দাবি করছি।”
নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের মামলা নং ১৫/২০২০ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনের ফলাফল ও ৪ ফেব্রুয়ারির গেজেট বাতিল করে বিএনপি সমর্থিত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করে ১০ দিনের মধ্যে সংশোধিত গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই অনুযায়ী ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠায়।
তবে গেজেট প্রকাশের পরও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইশরাক। তার দাবি, শপথ অনুষ্ঠানে বিলম্ব করার জন্য নানা অজুহাত তুলে স্থানীয় সরকার বিভাগ কালক্ষেপণ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া রাজনৈতিক স্বার্থে শপথ অনুষ্ঠান পিছিয়ে দিচ্ছেন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
ইশরাক বলেন, "গেজেট জারি হলে একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি শপথ নিতে পারবেন না—এমন নজির গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। এটা মানলে ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি শপথ নেওয়ার সুযোগ পাবেন না।"
তিনি আরও বলেন, “জনাব সজীব ভূইয়া গেজেটের মেয়াদ শেষ হওয়ার অজুহাতে শপথ অনুষ্ঠান আটকে রেখেছেন, যা আদালতের আদেশের প্রতি অবমাননার শামিল। এটি শুধু রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নয়, বরং নাগরিক অধিকার হরণের শামিল।”
সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক ও ওয়ারিশি সনদ, টিকা প্রদান, মশক নিধন কার্যক্রম, এমনকি কোরবানির বর্জ্য অপসারণ—সবকিছুই নিয়মিতভাবে হচ্ছে, শপথ গ্রহণ না হওয়াতেও এই কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।”
পরিশেষে তিনি বলেন, “জনাব সজীব ভূইয়া তরুণ হলেও জনগণের প্রতি দায়িত্বশীলতা দেখাতে হবে। আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সঠিক তথ্য প্রদান তার নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু তিনি তা পালন না করে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন। তাই তার আর স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা পদে থাকার নৈতিক অধিকার নেই। আমরা তার পদত্যাগ দাবি করছি।”