মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়নের জোড়পুকুরিয়া গ্রামে অবস্থিত জিটিএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা মাটি ভরাট প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রকল্প চেয়ারম্যান ও সাহারবাটি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আসমাতারা খাতুনের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির অধীনে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিটিএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা মাটি ভরাটের জন্য ৫ দশমিক ৭০০ মেট্রিক টন গমের সমমূল্যের বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী বরাদ্দের বিপরীতে নির্ধারিত পরিমাণ মাটি ভরাট করার কথা থাকলেও বাস্তবে কাজের সঙ্গে বরাদ্দের কোনো সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয় আঙ্গিনায় খুব অল্প পরিমাণ মাটি ফেলা হয়েছে, যা বরাদ্দকৃত কাজের তুলনায় নগণ্য। শিক্ষকদের দাবি, প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থ কোনো উল্লেখযোগ্য কাজ ছাড়াই আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জিটিএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ জাহাঙ্গীর বলেন, “যে পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী কাজ হয়নি। মাত্র ১৭ গাড়ি মাটি ফেলে কাজ শেষ দেখানো হয়েছে।”
বিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, মাটি ভরাটের বিষয়ে জানতে চাইলে সাহারবাটি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আসমাতারা খাতুনের ভাই একাধিকবার বলেন— ‘অন্যরা মাটি না দিয়ে খেয়েছে, আমরা মাটি দিয়েই খাচ্ছি’। এ ধরনের মন্তব্যে প্রকল্পে অনিয়মের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয় বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে সাহারবাটি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আসমাতারা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করতে বলেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গাংনীতে বিদ্যালয় আঙ্গিনা মাটি ভরাটের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
গাংনীতে বিদ্যালয় আঙ্গিনা মাটি ভরাটের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়নের জোড়পুকুরিয়া গ্রামে অবস্থিত জিটিএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা মাটি ভরাট প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রকল্প চেয়ারম্যান ও সাহারবাটি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আসমাতারা খাতুনের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির অধীনে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিটিএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা মাটি ভরাটের জন্য ৫ দশমিক ৭০০ মেট্রিক টন গমের সমমূল্যের বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী বরাদ্দের বিপরীতে নির্ধারিত পরিমাণ মাটি ভরাট করার কথা থাকলেও বাস্তবে কাজের
সঙ্গে বরাদ্দের কোনো সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয় আঙ্গিনায় খুব অল্প পরিমাণ মাটি ফেলা হয়েছে, যা বরাদ্দকৃত কাজের তুলনায় নগণ্য। শিক্ষকদের দাবি, প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থ কোনো উল্লেখযোগ্য কাজ ছাড়াই আত্মসাৎ করা হয়েছে।এ বিষয়ে জিটিএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ জাহাঙ্গীর বলেন, “যে পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী কাজ হয়নি। মাত্র ১৭ গাড়ি মাটি ফেলে কাজ শেষ দেখানো হয়েছে।” বিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, মাটি ভরাটের বিষয়ে জানতে চাইলে সাহারবাটি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান
আসমাতারা খাতুনের ভাই একাধিকবার বলেন— ‘অন্যরা মাটি না দিয়ে খেয়েছে, আমরা মাটি দিয়েই খাচ্ছি’। এ ধরনের মন্তব্যে প্রকল্পে অনিয়মের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয় বলে তিনি দাবি করেন। অভিযোগের বিষয়ে সাহারবাটি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আসমাতারা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করতে বলেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত