মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মটমুড়া গ্রামের বাঁশ বাগানে ভুমিষ্ট হওয়া সেই নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। গেল রাত আড়াইটার দিকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট নিয়ে তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গাংনী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আরশাদ আলী জানান, ভুমিষ্ট হওয়ার পর তার নাড়ি কাটা হয়নি। বাগানে ফেলে রাখায় বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। গেল দুদিন মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের ইনকিউবেটারে ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় কিছুটা সুস্থ হওয়ায় শিশুটিকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। রাতে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
গেল ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে মটমুড়া গ্রামের একটি বাঁশবাগানে সদ্য ভুমিষ্ট হওয়া কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে নেওয়া হয় মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে। গাংনী উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সহায়তায় চিকিৎসা চলছিল। পরিচয় বিহীন কন্যা শিশুটির দত্তক নিতে আশা প্রকাশ করেছিলেন অনেকে। এখনও পর্যন্ত শিশুটির পিতামাতার পরিচয় মেলেনি।
শিশুটির দাফনের বিষয়ে গাংনী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আরশাদ আলী আরো জানান, শিশু কল্যাণ বোর্ডের সিদ্ধান্ত হলে শিশুটির দাফন করানো হবে।
গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানি ইসরাইল জানান, ঘটনার পর থেকেই শিশুটির পিতামাতার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তবে এখনও হদিস মেলেনি। ভবিষ্যতে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য শিশুটির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
গাংনীতে বাঁশ বাগানে ভুমিষ্ট হওয়া সেই নবজাতকের মৃত্যু
গাংনীতে বাঁশ বাগানে ভুমিষ্ট হওয়া সেই নবজাতকের মৃত্যু
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মটমুড়া গ্রামের বাঁশ বাগানে ভুমিষ্ট হওয়া সেই নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। গেল রাত আড়াইটার দিকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট নিয়ে তার মৃত্যু হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করে গাংনী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আরশাদ আলী জানান, ভুমিষ্ট হওয়ার পর তার নাড়ি কাটা হয়নি। বাগানে ফেলে রাখায় বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। গেল দুদিন মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের ইনকিউবেটারে
ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় কিছুটা সুস্থ হওয়ায় শিশুটিকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। রাতে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।গেল ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে মটমুড়া গ্রামের একটি বাঁশবাগানে সদ্য ভুমিষ্ট হওয়া কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে নেওয়া হয় মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে। গাংনী উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সহায়তায় চিকিৎসা চলছিল। পরিচয় বিহীন কন্যা শিশুটির দত্তক নিতে আশা প্রকাশ করেছিলেন অনেকে। এখনও পর্যন্ত শিশুটির
পিতামাতার পরিচয় মেলেনি।শিশুটির দাফনের বিষয়ে গাংনী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আরশাদ আলী আরো জানান, শিশু কল্যাণ বোর্ডের সিদ্ধান্ত হলে শিশুটির দাফন করানো হবে।গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানি ইসরাইল জানান, ঘটনার পর থেকেই শিশুটির পিতামাতার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তবে এখনও হদিস মেলেনি। ভবিষ্যতে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য শিশুটির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত