ইসরাইলি বিমান হামলায় রোববার সকালে গাজা উপত্যকায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, উত্তর গাজার একটি শরণার্থী তাঁবুতে হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হন। দক্ষিণ গাজায় আরেকটি হামলায় প্রাণ গেছে আরও পাঁচজনের।
ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, হামাসের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে তারা ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে’ আঘাত হেনেছে। তাদের দাবি, ইসরাইল নিয়ন্ত্রিত এলাকায় একটি সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে আসা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়।
১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকেই ইসরাইল ও হামাস একে অপরের বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিদিনই লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে। গাজার সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, রোববারের হামলায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। আল-শিফা হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, বিমান হামলার বাইরে আলাদা এক গোলাগুলিতে আরও একজন নিহত হয়েছেন। হামাস পরিচালিত গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬০০ জন নিহত হয়েছেন।
এই হামলার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছিল। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গঠিত বোর্ড অব পিস ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে তাদের প্রথম বৈঠক করতে যাচ্ছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, গাজার পুনর্গঠনে বোর্ডের সদস্যরা ৫০০ কোটি ডলার সহায়তার অঙ্গীকার করেছে। তিনি হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন, যদিও সংগঠনটি আগে জানিয়েছে, একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তারা অস্ত্র সমর্পণ করবে না।
গত ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে হামাসের নেতৃত্বে দক্ষিণ ইসরাইলে হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত ও ২৫১ জনকে জিম্মি করার মধ্য দিয়ে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। এর জবাবে ইসরাইল গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, সেই অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৮২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
সূত্র:বিবিসি
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত
ইসরাইলি বিমান হামলায় রোববার সকালে গাজা উপত্যকায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, উত্তর গাজার একটি শরণার্থী তাঁবুতে হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হন। দক্ষিণ গাজায় আরেকটি হামলায় প্রাণ গেছে আরও পাঁচজনের। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, হামাসের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে তারা ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে’ আঘাত হেনেছে। তাদের দাবি, ইসরাইল নিয়ন্ত্রিত এলাকায় একটি সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে আসা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়। ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকেই ইসরাইল ও হামাস একে অপরের
বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিদিনই লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে। গাজার সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, রোববারের হামলায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। আল-শিফা হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, বিমান হামলার বাইরে আলাদা এক গোলাগুলিতে আরও একজন নিহত হয়েছেন। হামাস পরিচালিত গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬০০ জন নিহত হয়েছেন। এই হামলার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছিল। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গঠিত বোর্ড অব পিস ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে তাদের প্রথম বৈঠক করতে যাচ্ছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, গাজার পুনর্গঠনে বোর্ডের সদস্যরা
৫০০ কোটি ডলার সহায়তার অঙ্গীকার করেছে। তিনি হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন, যদিও সংগঠনটি আগে জানিয়েছে, একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তারা অস্ত্র সমর্পণ করবে না। গত ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে হামাসের নেতৃত্বে দক্ষিণ ইসরাইলে হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত ও ২৫১ জনকে জিম্মি করার মধ্য দিয়ে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। এর জবাবে ইসরাইল গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, সেই অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৮২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। সূত্র:বিবিসি
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত