প্রেমিকে ফাঁদে প্রেমের টানে অ-জানার উদ্দ্যেশে পাড়ি জমানো ফেন্সি(১৬) কে গত ২৬ দিনেও খুঁজে বের করতে পারেনি পুলিশ। ২৬দিন হতে নিখোঁজ ফেন্সি বেচে আছে না মরে গেছে এনিয়ে উৎবিঘ্ন একমাত্র কন্যার মা রোজিনা বেগম।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার,বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ফলগাছা গ্রামের রফিকুলের স্বামী পরিত্যাক্তা মেয়ে রোজিনা জীবিকার তাগিদে তার একমাত্র মেয়ে ফেন্সিকে নিয়ে গাজিপুর জেলার কাশিমপুর থানা এলাকার এ/পি,সারদাগঞ্জ পূর্বপাড়ায় নাঈমের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে।এ দিকে একই পল্লীর রহিম মাতবরের বাসার ভাড়াটিয়া আফসারের ছেলে রনি ফেন্সিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে ফেন্সিকে ফুঁসলিয়ে অজানার উদ্দ্যেশে পাড়ি জমায়।,
ফেন্সির মা রোজিনা ডিবিএল গার্মেন্টস হতে বাসায় ফিরে মেয়েকে ঘরে না পেয়ে খুঁজতে থাকে।এককপর্যা সে জানতে পারে যে পাশের বাসার ভাড়াটিয়ার ছেলে রণিই ফেন্সিকে ডেকে নিয়ে গেছে।আশ-পাশের এলাকা,আত্নীয় স্বজনেন বাড়িতে।খোজকরে মেয়েকে না পেয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর রোজিনা কাশিমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের বিষয় জানতে পেরে সু-চর্তুর প্রেমিক রনি ফেন্সিকে নিয়ে আফসারের গ্রামের বাড়ি রংপুরের পীরগাছা থানার অন্তরগত কৈকুড়ি বালাপাড়ায় চলে যায়।
এবং সেখানে গিয়ে খোরশেদ আলম,পিতা সফর উদ্দিনের সরনাপন্ন হলে খোরশেদ আলম ফেন্সির নানা রফিকুলের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি রফা-দফা করার জন্য প্রস্তাবদেয় ও ৫০হাজার টাকা দাবীকরে। খোরশেদ আলম রফিকুলের নিকট তার দাবিকৃত টাকা না পেয়ে ছেলে-মেয়েকে তার আওতায় নিয়ে বিভিন্ন প্রকার হয়রানী করে আসছে।
এ বিষয় গুলো নিয়ে গাজিপুর পুলিশ সুপার ও কাশিমপুর থানায় বিস্তারিত জানানো হয়,এবং যোগাযোগ করাহলে,কাশিমপুর থানার ওসি তার থানার এসআই বিশ্বজিতকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহনের দায়িত্ব দেন।বিশ্বজিত পীরগাছা থানা পুলিশের সহযোগিতায় ফেন্সিকে উদ্ধারের চেষ্টাকরেও সফল হতে পারেনি।
এদিকে মেয়েকে না পেয়ে রোজিনা ও তার পরিবার এখন পাগলপ্রায়।কৈঁকুড়ি বালাপাড়ার নাম প্রকাশে অ-নিচ্ছুক কয়েকজন ব্যাক্তি জানান যে,দেওয়ানি খোরশেদকে আইনের আওতায় নিলেই ঘটনার সমাধান মিলবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
ঘটনার বিবরণে জানা যায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার,বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ফলগাছা গ্রামের রফিকুলের স্বামী পরিত্যাক্তা মেয়ে রোজিনা জীবিকার তাগিদে তার একমাত্র মেয়ে ফেন্সিকে নিয়ে গাজিপুর জেলার কাশিমপুর থানা এলাকার এ/পি,সারদাগঞ্জ পূর্বপাড়ায় নাঈমের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে।এ দিকে একই পল্লীর রহিম মাতবরের বাসার ভাড়াটিয়া আফসারের ছেলে রনি ফেন্সিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে ফেন্সিকে ফুঁসলিয়ে অজানার উদ্দ্যেশে পাড়ি জমায়।,
ফেন্সির মা রোজিনা ডিবিএল গার্মেন্টস হতে বাসায় ফিরে মেয়েকে ঘরে না পেয়ে খুঁজতে থাকে।এককপর্যা সে জানতে পারে যে পাশের বাসার ভাড়াটিয়ার ছেলে রণিই ফেন্সিকে ডেকে নিয়ে গেছে।আশ-পাশের এলাকা,আত্নীয় স্বজনেন বাড়িতে।খোজকরে মেয়েকে না পেয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর রোজিনা কাশিমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের বিষয় জানতে পেরে সু-চর্তুর প্রেমিক রনি ফেন্সিকে নিয়ে আফসারের গ্রামের বাড়ি রংপুরের পীরগাছা থানার অন্তরগত কৈকুড়ি বালাপাড়ায় চলে যায়।
এবং সেখানে গিয়ে খোরশেদ আলম,পিতা সফর উদ্দিনের সরনাপন্ন হলে খোরশেদ আলম ফেন্সির নানা রফিকুলের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি রফা-দফা করার জন্য প্রস্তাবদেয় ও ৫০হাজার টাকা দাবীকরে। খোরশেদ আলম রফিকুলের নিকট তার দাবিকৃত টাকা না পেয়ে ছেলে-মেয়েকে তার আওতায় নিয়ে বিভিন্ন প্রকার হয়রানী করে আসছে।
এ বিষয় গুলো নিয়ে গাজিপুর পুলিশ সুপার ও কাশিমপুর থানায় বিস্তারিত জানানো হয়,এবং যোগাযোগ করাহলে,কাশিমপুর থানার ওসি তার থানার এসআই বিশ্বজিতকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহনের দায়িত্ব দেন।বিশ্বজিত পীরগাছা থানা পুলিশের সহযোগিতায় ফেন্সিকে উদ্ধারের চেষ্টাকরেও সফল হতে পারেনি।
এদিকে মেয়েকে না পেয়ে রোজিনা ও তার পরিবার এখন পাগলপ্রায়।কৈঁকুড়ি বালাপাড়ার নাম প্রকাশে অ-নিচ্ছুক কয়েকজন ব্যাক্তি জানান যে,দেওয়ানি খোরশেদকে আইনের আওতায় নিলেই ঘটনার সমাধান মিলবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব