বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) বিভিন্ন বিভাগের ল্যাবের বর্তমান অবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত ল্যাবগুলোতে পর্যাপ্ত জায়গা, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব শিক্ষার মানকে প্রভাবিত করছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর একাধিক ল্যাবে পুরাতন ও অচল মেশিন ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, যা আধুনিক শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ল্যাবগুলোতে এখনো পুরোনো মডেলের যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হচ্ছে। এই বিভাগটির ল্যাবে যে মৌলিক যন্ত্রাংশ থাকা প্রয়োজন—যেমন বয়লার, সেন্ট্রিফিউগাল পাম্প, রেসিপ্রোকেটিং পাম্প—তার অনেক কিছুই অনুপস্থিত। ফলে শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুমে প্রজেক্টরের মাধ্যমে নেয়া হচ্ছে ব্যবহারিক ল্যাব। ল্যাবের ইউনিভার্সাল টেস্টিং মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এছাড়াও ল্যাবের জায়গা তুলনামূলকভাবে ছোট হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাস পরিচালনায় ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের সংকটের কারণে একাধিক শিক্ষার্থীকে একই উপকরণ ভাগাভাগি করে কাজ করতে হচ্ছে, ফলে প্রত্যাশিত দক্ষতা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
আইপিই বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাহিদ হোসেন রিয়াদ বলে, আইপিই বিভাগের ল্যাবগুলোতে এখনো পুরোনো মডেলের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। যার অনেকগুলোই বর্তমানে অকার্যকর এবং শিল্পক্ষেত্রে আর ব্যবহৃত হয় না। এ ধরনের যন্ত্র দিয়ে আধুনিক ইন্ডাস্ট্রির বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না। শিল্পখাতে বর্তমানে যে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো ল্যাবে সংযোজন করা গেলে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে এবং তাদের শিক্ষার মানও উন্নত হবে।
ল্যাব সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে আইপিই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আলী বলেন, আমাদের ল্যাবে ব্যবহারিক উপকরণের কিছু ঘাটতি রয়েছে। এছাড়াও কিছু বেশ কয়েকটা মেশিন মেরামতের দরকার। মূলত বাজেট সংকটের কারণেই এই সমস্যাগুলো সমাধান করা যাচ্ছে না।
ফাটলধরা কক্ষ, অচল যন্ত্র, ধুলোমাখা মেশিন- বুটেক্সের অধিকাংশ ল্যাবের বাস্তব চিত্র
ফাটলধরা কক্ষ, অচল যন্ত্র, ধুলোমাখা মেশিন- বুটেক্সের অধিকাংশ ল্যাবের বাস্তব চিত্র
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) বিভিন্ন বিভাগের ল্যাবের বর্তমান অবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত ল্যাবগুলোতে পর্যাপ্ত জায়গা, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব শিক্ষার মানকে প্রভাবিত করছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর একাধিক ল্যাবে পুরাতন ও অচল মেশিন ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, যা আধুনিক শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ল্যাবগুলোতে এখনো পুরোনো মডেলের যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হচ্ছে। এই বিভাগটির ল্যাবে যে মৌলিক যন্ত্রাংশ থাকা প্রয়োজন—যেমন বয়লার, সেন্ট্রিফিউগাল পাম্প, রেসিপ্রোকেটিং পাম্প—তার অনেক কিছুই অনুপস্থিত। ফলে শিক্ষার্থীদের
ক্লাস রুমে প্রজেক্টরের মাধ্যমে নেয়া হচ্ছে ব্যবহারিক ল্যাব। ল্যাবের ইউনিভার্সাল টেস্টিং মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এছাড়াও ল্যাবের জায়গা তুলনামূলকভাবে ছোট হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাস পরিচালনায় ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের সংকটের কারণে একাধিক শিক্ষার্থীকে একই উপকরণ ভাগাভাগি করে কাজ করতে হচ্ছে, ফলে প্রত্যাশিত দক্ষতা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আইপিই বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাহিদ হোসেন রিয়াদ বলে, আইপিই বিভাগের ল্যাবগুলোতে এখনো পুরোনো মডেলের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। যার অনেকগুলোই বর্তমানে অকার্যকর এবং শিল্পক্ষেত্রে আর ব্যবহৃত হয় না। এ ধরনের
যন্ত্র দিয়ে আধুনিক ইন্ডাস্ট্রির বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না। শিল্পখাতে বর্তমানে যে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো ল্যাবে সংযোজন করা গেলে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে এবং তাদের শিক্ষার মানও উন্নত হবে। ল্যাব সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে আইপিই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আলী বলেন, আমাদের ল্যাবে ব্যবহারিক উপকরণের কিছু ঘাটতি রয়েছে। এছাড়াও কিছু বেশ কয়েকটা মেশিন মেরামতের দরকার। মূলত বাজেট সংকটের কারণেই এই সমস্যাগুলো সমাধান করা যাচ্ছে না।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত