হেলাল শেখঃ রাজধানী ঢাকা, সাভার-আশুলিয়া এবং গাজীপুর-এর কাশিমপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জুয়া ও মাদকের কারবার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল বলছেন, ধর্মীয় অনুশাসনের মাসকে ঘিরে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
সরেজমিনে জানা যায়, বিভিন্ন স্থানে গোপনে জুয়ার আসর বসানো হচ্ছে এবং ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি চলছে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে। অভিযোগ রয়েছে, এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতরা মাদকের টাকা জোগাড় করতে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধেও জড়িয়ে পড়ছে। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে।
স্থানীয়রা জানান, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি ও সংযমের শিক্ষা দেয়। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি এ সময়টাকেই বেছে নিচ্ছে অবৈধ ব্যবসা বাড়ানোর জন্য। এতে যুবসমাজ বিপথে যাচ্ছে এবং পরিবার-সমাজে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।
সচেতন নাগরিকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ও সামাজিক সচেতনতা একসাথে বাড়ানো গেলে জুয়া ও মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে, মাদক ও জুয়া খেলার সাথে জড়িতদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।
ঈদকে ঘিরে সারাদেশে জুয়া ও মাদকের কারবার জমজমাট: সংঘটিত হচ্ছে চুরি-ছিনতাই
ঈদকে ঘিরে সারাদেশে জুয়া ও মাদকের কারবার জমজমাট: সংঘটিত হচ্ছে চুরি-ছিনতাই
হেলাল শেখঃ রাজধানী ঢাকা, সাভার-আশুলিয়া এবং গাজীপুর-এর কাশিমপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জুয়া ও মাদকের কারবার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল বলছেন, ধর্মীয় অনুশাসনের মাসকে ঘিরে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সরেজমিনে জানা যায়, বিভিন্ন স্থানে গোপনে জুয়ার আসর বসানো হচ্ছে এবং ইয়াবা, গাঁজা,
ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি চলছে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে। অভিযোগ রয়েছে, এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতরা মাদকের টাকা জোগাড় করতে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধেও জড়িয়ে পড়ছে। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। স্থানীয়রা জানান, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি ও সংযমের শিক্ষা দেয়। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি এ সময়টাকেই বেছে নিচ্ছে অবৈধ ব্যবসা বাড়ানোর জন্য। এতে যুবসমাজ বিপথে যাচ্ছে এবং পরিবার-সমাজে অস্থিরতা
তৈরি হচ্ছে। সচেতন নাগরিকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ও সামাজিক সচেতনতা একসাথে বাড়ানো গেলে জুয়া ও মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে, মাদক ও জুয়া খেলার সাথে জড়িতদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত