ঈদ উল আজহার ১০ দিন সরকারি ছুটি কাটিয়ে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। গত শনিবার ১৪ জুন ছিল সরকারি ছুটির শেষ দিন।১৫ জুন রবিবার থেকে ঢাকা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে আবারো ফিরছে চিরচেনা কর্মচান্চলে।
দেখা গেছে, সৈয়দপুর শহরের শহীদ ডাক্তার জিকরুল হক সড়ক, বঙ্গবন্ধু সড়ক সহ বাস টার্মিনালে দাড়িয়ে থাকছে একের পর এক বাস।প্রতিটি বাসেই থাকছে যাত্রীদের উপচেপড়া ভীড়।১৫ জুন চাকরিতে ফিরতে না পারলেও যাতে করে ১৬ জুন কর্মস্থলে যোগ দিতে পারে সেজন্য যাত্রীরা ব্যাগ ব্যাগেজ হাতে নিয়ে উঠছেন বাসে।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার কয়েকজন যাত্রী জানান,এবারে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে ঈদ করতে আসা যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক। ঢাকা থেকে সৈয়দপুরের ভাড়া ছিল স্বাদ্ধের মধ্যে। কিন্তু সৈয়দপুর থেকে ঢাকা ফিরতে তুলনামূলক ভাড়া অনেক বেশি।
১৪ জুন রাত ১০ টায় নীলসাগর ট্রেনের যাত্রী রাজু আহমেদ বলেন, পরিবারের সাথে দীর্ঘ ১০ দিন ঈদের সময় কাটানো ছিল যথেষ্ট আনন্দদায়ক। তবে ১৫ জুন সকালে কাজে যোগদান করতেই হবে। ট্রেনের যাত্রা কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাসের চেয়ে ট্রেনর যাত্রা আরামদায়ক। ভাড়াও তুলনামূলক কম এবং সারাক্ষণ পুলিশ থাকে ট্রেনে। একারনে চুরি ছিনতাইয়ের ভয় থাকে না। জানমালের কোন ভয়ই থাকে না।
সৈয়দপুর বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন,ঈদের পর ঢাকা মুখি যাত্রীদের চাপ থাকে অনেক বেশি। সে তুলনায় ভাড়া বেশি নেয়া হচ্ছে না বলে জানান তিনি।
সৈয়দপুর রেলওয়ে ষ্টেশন মাষ্টার ওবায়দুর রহমান রতন বলেন,গত ২ দিন থেকে নীলসাগর ট্রেনে প্রচন্ড ভীর চলছে। কারন ১৫ জুন থেকে শুরু হয়েছে সরকারি বেসরকারি অফিস আদালত সহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। গত ২ দিনের চেয়ে ১৫ জুন যাত্রীদের প্রচন্ড চাপ থাকতে পারে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রতি বছরই ঈদের সময় নীলসাগর ট্রেনের সাথে অতিরিক্ত ২/৩ টি স্পেশাল বগি দেয়া হতো কিন্তু এবারে অতিরিক্ত কোন বগিই দেয়া হয়নি।একারনে যাত্রীর চাপ তুলনামূলক অনেক বেশি। তবে যাত্রীর নিরাপত্তায় স্টেশন এলাকা সহ ট্রেনের প্রতিটি বগিতেই রেলওয়ের পুলিশ দ্বারা সেবার ব্যবস্হা রয়েছে বলে জানান তিনি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
দেখা গেছে, সৈয়দপুর শহরের শহীদ ডাক্তার জিকরুল হক সড়ক, বঙ্গবন্ধু সড়ক সহ বাস টার্মিনালে দাড়িয়ে থাকছে একের পর এক বাস।প্রতিটি বাসেই থাকছে যাত্রীদের উপচেপড়া ভীড়।১৫ জুন চাকরিতে ফিরতে না পারলেও যাতে করে ১৬ জুন কর্মস্থলে যোগ দিতে পারে সেজন্য যাত্রীরা ব্যাগ ব্যাগেজ হাতে নিয়ে উঠছেন বাসে।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার কয়েকজন যাত্রী জানান,এবারে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে ঈদ করতে আসা যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক। ঢাকা থেকে সৈয়দপুরের ভাড়া ছিল স্বাদ্ধের মধ্যে। কিন্তু সৈয়দপুর থেকে ঢাকা ফিরতে তুলনামূলক ভাড়া অনেক বেশি।
১৪ জুন রাত ১০ টায় নীলসাগর ট্রেনের যাত্রী রাজু আহমেদ বলেন, পরিবারের সাথে দীর্ঘ ১০ দিন ঈদের সময় কাটানো ছিল যথেষ্ট আনন্দদায়ক। তবে ১৫ জুন সকালে কাজে যোগদান করতেই হবে। ট্রেনের যাত্রা কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাসের চেয়ে ট্রেনর যাত্রা আরামদায়ক। ভাড়াও তুলনামূলক কম এবং সারাক্ষণ পুলিশ থাকে ট্রেনে। একারনে চুরি ছিনতাইয়ের ভয় থাকে না। জানমালের কোন ভয়ই থাকে না।
সৈয়দপুর বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন,ঈদের পর ঢাকা মুখি যাত্রীদের চাপ থাকে অনেক বেশি। সে তুলনায় ভাড়া বেশি নেয়া হচ্ছে না বলে জানান তিনি।
সৈয়দপুর রেলওয়ে ষ্টেশন মাষ্টার ওবায়দুর রহমান রতন বলেন,গত ২ দিন থেকে নীলসাগর ট্রেনে প্রচন্ড ভীর চলছে। কারন ১৫ জুন থেকে শুরু হয়েছে সরকারি বেসরকারি অফিস আদালত সহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। গত ২ দিনের চেয়ে ১৫ জুন যাত্রীদের প্রচন্ড চাপ থাকতে পারে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রতি বছরই ঈদের সময় নীলসাগর ট্রেনের সাথে অতিরিক্ত ২/৩ টি স্পেশাল বগি দেয়া হতো কিন্তু এবারে অতিরিক্ত কোন বগিই দেয়া হয়নি।একারনে যাত্রীর চাপ তুলনামূলক অনেক বেশি। তবে যাত্রীর নিরাপত্তায় স্টেশন এলাকা সহ ট্রেনের প্রতিটি বগিতেই রেলওয়ের পুলিশ দ্বারা সেবার ব্যবস্হা রয়েছে বলে জানান তিনি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব