রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ ঈদের ছুটি কাটিয়ে। ঈদের চুর্তথ দিন রোববার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন টার্মিনালে যাত্রীদের ফিরতে দেখা গেছে। টানা সাত দিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলবে অফিস-আদালত। তবে বেসরকারি কিছু অফিস খুলবে আজ। এজন্য অনেকেই ঢাকায় ফিরছেন।
রোববার (৩১ মে) সকাল থেকে রাজধানীর প্রবেশপথগুলো এবং গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালে মানুষের ভিড় দেখা গেছে।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে আসা যাত্রীরা বলছে, নদীপথে যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক। লঞ্চগুলোতে যাত্রী ছিল, তবে অতিরিক্ত চাপ বা ভিড়ের কারণে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। নির্ধারিত সময়েই বেশিরভাগ লঞ্চ ঢাকায় পৌঁছেছে।
সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুরসহ আশপাশের জেলা থেকে আসা বাসগুলোতে যাত্রীদের চাপ স্বাভাবিক দেখা যায়। কাউন্টারগুলোতেও দীর্ঘ সারি ছিল না। যাত্রীরা সহজেই বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে পেরেছেন। যাত্রীচাপ কম থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটি থাকায় মানুষ একদিনে না ফিরে ধাপে ধাপে রাজধানীতে ফিরছেন। ফলে ফিরতি যাত্রার চাপও ছড়িয়ে গেছে কয়েক দিনে।
অন্যদিকে, ঈদের সময় কর্মব্যস্ততা বা অন্যান্য কারণে যারা বাড়ি যেতে পারেননি, তারা এখন পরিবার নিয়ে গ্রামের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন। ফলে রাজধানীর বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটগুলোতে একদিকে যেমন ঢাকায় ফেরা যাত্রীদের দেখা যাচ্ছে।
কমলাপুর রেলস্টেশন ও বাস টার্মিনালগুলোতে দুই দিকের যাত্রীর এই চলাচলের কারণে কিছুটা ব্যস্ততা তৈরি হলেও কোথাও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যায়নি। পরিবহন কর্তৃপক্ষ বলছে, যাত্রীদের চাপ দুই দিকে ভাগ হয়ে যাওয়ায় পরিবহন ব্যবস্থাপনা সহজ হয়েছে এবং ভোগান্তিও কমেছে।
যাত্রীরা জানান, ফাঁকা সড়ক, স্বাভাবিক যান চলাচল এবং পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধার কারণে এবারের ঢাকা ফেরা অনেক বেশি আরামদায়ক হয়েছে।
উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি উপভোগ করছেন।
ঈদের ছুটি কাটিয়ে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ
ঈদের ছুটি কাটিয়ে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ ঈদের ছুটি কাটিয়ে। ঈদের চুর্তথ দিন রোববার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন টার্মিনালে যাত্রীদের ফিরতে দেখা গেছে। টানা সাত দিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলবে অফিস-আদালত। তবে বেসরকারি কিছু অফিস খুলবে আজ। এজন্য অনেকেই ঢাকায় ফিরছেন। রোববার (৩১ মে) সকাল থেকে রাজধানীর প্রবেশপথগুলো এবং গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালে মানুষের ভিড় দেখা গেছে। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে আসা যাত্রীরা বলছে, নদীপথে যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক। লঞ্চগুলোতে যাত্রী ছিল, তবে অতিরিক্ত চাপ বা ভিড়ের কারণে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। নির্ধারিত সময়েই বেশিরভাগ লঞ্চ ঢাকায় পৌঁছেছে। সকালে রাজধানীর
বিভিন্ন বাস টার্মিনালে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুরসহ আশপাশের জেলা থেকে আসা বাসগুলোতে যাত্রীদের চাপ স্বাভাবিক দেখা যায়। কাউন্টারগুলোতেও দীর্ঘ সারি ছিল না। যাত্রীরা সহজেই বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে পেরেছেন। যাত্রীচাপ কম থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটি থাকায় মানুষ একদিনে না ফিরে ধাপে ধাপে রাজধানীতে ফিরছেন। ফলে ফিরতি যাত্রার চাপও ছড়িয়ে গেছে কয়েক দিনে। অন্যদিকে, ঈদের সময় কর্মব্যস্ততা বা অন্যান্য কারণে যারা বাড়ি যেতে পারেননি, তারা এখন পরিবার নিয়ে গ্রামের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন। ফলে রাজধানীর বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও
লঞ্চঘাটগুলোতে একদিকে যেমন ঢাকায় ফেরা যাত্রীদের দেখা যাচ্ছে। কমলাপুর রেলস্টেশন ও বাস টার্মিনালগুলোতে দুই দিকের যাত্রীর এই চলাচলের কারণে কিছুটা ব্যস্ততা তৈরি হলেও কোথাও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যায়নি। পরিবহন কর্তৃপক্ষ বলছে, যাত্রীদের চাপ দুই দিকে ভাগ হয়ে যাওয়ায় পরিবহন ব্যবস্থাপনা সহজ হয়েছে এবং ভোগান্তিও কমেছে। যাত্রীরা জানান, ফাঁকা সড়ক, স্বাভাবিক যান চলাচল এবং পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধার কারণে এবারের ঢাকা ফেরা অনেক বেশি আরামদায়ক হয়েছে। উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি উপভোগ করছেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত