চোখের আলো না থাকলেও অদম্য ইচ্ছা শক্তিতে জীবন যুদ্ধে হার মানেননি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গৃহবধূ পারিছা বেগম। নিজে প্রতিবন্ধী হলেও হাল ছাড়েননি সংসারের। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্বামী, ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী দুই সন্তানকে নিয়ে চলছে তার জীবন সংগ্রাম। তবে আজও তার কপালে সরকারি কোনো সহযোগিতা জোটেনি। অনেকেই সরকারি সহযোগিতা দেয়ার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। তবে প্রশাসন বলছে ওই পরিবারটিকে সহযোগিতা করা হবে।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের শাহিনের স্ত্রী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পারিছা বেগম।১৩ বছর আগে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্বামী শাহিনের সাথে বিয়ে হয়। সে থেকেই শাহীন, আর দৃষ্টি প্রতিবন্ধী দুই সন্তানকে নিয়ে তার সংসার। চোখের আলো না থাকলেও মনের আলোয় পথ চলেন পারিছা। স্বামী শাহিনকে দিনমজুরের কাজে পাঠিয়ে আবার সঙ্গে করে নিয়ে আসেন তিনি। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় শাহিনের মজুরি দেয়া হয় অর্ধেক। এই সামান্য টাকা দিয়ে সংসার চালানো অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হওয়ায় হাঁস-মুরগি পালন শুরু করেন তিনি। অল্প দিনেই কিছুটা স্বস্তি আসে সংসারে।
বিয়ের বছর খানেক পর অনেক আশা নিয়ে সন্তান নেন। কিন্তু পরপর দুটি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্ম হয়। শুরু হয় তাদের অভিশপ্ত জীবন সংগ্রাম। তবুও হাল ছাড়েননি পারিছা। ভিক্ষাবৃত্তি না করে পরিশ্রম করে খেয়ে না খেয়ে সংগ্রাম করছেন। তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁইও ছিল না। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রবাসী কয়েকজন যুবক কোনো রকমে তাদের থাকার ঘরটি ঠিক করে দিয়েছেন। এখন ওই কুঁড়েঘরে ছেঁড়া কাঁথায় শুয়েই রঙিন স্বপ্ন দেখেন পারিছা। তার প্রতিবন্ধী সন্তানওেদরকে লেখা পড়া শিখিয়ে মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে চান।
গৃহবধূ পারিছা বলেন, অনেকেই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বলে শাহিনকে ঘৃণা করলেও স্বামী হিসেবে তার যত্নের কমতি করি না। আমাকে সব কাজই করতে হয়। চোখের আলো না থাকলেও মনের আলোয় সব কাজ করতে পারি। স্বামীর ভালোবাসা আর সহযোগিতাই সংসারের বড় সম্পদ।
গাংনী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরশাদ আলী জানান, পরিবারটির খবর নিয়ে সহযোগিতাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পারিছার জিবন সংগ্রাম
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পারিছার জিবন সংগ্রাম
চোখের আলো না থাকলেও অদম্য ইচ্ছা শক্তিতে জীবন যুদ্ধে হার মানেননি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গৃহবধূ পারিছা বেগম। নিজে প্রতিবন্ধী হলেও হাল ছাড়েননি সংসারের। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্বামী, ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী দুই সন্তানকে নিয়ে চলছে তার জীবন সংগ্রাম। তবে আজও তার কপালে সরকারি কোনো সহযোগিতা জোটেনি। অনেকেই সরকারি সহযোগিতা দেয়ার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। তবে প্রশাসন বলছে ওই পরিবারটিকে সহযোগিতা করা হবে। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের শাহিনের স্ত্রী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পারিছা বেগম।১৩ বছর আগে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্বামী শাহিনের সাথে বিয়ে হয়। সে থেকেই শাহীন, আর দৃষ্টি প্রতিবন্ধী দুই সন্তানকে নিয়ে তার সংসার। চোখের
আলো না থাকলেও মনের আলোয় পথ চলেন পারিছা। স্বামী শাহিনকে দিনমজুরের কাজে পাঠিয়ে আবার সঙ্গে করে নিয়ে আসেন তিনি। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় শাহিনের মজুরি দেয়া হয় অর্ধেক। এই সামান্য টাকা দিয়ে সংসার চালানো অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হওয়ায় হাঁস-মুরগি পালন শুরু করেন তিনি। অল্প দিনেই কিছুটা স্বস্তি আসে সংসারে। বিয়ের বছর খানেক পর অনেক আশা নিয়ে সন্তান নেন। কিন্তু পরপর দুটি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্ম হয়। শুরু হয় তাদের অভিশপ্ত জীবন সংগ্রাম। তবুও হাল ছাড়েননি পারিছা। ভিক্ষাবৃত্তি না করে পরিশ্রম করে খেয়ে না খেয়ে সংগ্রাম করছেন। তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁইও ছিল না। স্থানীয় বাসিন্দা
ও প্রবাসী কয়েকজন যুবক কোনো রকমে তাদের থাকার ঘরটি ঠিক করে দিয়েছেন। এখন ওই কুঁড়েঘরে ছেঁড়া কাঁথায় শুয়েই রঙিন স্বপ্ন দেখেন পারিছা। তার প্রতিবন্ধী সন্তানওেদরকে লেখা পড়া শিখিয়ে মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে চান। গৃহবধূ পারিছা বলেন, অনেকেই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বলে শাহিনকে ঘৃণা করলেও স্বামী হিসেবে তার যত্নের কমতি করি না। আমাকে সব কাজই করতে হয়। চোখের আলো না থাকলেও মনের আলোয় সব কাজ করতে পারি। স্বামীর ভালোবাসা আর সহযোগিতাই সংসারের বড় সম্পদ। গাংনী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরশাদ আলী জানান, পরিবারটির খবর নিয়ে সহযোগিতাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। -খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত