নিয়োগ বানিজ্যের নামে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার গুমরা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হা,আ,ব রাজ্জাক।
আজ শনিবার বিকেলে হাকিমপুর প্রেসক্লাবে তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেন।লিখিত বক্তব্যে রাজ্জাক বলেন, গত ২০ ডিসেম্বর গুমরা দাখিল মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্র্রেণীর চারজন কর্মচারী নিয়োগ বোর্ড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবেপ্র চলিত নিয়ম, বোডের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়।
উক্ত নিয়োগ বোর্ড মাদ্রাসার সুপার কর্তৃক আহ্ধসঢ়;বান করা হয়। আইন ও বিধি অনুযায়ী এই বোর্ড আহ্ধসঢ়;বানের এখতিয়ার সভাপতির নয়। নিয়োগ পরীক্ষার পর প্রস্ততকৃত রেজাল্ট সিটে সুপারসহ বোর্ডের সকল সদস্য স্বাক্ষর প্রদান করেন। পরবর্তীতে
নিয়োগ সংক্রান্ত রেজুলেশনে সুপার স্বাক্ষর করেন। নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদান করানোর জন্য অনুষ্ঠিত মিটিংয়ের কার্যবিবরণী এবং সর্বশেষে নিয়োগপত্র প্রদান কালেও উক্ত সুপার স্বাক্ষর করেন।
অথচ অত্যন্ত দুঃখ ও বিস্ময়ের সাথে আমরা লক্ষ্য করছি এই সকল নথিতে স্বাক্ষর প্রদান করার পরও সংশ্লিষ্ট সুপার আমার বিরুদ্ধে ্য়ঁড়ঃ;নিয়োগ বাণিজ্য্য়ঁড়ঃ; সংক্রান্ত যে অভিযোগ তুলেছেন, তা যুক্তিহীন, ভিত্তিহীন এবং স্ব-বিরোধী।
আমাদের প্রশ্ন অত্যন্ত সহজ ও যৌক্তিক যদি সত্যিই কোনো ধরনের নিয়োগ বাণিজ্য বা অনিয়ম হয়ে থাকে, তাহলে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে তিনি কেন ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি ধাপে স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর প্রদান করলেন? আইন, যুক্তি ও সাধারণ বিবেচনায় এই অভিযোগ গ্রহণযোগ্য
নয়।
দিনাজপুরের হাকিমপুরে নিয়োগ বানিজ্যের নামে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটির সংবাদ সম্মেলন
দিনাজপুরের হাকিমপুরে নিয়োগ বানিজ্যের নামে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটির সংবাদ সম্মেলন
নিয়োগ বানিজ্যের নামে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার গুমরা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হা,আ,ব রাজ্জাক। আজ শনিবার বিকেলে হাকিমপুর প্রেসক্লাবে তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেন।লিখিত বক্তব্যে রাজ্জাক বলেন, গত ২০ ডিসেম্বর গুমরা দাখিল মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্র্রেণীর চারজন কর্মচারী নিয়োগ বোর্ড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবেপ্র চলিত নিয়ম, বোডের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের
উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়। উক্ত নিয়োগ বোর্ড মাদ্রাসার সুপার কর্তৃক আহ্ধসঢ়;বান করা হয়। আইন ও বিধি অনুযায়ী এই বোর্ড আহ্ধসঢ়;বানের এখতিয়ার সভাপতির নয়। নিয়োগ পরীক্ষার পর প্রস্ততকৃত রেজাল্ট সিটে সুপারসহ বোর্ডের সকল সদস্য স্বাক্ষর প্রদান করেন। পরবর্তীতেনিয়োগ সংক্রান্ত রেজুলেশনে সুপার স্বাক্ষর করেন। নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদান করানোর জন্য অনুষ্ঠিত মিটিংয়ের কার্যবিবরণী এবং সর্বশেষে নিয়োগপত্র প্রদান কালেও উক্ত সুপার স্বাক্ষর করেন। অথচ অত্যন্ত দুঃখ ও বিস্ময়ের সাথে
আমরা লক্ষ্য করছি এই সকল নথিতে স্বাক্ষর প্রদান করার পরও সংশ্লিষ্ট সুপার আমার বিরুদ্ধে ্য়ঁড়ঃ;নিয়োগ বাণিজ্য্য়ঁড়ঃ; সংক্রান্ত যে অভিযোগ তুলেছেন, তা যুক্তিহীন, ভিত্তিহীন এবং স্ব-বিরোধী। আমাদের প্রশ্ন অত্যন্ত সহজ ও যৌক্তিক যদি সত্যিই কোনো ধরনের নিয়োগ বাণিজ্য বা অনিয়ম হয়ে থাকে, তাহলে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে তিনি কেন ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি ধাপে স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর প্রদান করলেন? আইন, যুক্তি ও সাধারণ বিবেচনায় এই অভিযোগ গ্রহণযোগ্যনয়।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত