সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানবন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে। সোমবার ধর্মপাশা থানা প্রাঙ্গণ হতে একটি বিক্ষোভ মিছিল আদালত প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে ধর্মপাশা উপজেলাে পরিষদ প্রাঙ্গণে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়।
আয়োজনে ধর্মপাশা ও মোহনগঞ্জ উপজেলার বাসী।
আয়োজনে ধর্মপাশা ও মোহনগঞ্জ উপজেলার বাসী।
মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন- নিহতের মা সাজেদা আক্তার, গৃহীনী ডালিয়া বোন তানিয়া, মোহনগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেব সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মানিক তালুকদার, পৌর বিএনপির শ্রমবিষয়কর সম্পাদক মো: দিকচান, পৌর বিএনপির সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মোহনগঞ্জ সরকারী কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক তাসলিমা আক্তার প্রমূখ। বক্তারা বলেন, গত ৬ অক্টোবর শরিফা আক্তার (২৮) নামে নারীর আদালত প্রাঙ্গণে ছুরি দিয়ে আঘাত করে তার স্বামীর। আক্তার হোসেনের ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত হয়।
তাঁর তিন বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে, নাম আরবি। শরিফা আক্তারের স্বামী মো. আখতার হোসেন (৪০), পিতা হেকিম মির্জা, ধর্মপাশা উপজেলা। শরিফা আক্তার আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তাঁর স্বামী আক্তার হোসেন পিছন থেকে এসে শরিফার পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত করা পর শরিফা নিহত হয়।
এব্যাপারে ধর্মপাশা থানায় ১১ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। এতে ঘাতক স্বামী আক্তার হোসেন মির্জাকে ঘটনাস্থল থেকে জনতা আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ১০ জন আসামীর মাঝে ৩ জন নারী ও ৭ জন পুরুষ রয়েছে। অচিরেই আসামীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ জানান।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
তাঁর তিন বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে, নাম আরবি। শরিফা আক্তারের স্বামী মো. আখতার হোসেন (৪০), পিতা হেকিম মির্জা, ধর্মপাশা উপজেলা। শরিফা আক্তার আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তাঁর স্বামী আক্তার হোসেন পিছন থেকে এসে শরিফার পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত করা পর শরিফা নিহত হয়।
এব্যাপারে ধর্মপাশা থানায় ১১ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। এতে ঘাতক স্বামী আক্তার হোসেন মির্জাকে ঘটনাস্থল থেকে জনতা আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ১০ জন আসামীর মাঝে ৩ জন নারী ও ৭ জন পুরুষ রয়েছে। অচিরেই আসামীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ জানান।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব