সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষকের পরিবর্তে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে এবং সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে জামালপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখা।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের পিটিআই মোড়ে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার সভাপতি মুফতী শামসুদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলাউদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার সহ-সভাপতি মুফতী আব্দুল্লাহ, সাবেক সভাপতি মাওলানা আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা হাসান আলী, মুফতী আবু ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ আলী খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আকবর, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী ফরিদ উদ্দিন, মেলান্দহ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতী সোলায়মান, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতী আকরামুজ্জামান প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মুসলমান ও জনগণ প্রত্যেকে যাতে নিরাপদে থাকে প্রত্যেকে যাতে শান্তিতে থাকে সকলের ভবিষ্যৎ যাতে ভালো হয় এই জিনিস গুলোয় উলামা একরামগণ সব সময় দৃষ্টি দিয়ে থাকেন। আমরা যারা সংগ্রাম করি এবং সরকারের কাছে দাবি করি এইটা শুধু আমাদের উলামা একরামদের একার দাবি না। এটা প্রত্যেকের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলার জন্য যত ধর্মাবলম্বী আছে সকালে দাবি। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যাতে নিরাপদে থাকে তার জন্য আমাদের এত বড় উদ্যােগ।
তারা আরও বলেন, যদি আপনাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন তা হলে ৫ ই আগস্টের মতো আবার একটা গণঅভ্যুত্থান বাংলার জমিনে হবে। উলামা একরামসহ সারা বাংলাদেশের সকল মুসলমানের দাবি প্রত্যেকটি স্কুলে ইসলাম শিক্ষক ও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক। ধর্মীয় শিক্ষক প্রাইমারি থেকে শুরু করে ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত যদি নিয়োগ না দেওয়া হয় তা হলে আপনাদের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম হবে, সেই সংগ্রামে যে বেগ শুরু হবে আপনি হাওয়ার উদ্দেশ্যে উড়তে বাধ্য হন।
বক্তারা বলেন, আপনাকে বসানো হয়েছে এদেশের সংস্কার করার জন্য। এমনতো নয় আপনি গান দিয়ে সংস্কার করবেন। এটা এদেশের ৯২ শতাংশ মুসলমান কিছুতেই মানতে পারে না। সরকার সাবধান হয়ে যান। আমাদের মনের কথা বুঝার চেষ্টা করেন। না বুঝলে সামনে বিপদে পরবেন। সুতরাং আজকে সমাবেশের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে এই অনুরোধ। কেবল মাত্র সংগ্রাম শুরু হয়েছে। ইত্তেফাকুল উলামা, হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিসসহ যারা আছে সবগুলো সংগঠন একত্রিত হয়ে সংগীত শিক্ষক বাতিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।
সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয় মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তমালতলা মোড় গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগমের নিকট স্মারক দেন নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে জামালপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে জামালপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষকের পরিবর্তে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে এবং সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে জামালপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখা।সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের পিটিআই মোড়ে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার সভাপতি মুফতী শামসুদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলাউদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার সহ-সভাপতি মুফতী আব্দুল্লাহ, সাবেক সভাপতি মাওলানা আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা হাসান আলী, মুফতী আবু ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ আলী খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আকবর, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী ফরিদ উদ্দিন, মেলান্দহ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতী সোলায়মান, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতী আকরামুজ্জামান প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মুসলমান ও জনগণ প্রত্যেকে যাতে নিরাপদে থাকে প্রত্যেকে
যাতে শান্তিতে থাকে সকলের ভবিষ্যৎ যাতে ভালো হয় এই জিনিস গুলোয় উলামা একরামগণ সব সময় দৃষ্টি দিয়ে থাকেন। আমরা যারা সংগ্রাম করি এবং সরকারের কাছে দাবি করি এইটা শুধু আমাদের উলামা একরামদের একার দাবি না। এটা প্রত্যেকের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলার জন্য যত ধর্মাবলম্বী আছে সকালে দাবি। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যাতে নিরাপদে থাকে তার জন্য আমাদের এত বড় উদ্যােগ।তারা আরও বলেন, যদি আপনাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন তা হলে ৫ ই আগস্টের মতো আবার একটা গণঅভ্যুত্থান বাংলার জমিনে হবে। উলামা একরামসহ সারা বাংলাদেশের সকল মুসলমানের দাবি প্রত্যেকটি স্কুলে ইসলাম শিক্ষক ও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক। ধর্মীয় শিক্ষক প্রাইমারি থেকে শুরু করে ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত যদি নিয়োগ না দেওয়া হয় তা হলে আপনাদের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম হবে, সেই সংগ্রামে যে বেগ শুরু হবে আপনি হাওয়ার
উদ্দেশ্যে উড়তে বাধ্য হন। বক্তারা বলেন, আপনাকে বসানো হয়েছে এদেশের সংস্কার করার জন্য। এমনতো নয় আপনি গান দিয়ে সংস্কার করবেন। এটা এদেশের ৯২ শতাংশ মুসলমান কিছুতেই মানতে পারে না। সরকার সাবধান হয়ে যান। আমাদের মনের কথা বুঝার চেষ্টা করেন। না বুঝলে সামনে বিপদে পরবেন। সুতরাং আজকে সমাবেশের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে এই অনুরোধ। কেবল মাত্র সংগ্রাম শুরু হয়েছে। ইত্তেফাকুল উলামা, হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিসসহ যারা আছে সবগুলো সংগঠন একত্রিত হয়ে সংগীত শিক্ষক বাতিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয় মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তমালতলা মোড় গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগমের নিকট স্মারক দেন নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ইত্তেফাকুল উলামা জেলা শাখার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। -খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত