ধানখোলা ইউনিয়নে প্রকৃত কৃষকদের ন্যায্য প্রাপ্য সার না দিয়ে বাইরের বাজারে পাচার, অধিক মুনাফা অর্জন এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে স্থানীয় কৃষকরা। এ নিয়ে গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গাংনীর জুগিন্দা মোড়ে কৃষকদের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষক শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন কৃষকরা বক্তব্য রাখেন। এসময় এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নুর ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, বিসিআইসি ডিলার নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দাদের ডিলারশিপ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ধানখোলা ইউনিয়নে দু’জন বাইরের ব্যক্তিকে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন—
মেসার্স N.R এন্টারপ্রাইজ (এনামুল হক) ও মেসার্স কাদের স্টোর (মোঃ হারুন অর রশিদ, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খালেকের আপন ভাই)
অভিযোগকারীরা বলেন, ডিলারশীপ পাওয়া এ দুই ব্যক্তি ধানখোলা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা নন। ইউনিয়নে তাদের কোনো স্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা সার সংরক্ষণের গুদামও নেই। ফলে কৃষকরা প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কৃষকদের দাবি, এন আর এন্টারপ্রাইজের মালিক এনামুল হক আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে ডিলারশিপ ধরে রেখেছেন। তবে গত ৫ আগস্টের পর স্থানীয়রা জানতে পারেন তিনি ধানখোলা ইউনিয়নের সার ডিলার। সার নিতে গেলে কৃষকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন তিনি।
এমনকি বিএনপির স্থানীয় নেতারা এ বিষয়ে কথা বললে এনামুল হক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে হুমকি দেন এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রকৃত কৃষকদের সার না দিয়ে তারা ইউনিয়নের বাইরে পাচার করছেন এবং খুচরা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করছেন। এতে ইউনিয়নের কৃষকরা ন্যায্য দামে সার পাচ্ছেন না; চাষাবাদের মৌসুমে পড়ছেন চরম আর্থিক চাপে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “এরা আসলে কৃষকবান্ধব কেউ নন, বরং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ সুবিধাভোগী। তাদের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলে কৃষকদের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”
কৃষকদের দাবি: অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত করে উক্ত দু’টি ডিলারশিপ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।স্থানীয়, যোগ্য ও কৃষকবান্ধব স্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্য থেকে নতুন ডিলার নিয়োগ দিতে হবে।কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।
এসময় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কৃষকদের অধিকার ফিরিয়ে দেবেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
ধানখোলায় সার ডিলারদের অনিয়ম-দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিরুদ্ধে কৃষকদের মানববন্ধন
ধানখোলায় সার ডিলারদের অনিয়ম-দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিরুদ্ধে কৃষকদের মানববন্ধন
ধানখোলা ইউনিয়নে প্রকৃত কৃষকদের ন্যায্য প্রাপ্য সার না দিয়ে বাইরের বাজারে পাচার, অধিক মুনাফা অর্জন এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে স্থানীয় কৃষকরা। এ নিয়ে গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গাংনীর জুগিন্দা মোড়ে কৃষকদের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষক শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন কৃষকরা বক্তব্য রাখেন। এসময় এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নুর ইসলাম।লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, বিসিআইসি ডিলার নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দাদের ডিলারশিপ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ধানখোলা ইউনিয়নে দু’জন বাইরের ব্যক্তিকে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মেসার্স N.R এন্টারপ্রাইজ (এনামুল হক) ও মেসার্স কাদের স্টোর (মোঃ হারুন অর রশিদ, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খালেকের
আপন ভাই)অভিযোগকারীরা বলেন, ডিলারশীপ পাওয়া এ দুই ব্যক্তি ধানখোলা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা নন। ইউনিয়নে তাদের কোনো স্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা সার সংরক্ষণের গুদামও নেই। ফলে কৃষকরা প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।কৃষকদের দাবি, এন আর এন্টারপ্রাইজের মালিক এনামুল হক আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে ডিলারশিপ ধরে রেখেছেন। তবে গত ৫ আগস্টের পর স্থানীয়রা জানতে পারেন তিনি ধানখোলা ইউনিয়নের সার ডিলার। সার নিতে গেলে কৃষকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন তিনি। এমনকি বিএনপির স্থানীয় নেতারা এ বিষয়ে কথা বললে এনামুল হক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে হুমকি দেন এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রকৃত কৃষকদের সার না দিয়ে তারা ইউনিয়নের বাইরে
পাচার করছেন এবং খুচরা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করছেন। এতে ইউনিয়নের কৃষকরা ন্যায্য দামে সার পাচ্ছেন না; চাষাবাদের মৌসুমে পড়ছেন চরম আর্থিক চাপে।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “এরা আসলে কৃষকবান্ধব কেউ নন, বরং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ সুবিধাভোগী। তাদের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলে কৃষকদের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”কৃষকদের দাবি: অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত করে উক্ত দু’টি ডিলারশিপ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।স্থানীয়, যোগ্য ও কৃষকবান্ধব স্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্য থেকে নতুন ডিলার নিয়োগ দিতে হবে।কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।এসময় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কৃষকদের অধিকার ফিরিয়ে দেবেন।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত