মেহেদী হাসান,ঝালকাঠি: পৌষের শেষে অলস মাঠে ধানকাটা শেষে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আবাহমান বাংলার ঘোড়দৌড়। বসে গ্রামীণ মেলা। শনিবার বিকেলে উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের এই শীতের উৎসবে মেতে ওঠেন নারী-পুরুষ শিশু নির্বিশেষে সবাই।
আয়োজকরা জানান ,গ্রামীন সংস্কৃতি ধরে রাখতে ও নতুন প্রজন্মকে বাঙালির ঐতিহ্যর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই নেয়া হয়েছে এ উদ্যোগ।
স্থানীয় সাংবাদিক ও সমাজকর্মী ইব্রাহিম খান শাকিল বলেন, এক সময় শীতকালে ধান ঘরে তোলার পর গ্রাম বাংলার মাঠেমাঠে ঘোড়ার টগবগ শব্দ শোনা যেত। ঢাকের তালে দর্শকদের উল্লাস দেখা যেত।
আসলে ধানকাটা শেষে ধুধু মাঠে মেলার আয়োজন করা হত। আর তার বিশেষ আকর্ষণ ছিলো ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। তবে এটি এখন হারাতে বসেছে। দীর্ঘদিন পরে গোবিন্দপুর গ্রামে যেন সেই বাংলার রূপ, রস আর গন্ধই খুঁজে পেলাম, বলেন ইব্রাহিম খান শাকিল।
গ্রামীণ ঐতিহ্য আর বিনোদনের টানে দুপুর গড়াতেই মাঠ জুড়ে[ নামে হাজারো দর্শনার্থীর ভীর। শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজারো নারী, পুরুষ শিশু কিশোর যোগ দেয়। ঘোড় দৌড়কে কেন্দ্র করে এখানে বসে মেলা। মিঠাই মন্ঠাসহ টুকিটাকি গ্রামীণ অনুসঙ্গ নিয়ে বসে এ মেলা বসেছিলো। ব্যপক পরিমানে বিক্রি হয়ে মুড়ি, মোয়া ও জিলাপি। আর নাগর দোলায় দোল খেতে খেতে শিশুদের আনন্দ যেন আর ধরেই না।
সন্ধ্যায় মেলা ঘোড়দৌড়ে অংশনেয়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে মেলা ভাঙে। তবে দর্শনার্থীরা প্রতি বছরই এ প্রচলন ধরে রাখেতে আয়োজকদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানায়।
ধানকাটা শেষে অলস মাঠে নলছিটিতে ঘোড়দৌড়ে আবহমান বাংলার রূপ
ধানকাটা শেষে অলস মাঠে নলছিটিতে ঘোড়দৌড়ে আবহমান বাংলার রূপ
মেহেদী হাসান,ঝালকাঠি: পৌষের শেষে অলস মাঠে ধানকাটা শেষে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আবাহমান বাংলার ঘোড়দৌড়। বসে গ্রামীণ মেলা। শনিবার বিকেলে উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের এই শীতের উৎসবে মেতে ওঠেন নারী-পুরুষ শিশু নির্বিশেষে সবাই। আয়োজকরা জানান ,গ্রামীন সংস্কৃতি ধরে রাখতে ও নতুন প্রজন্মকে বাঙালির ঐতিহ্যর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই নেয়া হয়েছে এ উদ্যোগ। স্থানীয় সাংবাদিক ও সমাজকর্মী ইব্রাহিম খান শাকিল বলেন, এক সময় শীতকালে ধান ঘরে তোলার পর গ্রাম বাংলার মাঠেমাঠে
ঘোড়ার টগবগ শব্দ শোনা যেত। ঢাকের তালে দর্শকদের উল্লাস দেখা যেত। আসলে ধানকাটা শেষে ধুধু মাঠে মেলার আয়োজন করা হত। আর তার বিশেষ আকর্ষণ ছিলো ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। তবে এটি এখন হারাতে বসেছে। দীর্ঘদিন পরে গোবিন্দপুর গ্রামে যেন সেই বাংলার রূপ, রস আর গন্ধই খুঁজে পেলাম, বলেন ইব্রাহিম খান শাকিল। গ্রামীণ ঐতিহ্য আর বিনোদনের টানে দুপুর গড়াতেই মাঠ জুড়ে[ নামে হাজারো দর্শনার্থীর ভীর। শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন
গ্রাম থেকে হাজারো নারী, পুরুষ শিশু কিশোর যোগ দেয়। ঘোড় দৌড়কে কেন্দ্র করে এখানে বসে মেলা। মিঠাই মন্ঠাসহ টুকিটাকি গ্রামীণ অনুসঙ্গ নিয়ে বসে এ মেলা বসেছিলো। ব্যপক পরিমানে বিক্রি হয়ে মুড়ি, মোয়া ও জিলাপি। আর নাগর দোলায় দোল খেতে খেতে শিশুদের আনন্দ যেন আর ধরেই না। সন্ধ্যায় মেলা ঘোড়দৌড়ে অংশনেয়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে মেলা ভাঙে। তবে দর্শনার্থীরা প্রতি বছরই এ প্রচলন ধরে রাখেতে আয়োজকদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানায়।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত