বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
র্যাব সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি বিভিন্ন সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সদা সচেষ্ট। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গাজীপুর ও ঢাকা মহানগরীর গুলশান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মানব পাচার মামলার এজাহার নামীয় আসামি (১) পাভেল মিয়া (২৬), পিতা- ছফির উদ্দিন, জেলা-ময়মনসিংহ ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামী (২) মোঃ আসাদুজ্জামান(৪৯), পিতা- মৃত সরোয়ার হোসেন মোড়ল, জেলা- রাজবাড়ী কে গ্রেফতার করে।
মামলার এজাহার ও গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, অত্র মামলার বাদী আসামীর পূর্ব পরিচিত এবং তাদের বাড়ি পাশাপাশি গ্রামে। সেই সূত্রে বাদীর সাথে আসামী পাভেলের মাঝে মাঝে কথা হত। পাভেল ঢাকার একটি হোটেলে চাকুরী করত। সেই সূত্রে পাভেল বাদীকে ঢাকাতে ভালো চাকুরীর জন্য প্রস্তাব দেয়। বাদী সরল বিশ্বাসে চাকুরীর প্রস্তাবে রাজি হয়ে গত ১০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ পাভেলের সাথে ঢাকায় আসে। পরবর্তীতে বাদীকে কোন চাকুরী না দিয়ে আসামী মিরপুর এলাকায় একটি বাসায় জোরপূর্বক আটক করে রাখে। উক্ত বাসায় আটক রেখে বাদীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন লোকজন এর সাথে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করে। কিছুদিন অতিবাহিত করার পর আসামী পাভেল বাদীর এক বান্ধবীকে প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকাতে নিয়ে আসে। পাভেল অন্যন্য আসামীদের সহায়তায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভিকটিমদের দিয়ে বিভিন্ন হোটেলে অসামাজিক কাজ করাত। ভুক্তোভোগীরা প্রতিবাদ জানালে তাদেরকে শারীরিক নির্যাতনসহ মেরে ফেলার হুমকি দিত এবং বাসার মধ্যে তালাবদ্ধ করে রাখত। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা অন্য কোন উপায় না পেয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে থানা পুলিশকে জানায়। পরবর্তীতে থানা পুলিশ ভিকটিমদের উদ্ধার করে।
উক্ত ঘটনায় শাহআলী থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল উক্ত ঘটনার বিষয়ে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে এবং ছায়াতদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান সনাক্ত করে গাজীপুর ও ঢাকা মহানগরীর গুলশান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সেই মামলার সূত্র ধরে উক্ত ঘটনার মূল হোতাসহ ২(দুই) জন আসামী গ্রেফতার করা হয়। আসামীদ্বয় গ্রেফতারকালীন সময়ে তাদের হেফাজত হতে আরো ২ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। ভিকটিমদ্বয়ের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় তাদেরকেও চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকাতে নিয়ে এসে সরলতার সুযোগ নিয়ে জোরপূর্বক অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করে। এছাড়াও আসামী পাভেল ভুয়া কাবিননামা করে পূর্বের স্ত্রীর কথা গোপন রেখে একাাধিক বিবাহ করে তাদেরও অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করে।
আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার মাধ্যমে গ্রামের সহজ সরল মেয়েদের ভালো চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকা মহনগরীতে নিয়ে আসে এবং মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগরীর শাহাআলী থানায় দায়েরকৃত মানব পাচার মামলার ২ জন আসামী গ্রেফতার
ঢাকা মহানগরীর শাহাআলী থানায় দায়েরকৃত মানব পাচার মামলার ২ জন আসামী গ্রেফতার
বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। র্যাব সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি বিভিন্ন সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সদা সচেষ্ট। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গাজীপুর ও ঢাকা মহানগরীর গুলশান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মানব পাচার মামলার এজাহার নামীয় আসামি (১) পাভেল মিয়া (২৬), পিতা- ছফির উদ্দিন, জেলা-ময়মনসিংহ ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামী (২) মোঃ আসাদুজ্জামান(৪৯), পিতা- মৃত সরোয়ার হোসেন মোড়ল, জেলা- রাজবাড়ী কে গ্রেফতার করে। মামলার এজাহার ও গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, অত্র মামলার বাদী আসামীর পূর্ব পরিচিত এবং তাদের বাড়ি পাশাপাশি গ্রামে। সেই সূত্রে বাদীর সাথে আসামী পাভেলের মাঝে মাঝে কথা হত। পাভেল ঢাকার একটি হোটেলে চাকুরী করত। সেই সূত্রে পাভেল বাদীকে
ঢাকাতে ভালো চাকুরীর জন্য প্রস্তাব দেয়। বাদী সরল বিশ্বাসে চাকুরীর প্রস্তাবে রাজি হয়ে গত ১০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ পাভেলের সাথে ঢাকায় আসে। পরবর্তীতে বাদীকে কোন চাকুরী না দিয়ে আসামী মিরপুর এলাকায় একটি বাসায় জোরপূর্বক আটক করে রাখে। উক্ত বাসায় আটক রেখে বাদীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন লোকজন এর সাথে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করে। কিছুদিন অতিবাহিত করার পর আসামী পাভেল বাদীর এক বান্ধবীকে প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকাতে নিয়ে আসে। পাভেল অন্যন্য আসামীদের সহায়তায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভিকটিমদের দিয়ে বিভিন্ন হোটেলে অসামাজিক কাজ করাত। ভুক্তোভোগীরা প্রতিবাদ জানালে তাদেরকে শারীরিক নির্যাতনসহ মেরে ফেলার হুমকি দিত এবং বাসার মধ্যে তালাবদ্ধ করে রাখত। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা অন্য কোন উপায় না পেয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে থানা পুলিশকে জানায়। পরবর্তীতে থানা পুলিশ ভিকটিমদের উদ্ধার করে। উক্ত ঘটনায় শাহআলী থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল উক্ত ঘটনার বিষয়ে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে এবং
ছায়াতদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান সনাক্ত করে গাজীপুর ও ঢাকা মহানগরীর গুলশান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সেই মামলার সূত্র ধরে উক্ত ঘটনার মূল হোতাসহ ২(দুই) জন আসামী গ্রেফতার করা হয়। আসামীদ্বয় গ্রেফতারকালীন সময়ে তাদের হেফাজত হতে আরো ২ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। ভিকটিমদ্বয়ের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় তাদেরকেও চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকাতে নিয়ে এসে সরলতার সুযোগ নিয়ে জোরপূর্বক অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করে। এছাড়াও আসামী পাভেল ভুয়া কাবিননামা করে পূর্বের স্ত্রীর কথা গোপন রেখে একাাধিক বিবাহ করে তাদেরও অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করে। আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার মাধ্যমে গ্রামের সহজ সরল মেয়েদের ভালো চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকা মহনগরীতে নিয়ে আসে এবং মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত