হেলাল শেখঃ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উড়াল সড়কের নিচ দিয়ে অনিয়ম করে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অনিয়মের সুযোগ করে দিচ্ছেন।
শনিবার (৯ মে ২০২৬) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের রাস্তার নিচ দিয়ে ছোট আকারের পাইপ বসানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্রমিক সংগঠন ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের পর আপাতত অস্থায়ীভাবে এসব পাইপ বড় ড্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, উড়াল সড়কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই এই সংযুক্ত পাইপের মুখ বন্ধ করে দেয়া হবে। তবে জনগণের অভিযোগ, স্থায়ী সমাধানের পরিবর্তে ছোট পাইপ ব্যবহার করে দায়সারা কাজ করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, আগামী ১০ বছরে এই এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিতে হাবুডুবু খাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, এ কাজের পেছনে মোটা অংকের ঘুষ ও অর্থ বাণিজ্যের বিষয় জড়িত থাকতে পারে উড়াল সড়কের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ
হেলাল শেখঃ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উড়াল সড়কের নিচ দিয়ে অনিয়ম করে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অনিয়মের সুযোগ করে দিচ্ছেন। শনিবার (৯ মে ২০২৬) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের রাস্তার নিচ দিয়ে ছোট আকারের পাইপ বসানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্রমিক সংগঠন ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের পর আপাতত অস্থায়ীভাবে এসব পাইপ বড় ড্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, উড়াল সড়কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই এই সংযুক্ত পাইপের মুখ বন্ধ করে দেয়া হবে। তবে জনগণের অভিযোগ, স্থায়ী সমাধানের পরিবর্তে ছোট পাইপ ব্যবহার করে দায়সারা
কাজ করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, আগামী ১০ বছরে এই এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিতে হাবুডুবু খাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, এ কাজের পেছনে মোটা অংকের ঘুষ ও অর্থ বাণিজ্যের বিষয় জড়িত থাকতে পারে উড়াল সড়কের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত