হেলাল শেখঃ ঢাকা-আরিচা পাটুরিয়া মহাসড়কে চাঁদাবাজির এই অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি রাজধানী ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ হয়ে পাটুরিয়া ফেরিঘাট পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করে, যেখানে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে।
গত ৫ দিন ধরে সরেজমিন পর্যবেক্ষণে প্রায় প্রতিটি গাড়ি থেকে কৌশলে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পুলিশের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
চাঁদা দিতে দেরি করায় এক চালককে মারধরের ঘটনাও ভিডিওতে দেখা গেছে। এ ধরনের ঘটনা শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নই নয়, বরং পরিবহন খাত, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্যও মারাত্মক ক্ষতিকর। নিয়মিত চাঁদাবাজি পণ্যের পরিবহন ব্যয় বাড়ায়,যার প্রভাব পড়ে বাজারদরে। সম্ভাব্য করণীয়:সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের। জেলা পুলিশ সুপার ও হাইওয়ে পুলিশ এবং ডিবি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরি। মানবাধিকার সংস্থা ও দুর্নীতি দমন কমিশনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
গণমাধ্যমে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরা হলেও সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের নিরব ভূমিকায় থাকার কারণে এসব চাঁদাবাজি বন্ধ হচ্ছে না।
ঢাকা-আরিচা পাটুরিয়া মহাসড়কে পরিবহনে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ
ঢাকা-আরিচা পাটুরিয়া মহাসড়কে পরিবহনে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ
হেলাল শেখঃ ঢাকা-আরিচা পাটুরিয়া মহাসড়কে চাঁদাবাজির এই অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি রাজধানী ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ হয়ে পাটুরিয়া ফেরিঘাট পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করে, যেখানে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। গত ৫ দিন ধরে সরেজমিন পর্যবেক্ষণে প্রায় প্রতিটি গাড়ি থেকে কৌশলে চাঁদা আদায়ের
অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।চাঁদা দিতে দেরি করায় এক চালককে মারধরের ঘটনাও ভিডিওতে দেখা গেছে। এ ধরনের ঘটনা শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নই নয়, বরং পরিবহন খাত, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্যও মারাত্মক ক্ষতিকর। নিয়মিত চাঁদাবাজি পণ্যের পরিবহন ব্যয় বাড়ায়,যার প্রভাব পড়ে বাজারদরে। সম্ভাব্য
করণীয়:সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের। জেলা পুলিশ সুপার ও হাইওয়ে পুলিশ এবং ডিবি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরি। মানবাধিকার সংস্থা ও দুর্নীতি দমন কমিশনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। গণমাধ্যমে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরা হলেও সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের নিরব ভূমিকায় থাকার কারণে এসব চাঁদাবাজি বন্ধ হচ্ছে না।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত