ব্যাংক থেকে ডলার কেনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ বেড়ে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে পৌঁছেছে, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
মূলত ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনায় রিজার্ভের পরিমাণ বেড়েছে। এ ছাড়া বিদেশি ঋণও আসছে। এতে বাড়ছে রিজার্ভ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) নিলামের মাধ্যমে সাতটি ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে এসব ডলার কেনা হয়। এর ফলে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ১৩ বিলিয়ন বা ৩১৩ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু ডিসেম্বর মাসেই ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গতকাল মঙ্গলবার রিজার্ভ বেড়ে হয় ৩ হাজার ৩১৮ কোটি ডলার। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৫১ কোটি ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ ৩৪-৩৫ বিলিয়নে পৌঁছাবে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা কোনো সংস্থার ঋণে নয়, নিজেদের দেশ থেকে ডলার কিনেই রিজার্ভ বাড়ানো হবে। এটাই ভালো সিদ্ধান্ত।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের শেষ কর্মদিবসে ৪৬ দশমিক শূন্য ৭ বিলিয়ন ডলার। পরের বছর ১২ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার কমে ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৩ দশমিক ৮৩ বিলিয়নে, যা ছিল এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
মূলত ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনায় রিজার্ভের পরিমাণ বেড়েছে। এ ছাড়া বিদেশি ঋণও আসছে। এতে বাড়ছে রিজার্ভ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) নিলামের মাধ্যমে সাতটি ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে এসব ডলার কেনা হয়। এর ফলে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ১৩ বিলিয়ন বা ৩১৩ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু ডিসেম্বর মাসেই ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গতকাল মঙ্গলবার রিজার্ভ বেড়ে হয় ৩ হাজার ৩১৮ কোটি ডলার। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৫১ কোটি ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ ৩৪-৩৫ বিলিয়নে পৌঁছাবে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা কোনো সংস্থার ঋণে নয়, নিজেদের দেশ থেকে ডলার কিনেই রিজার্ভ বাড়ানো হবে। এটাই ভালো সিদ্ধান্ত।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের শেষ কর্মদিবসে ৪৬ দশমিক শূন্য ৭ বিলিয়ন ডলার। পরের বছর ১২ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার কমে ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৩ দশমিক ৮৩ বিলিয়নে, যা ছিল এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ।