দেশে চলতি ডিসেম্বরের ২৭ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে যা দাঁড়ায় মোট ৩৩ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান।
ডিসেম্বরের ২৭ দিনের এ প্রবাসী আয় আগের বছরের ডিসেম্বরের পাশাপাশি চলতি বছরের নভেম্বরের চেয়ে বেশি।
আগের বছরের ডিসেম্বরের ২৭ দিনে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৪০ কোটি ৮০ মার্কিন ডলার। আর আগের মাস নভেম্বর ২৭ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ২৬০ কোটি পাঁচ লাখ ৪১ হাজার ডলার।
অন্তর্র্বতী সরকারের সময়ে পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার কারণে পাচার কমেছে। পাচারকারীরা হুন্ডিকারবারিদের দ্বারস্থ হতো।
ফলে প্রবাসী আয় হুন্ডি কারবারিদের পকেটে চলে যেত। এমতাবস্থায় প্রবাসী আয় দেশে এলেও ব্যাংকিং চ্যানেলে আসতো না। পাচার কমে আসার কারণে হুন্ডির চাহিদা কমে যায়। এর ফলে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠানো বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে প্রতি মাসেই প্রবাসী আয় বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবাসী আয়ের তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ, আগস্টে আসে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ, সেপ্টেম্বর মাসে এসেছিল ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ এবং অক্টোবর মাসে এসেছে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার।
আগের বছরগুলোর প্রবাসী আয় পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসেছে তিন হাজার ৩২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা; ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আসে দুই হাজার ৩৯১ কোটি টাকা ২২ লাখ টাকা। আগে করোনা মহামারির সময় ২০২০-২১ অর্থবছরে এসেছিল দুই হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। তার আগের বছরগুলোতে ১৮ বিলিয়ন বা এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার নিচে প্রবাসী আয় আসতো।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
দেশে ২৭ দিনে প্রবাসী আয় এলো ২৭৫ কোটি ডলার
দেশে ২৭ দিনে প্রবাসী আয় এলো ২৭৫ কোটি ডলার
দেশে চলতি ডিসেম্বরের ২৭ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে যা দাঁড়ায় মোট ৩৩ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা।রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান।ডিসেম্বরের ২৭ দিনের এ প্রবাসী আয় আগের বছরের ডিসেম্বরের পাশাপাশি চলতি বছরের নভেম্বরের চেয়ে বেশি।আগের বছরের ডিসেম্বরের ২৭ দিনে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৪০ কোটি ৮০ মার্কিন ডলার। আর আগের মাস নভেম্বর ২৭ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ২৬০ কোটি
পাঁচ লাখ ৪১ হাজার ডলার।অন্তর্র্বতী সরকারের সময়ে পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার কারণে পাচার কমেছে। পাচারকারীরা হুন্ডিকারবারিদের দ্বারস্থ হতো।ফলে প্রবাসী আয় হুন্ডি কারবারিদের পকেটে চলে যেত। এমতাবস্থায় প্রবাসী আয় দেশে এলেও ব্যাংকিং চ্যানেলে আসতো না। পাচার কমে আসার কারণে হুন্ডির চাহিদা কমে যায়। এর ফলে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠানো বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে প্রতি মাসেই প্রবাসী আয় বাড়ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবাসী আয়ের তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ, আগস্টে আসে ২৪২ কোটি
১৯ লাখ, সেপ্টেম্বর মাসে এসেছিল ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ এবং অক্টোবর মাসে এসেছে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার।আগের বছরগুলোর প্রবাসী আয় পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসেছে তিন হাজার ৩২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা; ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আসে দুই হাজার ৩৯১ কোটি টাকা ২২ লাখ টাকা। আগে করোনা মহামারির সময় ২০২০-২১ অর্থবছরে এসেছিল দুই হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। তার আগের বছরগুলোতে ১৮ বিলিয়ন বা এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার নিচে প্রবাসী আয় আসতো।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত