সহিদুল আলম বাবুল, চিলমারী-হরিপুর মওলানা ভাসানী সেতু থেকে ফিরে, আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম বাসীর স্বপ্নের হরীপুর-চিলমারী তিস্তা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া ওই কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ফলশ্রুতিতে প্রকল্প মেয়াদের ছয় মাস পূর্বেই আমরা এ সেতুর উদ্বোধন করতে পারলাম। মাওলানা ভাসানী দেশের জন্য লং মার্চের মত আন্দোলনের শিখর রোপন করে গিয়েছেন। তাই তার নামেই এ সেতুর নামকরণ করা হয়েছে "মওলানা ভাসানী সেতু"।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতেই তিস্তা মহা পরিকল্পনার মত বৃহৎ প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে। আগামী জানুয়ারি মাসেই ১২৫ কিলোমিটার ব্যাপী তিস্তা মহা পরিকল্পনার কাজ শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।
১৪৯০ মিটার দীর্ঘ সেতুটি এলজিইডির অন্যতম একটি বৃহৎ স্থাপনা। সৌদি ডেভলফমেন্ট ফাউন্ডেশন এর অর্থায়নে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণ করেছে। এতে রয়েছে ৩১ টি স্প্যান। সেতুর উভয় পার্শ্বে প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার নদী শাসন করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম বাসির প্রাণের দাবি আজ পূরণ হয়েছে। বহুল কাঙ্ক্ষিত চিলমারি তিস্তা সংযোগ সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে সেতু এলাকায়। দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুর উভয় পার্শ্বে ফিতা কেটে সেতুর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রায় ১,৪৯০ মিটার দীর্ঘ এ সেতুটি এলজিইডির অন্যতম বৃহৎ নির্মাণকাজ। এটি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ও কুড়িগ্রামের চিলমারীকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে। ফলে দুই জেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগের এক নতুন দিগন্তের সূচনা হল।
৭৩০ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিসি গার্ডার নির্মাণ করেছে। এতে রয়েছে ৩১টি স্প্যান, উন্নত রঙ ও লাইটিং, এবং সেতুর উভয়পাশে প্রায় ৩.৫ কিলোমিটার নদী শাসন ব্যবস্থা। সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ৮৬ কিলোমিটার।
এলজিইডি'র প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি), এশিয়া অপারেশনের মহা পরিচালক ড. সাঈদ আউদ আলশামারি, এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আখতার হোসেন, গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্ন সচিব সাইদুর রহমানসহ এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফলশ্রুতিতে প্রকল্প মেয়াদের ছয় মাস পূর্বেই আমরা এ সেতুর উদ্বোধন করতে পারলাম। মাওলানা ভাসানী দেশের জন্য লং মার্চের মত আন্দোলনের শিখর রোপন করে গিয়েছেন। তাই তার নামেই এ সেতুর নামকরণ করা হয়েছে "মওলানা ভাসানী সেতু"।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতেই তিস্তা মহা পরিকল্পনার মত বৃহৎ প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে। আগামী জানুয়ারি মাসেই ১২৫ কিলোমিটার ব্যাপী তিস্তা মহা পরিকল্পনার কাজ শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।
১৪৯০ মিটার দীর্ঘ সেতুটি এলজিইডির অন্যতম একটি বৃহৎ স্থাপনা। সৌদি ডেভলফমেন্ট ফাউন্ডেশন এর অর্থায়নে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণ করেছে। এতে রয়েছে ৩১ টি স্প্যান। সেতুর উভয় পার্শ্বে প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার নদী শাসন করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম বাসির প্রাণের দাবি আজ পূরণ হয়েছে। বহুল কাঙ্ক্ষিত চিলমারি তিস্তা সংযোগ সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে সেতু এলাকায়। দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুর উভয় পার্শ্বে ফিতা কেটে সেতুর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রায় ১,৪৯০ মিটার দীর্ঘ এ সেতুটি এলজিইডির অন্যতম বৃহৎ নির্মাণকাজ। এটি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ও কুড়িগ্রামের চিলমারীকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে। ফলে দুই জেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগের এক নতুন দিগন্তের সূচনা হল।
৭৩০ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিসি গার্ডার নির্মাণ করেছে। এতে রয়েছে ৩১টি স্প্যান, উন্নত রঙ ও লাইটিং, এবং সেতুর উভয়পাশে প্রায় ৩.৫ কিলোমিটার নদী শাসন ব্যবস্থা। সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ৮৬ কিলোমিটার।
এলজিইডি'র প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি), এশিয়া অপারেশনের মহা পরিচালক ড. সাঈদ আউদ আলশামারি, এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আখতার হোসেন, গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্ন সচিব সাইদুর রহমানসহ এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।