ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন সায়মুন আমান। এ বিষয়ে তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়ে পদত্যাগ ও দল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন।
(২৮ জানুয়ারি) রাতে সায়মুন আমান তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, 'আমি সায়মুন আমান, ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের ৭ নম্বর পৌরসভার সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করলাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করলাম।' পদত্যাগের ঘোষণার মাত্র ১৪ মিনিট পর আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, 'তারুণ্যের প্রথম ভোট দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক।'
এ বিষয়ে সায়মুন আমান বলেন, তিনি ২০১৭ সাল থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে সিনিয়র নেতাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও সংগঠনের জন্য লোকজন নিয়ে কাজ করেছেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ত্যাগী নেতাকর্মীদের আর মূল্যায়ন করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সায়মুন আমান আরও বলেন, 'যারা আগে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল, এমন আত্মীয়-স্বজনদের বিএনপির সঙ্গে যুক্ত করে কর্মসূচিতে সামনে রাখা হচ্ছে। ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হলে সেখানে রাজনীতি করে লাভ কী?'—এমন মন্তব্য করে তিনি জামায়াতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন।
এদিকে ঝালকাঠি পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন রানা বলেন, 'সায়মুন আমান আগে থেকেই জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। তার বাবাও জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করেন। তার শূন্য পদে শিগগিরই নতুন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।'
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করে জামায়াতে যোগ
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করে জামায়াতে যোগ
ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন সায়মুন আমান। এ বিষয়ে তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়ে পদত্যাগ ও দল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। (২৮ জানুয়ারি) রাতে সায়মুন আমান তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, 'আমি সায়মুন আমান, ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের ৭ নম্বর পৌরসভার সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করলাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করলাম।' পদত্যাগের ঘোষণার মাত্র
১৪ মিনিট পর আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, 'তারুণ্যের প্রথম ভোট দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক।' এ বিষয়ে সায়মুন আমান বলেন, তিনি ২০১৭ সাল থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে সিনিয়র নেতাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও সংগঠনের জন্য লোকজন নিয়ে কাজ করেছেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ত্যাগী নেতাকর্মীদের আর মূল্যায়ন করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সায়মুন আমান আরও বলেন, 'যারা আগে আওয়ামী
লীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল, এমন আত্মীয়-স্বজনদের বিএনপির সঙ্গে যুক্ত করে কর্মসূচিতে সামনে রাখা হচ্ছে। ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হলে সেখানে রাজনীতি করে লাভ কী?'—এমন মন্তব্য করে তিনি জামায়াতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। এদিকে ঝালকাঠি পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন রানা বলেন, 'সায়মুন আমান আগে থেকেই জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। তার বাবাও জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করেন। তার শূন্য পদে শিগগিরই নতুন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।'
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত