গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে সারাদেশব্যাপী চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জের ছাতকে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
গত বুধবার মাগরিবের নামাজের পর ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্টে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর ছাতক উপজেলা শাখা।
এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের উপজেলা আহ্বায়ক এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিলটি গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং শেষে আবার গোবিন্দগঞ্জে ট্রাফিক পয়েন্টে এসে পথ সভা অনুষ্টিত হয়।
সভায় প্রধান বক্তা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে। গোপালগঞ্জে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে দিয়ে দেশে এক ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
বিরোধী কণ্ঠরোধ, গুম, খুন, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে। বক্তারা এই আন্দোলনকে কেবল একটি ঘটনার প্রতিবাদ নয়, বরং একটি ভঙ্গুর রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তরুণ সমাজের জাগরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যদি দোষীদের বিচার না হয় ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির কারণে কিছু সময়ের জন্য গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও, গোটা বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
গত বুধবার মাগরিবের নামাজের পর ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্টে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর ছাতক উপজেলা শাখা।
এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের উপজেলা আহ্বায়ক এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিলটি গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং শেষে আবার গোবিন্দগঞ্জে ট্রাফিক পয়েন্টে এসে পথ সভা অনুষ্টিত হয়।
সভায় প্রধান বক্তা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে। গোপালগঞ্জে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে দিয়ে দেশে এক ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
বিরোধী কণ্ঠরোধ, গুম, খুন, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে। বক্তারা এই আন্দোলনকে কেবল একটি ঘটনার প্রতিবাদ নয়, বরং একটি ভঙ্গুর রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তরুণ সমাজের জাগরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যদি দোষীদের বিচার না হয় ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির কারণে কিছু সময়ের জন্য গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও, গোটা বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব