মাত্র তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ঈদযাত্রায় প্রায় আড়াই কোটি মানুষ ও কোরবানির পশুর পরিবহন ব্যবস্থা স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির সামনে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এবার ঈদে সড়কে ঘরমুখো মানুষের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটির বেশি। এর সঙ্গে প্রায় এক কোটি কোরবানির পশুর পরিবহন যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। সীমিত সময়ের মধ্যে এই বিশাল চাপ সামলানোই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি আরও বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে এবং কিছু সমস্যার সমাধানও করা হয়েছে। তবে যানবাহন ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এখনও বড় বাধা হয়ে আছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই সড়ক দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম মহাসড়ক। এটি ১০ লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং সে লক্ষ্যে কাজ চলছে। দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনার আওতায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলো ধাপে ধাপে উন্নয়ন করা হবে বলেও তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান, রেলওয়ের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এর আগে অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
চার দিনের মধ্যে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করা বড় চ্যালেঞ্জ: সেতুমন্ত্রী
চার দিনের মধ্যে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করা বড় চ্যালেঞ্জ: সেতুমন্ত্রী
মাত্র তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ঈদযাত্রায় প্রায় আড়াই কোটি মানুষ ও কোরবানির পশুর পরিবহন ব্যবস্থা স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির সামনে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, এবার ঈদে সড়কে ঘরমুখো মানুষের সংখ্যা প্রায়
দেড় কোটির বেশি। এর সঙ্গে প্রায় এক কোটি কোরবানির পশুর পরিবহন যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। সীমিত সময়ের মধ্যে এই বিশাল চাপ সামলানোই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি আরও বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে এবং কিছু সমস্যার সমাধানও করা হয়েছে। তবে যানবাহন ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এখনও বড় বাধা হয়ে আছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই সড়ক দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম মহাসড়ক। এটি ১০ লেনে উন্নীত
করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং সে লক্ষ্যে কাজ চলছে। দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনার আওতায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলো ধাপে ধাপে উন্নয়ন করা হবে বলেও তিনি জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান, রেলওয়ের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এর আগে অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত