বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, গত দেড়দশক ধরে স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা এদেশের মানুষকে জিম্মি করে রেখেছিলেন।
জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। শেখ হাসিনার নীতি ছিলো- “আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোটও আমি দেবো।” সেই নীতির কারণেই দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র ও সুশাসন ধ্বংস হয়েছে। আজ মানুষ সেই একদলীয় স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে। তিনি বলেন, “এই দেশ থেকে চাঁদাবাজি, লুটপাট ও দুর্নীতির রাজনীতি বন্ধ করতে হলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের বিকল্প নেই।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকালে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান আরও বলেন, “জামায়াত সব সময় শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী।
আমরা কখনোই সহিংসতা চাই না। দেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায়, ন্যায়বিচার চায়, নিজেদের ভোটাধিকার ফিরে পেতে চায়। তাই দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রপ্রেমী নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা চাই একটি সত্যিকারের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, যেখানে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। জামায়াত সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তারা বলেন, দেশে সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।
রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমীর ডক্টর কেরামত আলীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় জামায়াতের রুকনদের আরও সাহসী, দায়িত্বশীল ও ত্যাগী ভূমিকা রাখতে হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। শেখ হাসিনার নীতি ছিলো- “আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোটও আমি দেবো।” সেই নীতির কারণেই দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র ও সুশাসন ধ্বংস হয়েছে। আজ মানুষ সেই একদলীয় স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে। তিনি বলেন, “এই দেশ থেকে চাঁদাবাজি, লুটপাট ও দুর্নীতির রাজনীতি বন্ধ করতে হলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের বিকল্প নেই।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকালে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান আরও বলেন, “জামায়াত সব সময় শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী।
আমরা কখনোই সহিংসতা চাই না। দেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায়, ন্যায়বিচার চায়, নিজেদের ভোটাধিকার ফিরে পেতে চায়। তাই দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রপ্রেমী নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা চাই একটি সত্যিকারের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, যেখানে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। জামায়াত সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তারা বলেন, দেশে সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।
রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমীর ডক্টর কেরামত আলীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় জামায়াতের রুকনদের আরও সাহসী, দায়িত্বশীল ও ত্যাগী ভূমিকা রাখতে হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব