আসন্ন ঈদুল আজহায় দেশের কোটি কোটি টাকার সম্পদ চামড়া শিল্প রক্ষা এবং সীমান্ত দিয়ে ভারতে চামড়া পাচার ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে যশোর ৪৯ বিজিবি। কোরবানির পশুর চামড়া পাচারের সব ধরনের অপচেষ্টা নস্যাৎ করতে বেনাপোলসহ সংলগ্ন সীমান্তজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়। ইতিমধ্যেই সীমান্তের স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও টহল কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর কোরবানির ঈদকে পুঁজি করে এক শ্রেণির মুনাফালোভী চোরাকারবারি চক্র দেশের চামড়া সীমান্ত পার করে ভারতে পাচারের চেষ্টা চালায়। এর ফলে দেশীয় ট্যানারি শিল্প যেমন কাঁচামাল সংকটে পড়ে, তেমনি সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারায়। এই জাতীয় ক্ষতি এড়াতে এবার ঈদের অনেক আগেই নড়েচড়ে বসেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
বিশেষ করে বেনাপোল, পুটখালী, দৌলতপুর, রঘুনাথপুর ও শিকারপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত রুট, সীমান্তবর্তী খাল ও ফসলি জমিতে বিজিবির কড়া পাহারা বসানো হয়েছে। সন্দেহভাজন এলাকাগুলোতে নিয়মিত তল্লাশির পাশাপাশি অস্থায়ী চেকপোস্টের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হচ্ছে।
"দেশের চামড়া আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই শিল্পকে বাঁচাতে সীমান্তে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। চামড়া পাচারের যেকোনো চেষ্টা কঠোরহস্তে দমন করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
বিজিবি কর্মকর্তা
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান গণমাধ্যমকে জানান, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা (অ্যালার্ট) জারি করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ উপায়ে একটি চামড়াও যেন ওপারে যেতে না পারে, সেজন্য বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রয়েছে। স্থানীয় চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে বিজিবি তার সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করছে।
এদিকে বিজিবির এমন কঠোর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও চামড়া ব্যবসায়ীরা। তারা মনে করছেন, সীমান্তজুড়ে বিজিবির এই কঠোর অবস্থানের কারণে এবার চামড়া পাচার শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে, যা দেশীয় ট্যানারি শিল্পের সুরক্ষায় অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
চামড়া পাচার রুখতে সীমান্তে বিজিবির 'নিরাপত্তা প্রাচীর', বেনাপোলে সর্বোচ্চ সতর্কতা
চামড়া পাচার রুখতে সীমান্তে বিজিবির 'নিরাপত্তা প্রাচীর', বেনাপোলে সর্বোচ্চ সতর্কতা
আসন্ন ঈদুল আজহায় দেশের কোটি কোটি টাকার সম্পদ চামড়া শিল্প রক্ষা এবং সীমান্ত দিয়ে ভারতে চামড়া পাচার ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে যশোর ৪৯ বিজিবি। কোরবানির পশুর চামড়া পাচারের সব ধরনের অপচেষ্টা নস্যাৎ করতে বেনাপোলসহ সংলগ্ন সীমান্তজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়। ইতিমধ্যেই সীমান্তের স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও টহল কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর কোরবানির ঈদকে পুঁজি করে এক শ্রেণির মুনাফালোভী চোরাকারবারি চক্র দেশের চামড়া সীমান্ত পার করে ভারতে পাচারের চেষ্টা চালায়। এর ফলে দেশীয় ট্যানারি শিল্প যেমন কাঁচামাল সংকটে
পড়ে, তেমনি সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারায়। এই জাতীয় ক্ষতি এড়াতে এবার ঈদের অনেক আগেই নড়েচড়ে বসেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। বিশেষ করে বেনাপোল, পুটখালী, দৌলতপুর, রঘুনাথপুর ও শিকারপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত রুট, সীমান্তবর্তী খাল ও ফসলি জমিতে বিজিবির কড়া পাহারা বসানো হয়েছে। সন্দেহভাজন এলাকাগুলোতে নিয়মিত তল্লাশির পাশাপাশি অস্থায়ী চেকপোস্টের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হচ্ছে। "দেশের চামড়া আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই শিল্পকে বাঁচাতে সীমান্তে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। চামড়া পাচারের যেকোনো চেষ্টা কঠোরহস্তে দমন করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" বিজিবি কর্মকর্তাযশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল
গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান গণমাধ্যমকে জানান, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা (অ্যালার্ট) জারি করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ উপায়ে একটি চামড়াও যেন ওপারে যেতে না পারে, সেজন্য বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রয়েছে। স্থানীয় চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে বিজিবি তার সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করছে। এদিকে বিজিবির এমন কঠোর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও চামড়া ব্যবসায়ীরা। তারা মনে করছেন, সীমান্তজুড়ে বিজিবির এই কঠোর অবস্থানের কারণে এবার চামড়া পাচার শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে, যা দেশীয় ট্যানারি শিল্পের সুরক্ষায় অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত