ব্যাংক খাত থেকে ৫ লাখ কোটি টাকা চুরি হয়ে গেছে। চুরি হয়ে যাওয়া এ ঋণের বিপরীতে কোন জামানত নাই। এসব অর্থের অধিকাংশই দেশের বাইরে পাচার হয়ে গেছে।বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান
শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় দেশের অর্থনীতিকে টেনে তোলা, বন্ধ কারখানা চালু ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন তিনি। দেশের অর্থনীতির বিরাজমান পরিস্থিতি, প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার প্রেক্ষাপট ও এর বিস্তারিত বিবরণও তুলে ধরেন গভর্নর।
তিনি বলেন,খেলাপি ঋণ অনেক বেড়ে গেছে। পাচার হয়ে গেছে বেশকিছু টাকা। আমানতকারীদের আস্থা অনেকখানি কমে গিয়েছিল। আমরা সে আস্থা ফেরানোর কাজ করছি।
পাচার হয়ে যাওয়া অর্থ উদ্ধার সময়সাপেক্ষ জানিয়ে মোস্তাকুর রহমান বলেন, এখন অর্থ ফেরত আনাকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি।
খেলাপি হওয়া ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যে ১০০ টাকা নিয়েছে, তার কাছে কিন্তু ১০০ টাকা নেই। আমরা এখন কাজ করছি, এ টাকা কীভাবে আদায় করা যায়।’
গভর্নর আরও বলেন,অতীতের অভিজ্ঞতা আমাদের খুব একটা ভালো নয়, এটা সত্যি। তবে আমরা আশাবাদী। এবারের প্যাকেজটি চূড়ান্ত করার আগে দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতা ও ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার।
ব্যাংকিং খাতের ৫ লাখ কোটি টাকা চুরি হয়ে গেছে: গভর্নর
ব্যাংকিং খাতের ৫ লাখ কোটি টাকা চুরি হয়ে গেছে: গভর্নর
ব্যাংক খাত থেকে ৫ লাখ কোটি টাকা চুরি হয়ে গেছে। চুরি হয়ে যাওয়া এ ঋণের বিপরীতে কোন জামানত নাই। এসব অর্থের অধিকাংশই দেশের বাইরে পাচার হয়ে গেছে।বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় দেশের অর্থনীতিকে টেনে তোলা, বন্ধ কারখানা চালু ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন তিনি।
দেশের অর্থনীতির বিরাজমান পরিস্থিতি, প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার প্রেক্ষাপট ও এর বিস্তারিত বিবরণও তুলে ধরেন গভর্নর। তিনি বলেন,খেলাপি ঋণ অনেক বেড়ে গেছে। পাচার হয়ে গেছে বেশকিছু টাকা। আমানতকারীদের আস্থা অনেকখানি কমে গিয়েছিল। আমরা সে আস্থা ফেরানোর কাজ করছি। পাচার হয়ে যাওয়া অর্থ উদ্ধার সময়সাপেক্ষ জানিয়ে মোস্তাকুর রহমান বলেন, এখন অর্থ ফেরত আনাকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি। খেলাপি হওয়া ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত নেই উল্লেখ করে তিনি
বলেন, ‘যে ১০০ টাকা নিয়েছে, তার কাছে কিন্তু ১০০ টাকা নেই। আমরা এখন কাজ করছি, এ টাকা কীভাবে আদায় করা যায়।’ গভর্নর আরও বলেন,অতীতের অভিজ্ঞতা আমাদের খুব একটা ভালো নয়, এটা সত্যি। তবে আমরা আশাবাদী। এবারের প্যাকেজটি চূড়ান্ত করার আগে দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতা ও ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত