খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল ও বিক্রির হিড়িক পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একদল ‘হাইব্রিড’ নেতা ও তাদের আত্মীয়-পরিচয়ধারী প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এই দখল বাণিজ্যের সাথে সরাসরি জড়িত।
সরেজমিনে তদন্তে দেখা গেছে, উপজেলার ভান্ডারকোট, বালিয়াডাঙ্গা ও আমিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন মৌজায় সরকারি খাস জমি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গাগুলোতে এই অপতৎপরতা সবচেয়ে বেশি।সরেজমিনে যা দেখা গেছে:-অভিযুক্ত ব্যক্তিরা স্থানীয় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নিজেদের 'প্রভাবশালী' ও 'হাইব্রিড' নেতাদের নিকটাত্মীয় পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।
সরকারি জমি দখল করেই তারা ক্ষান্ত হচ্ছে না; স্ট্যাম্প বা মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে মোটা অংকের বিনিময়ে এই জায়গাগুলো বিক্রি করে দিচ্ছে।অনেক স্থানে রাতারাতি আধাপাকা ঘর ও সীমানা প্রাচীর তুলে দখল পাকাপোক্ত করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের ক্ষোভ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, সরকারি জমি রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হলেও রহস্যজনক কারণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।দখলদারদের দাপটে এলাকার সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। তারা দ্রুত এই অবৈধ দখল বাণিজ্য বন্ধ এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জানানো হয়, সরকারি জমি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার বা বিক্রি করা সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে খুব শীঘ্রই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
বটিয়াঘাটা বিভিন্ন স্থানে সরকারি জমি দখল ও বিক্রির মহোৎসব নেপথ্যে তথাকথিত 'হাইব্রিড' নেতারা
বটিয়াঘাটা বিভিন্ন স্থানে সরকারি জমি দখল ও বিক্রির মহোৎসব নেপথ্যে তথাকথিত 'হাইব্রিড' নেতারা
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল ও বিক্রির হিড়িক পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একদল ‘হাইব্রিড’ নেতা ও তাদের আত্মীয়-পরিচয়ধারী প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এই দখল বাণিজ্যের সাথে সরাসরি জড়িত। সরেজমিনে তদন্তে দেখা গেছে, উপজেলার ভান্ডারকোট, বালিয়াডাঙ্গা ও আমিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন মৌজায় সরকারি খাস জমি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গাগুলোতে এই অপতৎপরতা সবচেয়ে বেশি।সরেজমিনে যা দেখা গেছে:-অভিযুক্ত ব্যক্তিরা স্থানীয় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নিজেদের 'প্রভাবশালী' ও
'হাইব্রিড' নেতাদের নিকটাত্মীয় পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। সরকারি জমি দখল করেই তারা ক্ষান্ত হচ্ছে না; স্ট্যাম্প বা মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে মোটা অংকের বিনিময়ে এই জায়গাগুলো বিক্রি করে দিচ্ছে।অনেক স্থানে রাতারাতি আধাপাকা ঘর ও সীমানা প্রাচীর তুলে দখল পাকাপোক্ত করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ক্ষোভ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, সরকারি জমি রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হলেও রহস্যজনক কারণে
কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।দখলদারদের দাপটে এলাকার সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। তারা দ্রুত এই অবৈধ দখল বাণিজ্য বন্ধ এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জানানো হয়, সরকারি জমি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার বা বিক্রি করা সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে খুব শীঘ্রই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত