বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন লেবার সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন।
আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নিজের পদত্যাগপত্রের একটি ছবি প্রকাশ করেন তিনি।
সম্প্রতি পূর্ব লন্ডনের নিজস্ব টাউনহাউস থেকে চারজন ভাড়াটিয়াকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে রুশনারার বিরুদ্ধে। এরপর সেই বাড়ির ভাড়া বাড়িয়ে ৭০০ পাউন্ড করেন তিনি। একটা সময় ভাড়াটিয়াদের শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকলেও; নিজেই এই কাজ করায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
যদিও রুশনারার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, বাড়ি বিক্রি করার জন্য তিনি ভাড়াটিয়াতের তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্রেতা না পাওয়ায় আবারও বাড়ি ভাড়া দিয়েছেন তিনি।
এমন সমালোচনার মুখেই তার মন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণা আসল।
প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টার্মারের কাছে পাঠানো চিঠিতে রুশনারা লিখেছেন,প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, ভারাক্রান্ত মনে আমি মন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগের প্রস্তাব দিচ্ছি। লেবার সরকারের প্রতি আমার আনুগত্য সবসময় বজায় থাকবে।
এরপর ভাড়াটিয়া সংক্রান্ত অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন,আমি সবসময় আইন অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করেছেন এবং নিজের দায়িত্ব গুরুত্বের সঙ্গে পালন করেছি। কিন্তু আমি যদি মন্ত্রী হিসেবে থাকি তাহলে সরকারের কাজে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এ কারণে আমি মন্ত্রিত্ব পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নিজের পদত্যাগপত্রের একটি ছবি প্রকাশ করেন তিনি।
সম্প্রতি পূর্ব লন্ডনের নিজস্ব টাউনহাউস থেকে চারজন ভাড়াটিয়াকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে রুশনারার বিরুদ্ধে। এরপর সেই বাড়ির ভাড়া বাড়িয়ে ৭০০ পাউন্ড করেন তিনি। একটা সময় ভাড়াটিয়াদের শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকলেও; নিজেই এই কাজ করায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
যদিও রুশনারার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, বাড়ি বিক্রি করার জন্য তিনি ভাড়াটিয়াতের তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্রেতা না পাওয়ায় আবারও বাড়ি ভাড়া দিয়েছেন তিনি।
এমন সমালোচনার মুখেই তার মন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণা আসল।
প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টার্মারের কাছে পাঠানো চিঠিতে রুশনারা লিখেছেন,প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, ভারাক্রান্ত মনে আমি মন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগের প্রস্তাব দিচ্ছি। লেবার সরকারের প্রতি আমার আনুগত্য সবসময় বজায় থাকবে।
এরপর ভাড়াটিয়া সংক্রান্ত অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন,আমি সবসময় আইন অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করেছেন এবং নিজের দায়িত্ব গুরুত্বের সঙ্গে পালন করেছি। কিন্তু আমি যদি মন্ত্রী হিসেবে থাকি তাহলে সরকারের কাজে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এ কারণে আমি মন্ত্রিত্ব পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব