পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ঐতিহাসিক শিবপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঐতিহ্যবাহী কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। প্রতিবছরের মতো এবারও প্রথম হাটেই ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুক্রবারে অনুষ্ঠিত এই প্রথম হাটে মোট ৪টি মাঠে দূর-দূরান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া নিয়ে আসেন খামারি ও বিক্রেতারা।
সাড়ে ৫ লাখের ‘মেগা’ গরু এবারের প্রথম হাটের মূল আকর্ষণ ছিল প্রায় ১ টন (১০০০ কেজি) মাংসের উপযোগী একটি বিশালাকৃতির লাল কাজলা রঙের ষাঁড়। আকর্ষণীয় রঙ ও চোখধাঁধানো সৌন্দর্যের কারণে হাটে আসা সবার নজর কেড়েছিল এই পশুটি। শেষ পর্যন্ত বাজারের এই সর্বোচ্চ সাইজের গরুটি ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করেন বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামের হাজী ফুলমিয়ার ছেলে, বিশিষ্ট সমাজসেবক শিশু মিয়া।
শুধু তাই নয়, একই সাথে তিনি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকায়ও আরেকটি গরু ক্রয় করেন।ফলে শিশু মিয়া একাই প্রায় নয় লক্ষ টাকা দিয়ে কোরবানির জন্য গরু কিনেন। তাছাড়া হাটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মূল্যের গরুটি কিনেন একই ইউনিয়নের গুড়িগ্রামের হারুন বকশি যার মূল্য ছিল ৪ লাখ ৮৫ হাজার।কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামের ছোটন মিয়া তৃতীয় সর্বোচ্চ মূল্যের ৪ লাখ ৩০হাজার টাকা দামের গরুটি ক্রয় করেন।
সার্বিক বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রথম হাটে পশুর দাম যেমন ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে ছিল, তেমনি চমৎকার হাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে আগত ক্রেতা-বিক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মাঝে কোনো অভিযোগ ছিল না। তবে হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রথম হাট হওয়ায় আজ পশু কেনাবেচার চেয়ে বাজার যাচাই করা এবং দেখার প্রবণতা বেশি ছিল। ফলে সেই তুলনায় চূড়ান্ত বেচাকেনা কিছুটা কম হলেও আগামী দিনগুলোতে পুরোদমে কেনাবেচা জমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাজার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়, "দাম কেমন এবং কী ধরনের পশু বাজারে আসছে, তা দেখতেই আজ ক্রেতাদের ভিড় ছিল বেশি। ঈদের আগে এই মাঠে আগামী শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত পর্যায়ক্রমিক আরও পাঁচটি হাট বসবে। আমরা সকল ক্রেতা ও বিক্রেতাকে আগামী হাটগুলোতে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। প্রশাসনের পক্ষ শিবপুর পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ নূরনবী বলেন, কোরবানির পশুর এই হাটে যেন কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য নেওয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা।
জাল টাকা শনাক্তকরণ এবং সার্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত রয়েছেন। একই সাথে পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাটে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছে একটি অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম (পশু ডাক্তার)। ফলে কোনো ধরনের হয়রানি বা প্রতারিত হওয়ার সুযোগ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে হাট কর্তৃপক্ষ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর শিবপুরে ঐতিহাসিক পশুর কোরবানির হাটে, সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হওয়া গরু ক্রয় করলেন শিশু মিয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর শিবপুরে ঐতিহাসিক পশুর কোরবানির হাটে, সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হওয়া গরু ক্রয় করলেন শিশু মিয়া
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ঐতিহাসিক শিবপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঐতিহ্যবাহী কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। প্রতিবছরের মতো এবারও প্রথম হাটেই ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুক্রবারে অনুষ্ঠিত এই প্রথম হাটে মোট ৪টি মাঠে দূর-দূরান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া নিয়ে আসেন খামারি ও বিক্রেতারা। সাড়ে ৫ লাখের ‘মেগা’ গরু এবারের প্রথম হাটের মূল আকর্ষণ ছিল প্রায় ১ টন (১০০০ কেজি) মাংসের উপযোগী একটি বিশালাকৃতির লাল কাজলা রঙের ষাঁড়। আকর্ষণীয় রঙ ও চোখধাঁধানো সৌন্দর্যের কারণে হাটে আসা সবার নজর কেড়েছিল এই পশুটি। শেষ পর্যন্ত বাজারের এই সর্বোচ্চ সাইজের গরুটি ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করেন বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামের হাজী ফুলমিয়ার ছেলে, বিশিষ্ট সমাজসেবক শিশু মিয়া। শুধু তাই নয়,
একই সাথে তিনি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকায়ও আরেকটি গরু ক্রয় করেন।ফলে শিশু মিয়া একাই প্রায় নয় লক্ষ টাকা দিয়ে কোরবানির জন্য গরু কিনেন। তাছাড়া হাটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মূল্যের গরুটি কিনেন একই ইউনিয়নের গুড়িগ্রামের হারুন বকশি যার মূল্য ছিল ৪ লাখ ৮৫ হাজার।কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামের ছোটন মিয়া তৃতীয় সর্বোচ্চ মূল্যের ৪ লাখ ৩০হাজার টাকা দামের গরুটি ক্রয় করেন। সার্বিক বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রথম হাটে পশুর দাম যেমন ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে ছিল, তেমনি চমৎকার হাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে আগত ক্রেতা-বিক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মাঝে কোনো অভিযোগ ছিল না। তবে হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রথম হাট হওয়ায় আজ পশু কেনাবেচার চেয়ে বাজার যাচাই করা এবং দেখার প্রবণতা বেশি ছিল। ফলে সেই তুলনায় চূড়ান্ত বেচাকেনা কিছুটা কম হলেও আগামী দিনগুলোতে পুরোদমে
কেনাবেচা জমবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাজার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়, "দাম কেমন এবং কী ধরনের পশু বাজারে আসছে, তা দেখতেই আজ ক্রেতাদের ভিড় ছিল বেশি। ঈদের আগে এই মাঠে আগামী শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত পর্যায়ক্রমিক আরও পাঁচটি হাট বসবে। আমরা সকল ক্রেতা ও বিক্রেতাকে আগামী হাটগুলোতে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। প্রশাসনের পক্ষ শিবপুর পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ নূরনবী বলেন, কোরবানির পশুর এই হাটে যেন কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য নেওয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা। জাল টাকা শনাক্তকরণ এবং সার্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত রয়েছেন। একই সাথে পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাটে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছে একটি অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম (পশু ডাক্তার)। ফলে কোনো ধরনের হয়রানি বা প্রতারিত হওয়ার সুযোগ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে হাট কর্তৃপক্ষ।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত