চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বারইয়ারহাট-রামগড় সড়কের বাদামতলা এলাকায় বৌভাতে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার শান্তিরহাট থেকে হিঙ্গুলী ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ফাতেমা বেগম (৫৫)। তিনি উপজেলার ৬ নম্বর ইছাখালী ইউনিয়নের বহদ্দারগ্রামের নুরুল মোস্তফার স্ত্রী ও কনের নানী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার শিকার মাইক্রোবাসটির অতিরিক্ত গতি ছিল। হঠাৎ সড়কের পাশে নামিয়ে দেয় গাড়িটি। তখন চালক দরজা খুলে লাফ দিয়ে নেমে যায়। এসময় গাড়িতে প্রায় ১৫ জন যাত্রী ছিল। ঘটনাস্থলে কনের নানী ফাতেমা বেগম নিহত হয় ও বেশ কয়েকজন আহত হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় স্থানীয় বিএম হসপিটালে। এসময় গাড়ির ধাক্কায় সড়কের পাশে থাকা ইদ্রিস মিয়া ও মোমিন মিয়ার বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী শাহজাহান বলেন, ‘আমি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। দুইটি মাইক্রোবাস একসঙ্গে আসছিল। হঠাৎ কালো রঙের গাড়িটি সড়কের পাশে নামিয়ে দিয়ে চালক লাফ দিয়ে নেমে যান। অতিরিক্ত গতির
কারণে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক।’ এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক বলেন,দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার শিকার মাইক্রোবাসটির অতিরিক্ত গতি ছিল। হঠাৎ সড়কের পাশে নামিয়ে দেয় গাড়িটি। তখন চালক দরজা খুলে লাফ দিয়ে নেমে যায়। এসময় গাড়িতে প্রায় ১৫ জন যাত্রী ছিল। ঘটনাস্থলে কনের নানী ফাতেমা বেগম নিহত হয় ও বেশ কয়েকজন আহত হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় স্থানীয় বিএম হসপিটালে। এসময় গাড়ির ধাক্কায় সড়কের পাশে থাকা ইদ্রিস মিয়া ও মোমিন মিয়ার বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী শাহজাহান বলেন, ‘আমি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। দুইটি মাইক্রোবাস একসঙ্গে আসছিল। হঠাৎ কালো রঙের গাড়িটি সড়কের পাশে নামিয়ে দিয়ে চালক লাফ দিয়ে নেমে যান। অতিরিক্ত গতির
কারণে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক।’ এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক বলেন,দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।