কুড়িগ্রামের উলিপুরে মাত্র ৪ বছরের শিশু ফাতেমা ১ বছর ধরে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। গতকাল বুহস্পতিবার অসুস্থ্য হলে পূণরায় রংপুর মেডিকেলে শিশুটিকে ভর্তি করাতে নিয়ে যায় মা শরিফা বেগম। শিশুটিকে বাঁচাতে পিতা ফুলজান ও মাতা শরিফা বেগম সমাজের বিত্ত্ববানদের এগিয়ে আসার আকুল আকুতি জানিয়েছেন।
উলিপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের ডারার পাড় গ্রামে পৌত্রিক সুত্রে পাওয়া মাত্র ১ শতক জমিতে বসবাস করে ফুলজান ও শরিফা দম্পতি। দিনমজুর ফুলজান স্থানীয় এক কসাইয়ের হেলপার হিসেবে কাজ করে মাসে ৭ থেকে ৮ হাজর টাকা আয় করেন। তা দিয়েই ৫ সদস্যের সংসার চালায় ফুলজান।
ফাতেমার বয়স যখন তিন বছর তখন হঠাৎ করে সে গুরুতর অসুস্থ হলে, তাকে রংপুরের ডাক্তার আব্দুল কাদের জিলানীর কাছে নিয়ে যায়। সেখানে প্রায় তিন মাস ধরে চিকিৎসা নেয়ার পর কিছুটা সুস্থ হলে আবারও পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশুটি।
ফাতেমার মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। পরীক্ষার পর জানা যায়, ফাতেমা ব্লাড ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। এ কথা শুনেই মা-বাবার মাথায় যেন বাজ ভেঙে পড়ে। ডাক্তার বলেছে, ঢাকাই নিয়ে গিয়ে ক্যান্সার হাসপাতালের চিকিৎসা করার জন্য।
ঢাকায় অবুঝ শিশুটিকে নিয়ে চিকিৎসা করানোর জন্য প্রয়োজন ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। এ অবস্থায় ১০-১২ লক্ষ টাকা জোগাড় করা তাদের কোনোভাবেই সম্ভব নয়। টানা এক বছর ধরে শিশুটির চিকিৎসা করে ফুলজান সর্বশান্ত তাই সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার উদাত্ব আহ্বান জানিয়েছে ফুলজান শরিফা দম্পতি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
উলিপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের ডারার পাড় গ্রামে পৌত্রিক সুত্রে পাওয়া মাত্র ১ শতক জমিতে বসবাস করে ফুলজান ও শরিফা দম্পতি। দিনমজুর ফুলজান স্থানীয় এক কসাইয়ের হেলপার হিসেবে কাজ করে মাসে ৭ থেকে ৮ হাজর টাকা আয় করেন। তা দিয়েই ৫ সদস্যের সংসার চালায় ফুলজান।
ফাতেমার বয়স যখন তিন বছর তখন হঠাৎ করে সে গুরুতর অসুস্থ হলে, তাকে রংপুরের ডাক্তার আব্দুল কাদের জিলানীর কাছে নিয়ে যায়। সেখানে প্রায় তিন মাস ধরে চিকিৎসা নেয়ার পর কিছুটা সুস্থ হলে আবারও পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশুটি।
ফাতেমার মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। পরীক্ষার পর জানা যায়, ফাতেমা ব্লাড ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। এ কথা শুনেই মা-বাবার মাথায় যেন বাজ ভেঙে পড়ে। ডাক্তার বলেছে, ঢাকাই নিয়ে গিয়ে ক্যান্সার হাসপাতালের চিকিৎসা করার জন্য।
ঢাকায় অবুঝ শিশুটিকে নিয়ে চিকিৎসা করানোর জন্য প্রয়োজন ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। এ অবস্থায় ১০-১২ লক্ষ টাকা জোগাড় করা তাদের কোনোভাবেই সম্ভব নয়। টানা এক বছর ধরে শিশুটির চিকিৎসা করে ফুলজান সর্বশান্ত তাই সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার উদাত্ব আহ্বান জানিয়েছে ফুলজান শরিফা দম্পতি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব