ইতালি আবারও বিশ্বকাপের টিকিট পেতে ব্যর্থ হলো তারা। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে প্লে-অফে হেরে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
মঙ্গলবার রাতে জেনিৎসায় অনুষ্ঠিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতা থাকলেও টাইব্রেকারে ৩-১ ব্যবধানে জয় পায় বসনিয়া।
ম্যাচের শুরুটা দারুণ ছিল ইতালির। ১৫ মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মোইসে কিন। তবে ৪১ মিনিটে ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো বাস্তোনির লাল কার্ড ইতালির জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে।
একজন কম নিয়ে খেলতে থাকা ইতালির ওপর ক্রমশ চাপ বাড়াতে থাকে বসনিয়া। শেষ পর্যন্ত ৭৯ মিনিটে সমতা ফেরান হারিস তাবাকোভিচ।
টাইব্রেকারে গিয়ে ইতালির ব্যর্থতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে—এসপোসিতো ও ক্রিস্তান্তে শট মিস করলে বসনিয়া নির্ভুলভাবে গোল করে জয় নিশ্চিত করে। এই হারের ফলে ইতালি টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ মিস করলো। সর্বশেষ তারা খেলেছিল ২০১৪ সালে।
এর আগে ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও প্লে-অফে হেরে ছিটকে গিয়েছিল আজ্জুরিরা। ফলে ইউরোপের অন্যতম সফল দল এখন গভীর সংকটে পড়েছে।
অন্যদিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এই জয়ের মাধ্যমে তাদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিলো। এর আগে তারা ২০১৪ সালে একমাত্রবার অংশ নিয়েছিল।
দলটির অভিজ্ঞ অধিনায়ক এদিন জেকোর নেতৃত্বে দুর্দান্ত লড়াই করে জয় তুলে নেয়। পুরো ম্যাচে ইতালির তুলনায় অনেক বেশি আক্রমণ তৈরি করে তারা।
ম্যাচের আগে থেকেই ইতালির ওপর চাপ ছিল স্পষ্ট। বসনিয়ার অধিনায়ক এদিন জেকো বলেছিলেন, টানা দুই বিশ্বকাপ মিস করার কারণে ইতালির ওপর মানসিক চাপ অনেক বেশি।
এছাড়া ম্যাচের আগে ‘স্পাইং’ বিতর্কও তৈরি হয়, যেখানে অভিযোগ ওঠে ইতালির পক্ষ থেকে বসনিয়ার অনুশীলন গোপনে ধারণ করা হয়েছে—যদিও তা নিশ্চিত হয়নি।
সব মিলিয়ে আবারও হতাশা সঙ্গী হলো ইতালির। একসময় বিশ্ব ফুটবলে আধিপত্য বিস্তার করা দলটি। এখন বড় টুর্নামেন্টে নিয়মিত ব্যর্থতার মুখ দেখছে তারা। অন্যদিকে বসনিয়া লিখেছে নতুন ইতিহাস—দৃঢ়তা, ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে।
বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না ইতালির
বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না ইতালির
ইতালি আবারও বিশ্বকাপের টিকিট পেতে ব্যর্থ হলো তারা। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে প্লে-অফে হেরে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। মঙ্গলবার রাতে জেনিৎসায় অনুষ্ঠিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতা থাকলেও টাইব্রেকারে ৩-১ ব্যবধানে জয় পায় বসনিয়া। ম্যাচের শুরুটা দারুণ ছিল ইতালির। ১৫ মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মোইসে কিন। তবে ৪১ মিনিটে ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো বাস্তোনির লাল কার্ড ইতালির জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে। একজন কম নিয়ে খেলতে থাকা ইতালির ওপর ক্রমশ চাপ বাড়াতে থাকে বসনিয়া। শেষ পর্যন্ত ৭৯ মিনিটে সমতা ফেরান হারিস তাবাকোভিচ।
টাইব্রেকারে গিয়ে ইতালির ব্যর্থতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে—এসপোসিতো ও ক্রিস্তান্তে শট মিস করলে বসনিয়া নির্ভুলভাবে গোল করে জয় নিশ্চিত করে। এই হারের ফলে ইতালি টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ মিস করলো। সর্বশেষ তারা খেলেছিল ২০১৪ সালে। এর আগে ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও প্লে-অফে হেরে ছিটকে গিয়েছিল আজ্জুরিরা। ফলে ইউরোপের অন্যতম সফল দল এখন গভীর সংকটে পড়েছে। অন্যদিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এই জয়ের মাধ্যমে তাদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিলো। এর আগে তারা ২০১৪ সালে একমাত্রবার অংশ নিয়েছিল। দলটির অভিজ্ঞ অধিনায়ক এদিন জেকোর নেতৃত্বে দুর্দান্ত লড়াই করে জয় তুলে নেয়। পুরো
ম্যাচে ইতালির তুলনায় অনেক বেশি আক্রমণ তৈরি করে তারা। ম্যাচের আগে থেকেই ইতালির ওপর চাপ ছিল স্পষ্ট। বসনিয়ার অধিনায়ক এদিন জেকো বলেছিলেন, টানা দুই বিশ্বকাপ মিস করার কারণে ইতালির ওপর মানসিক চাপ অনেক বেশি। এছাড়া ম্যাচের আগে ‘স্পাইং’ বিতর্কও তৈরি হয়, যেখানে অভিযোগ ওঠে ইতালির পক্ষ থেকে বসনিয়ার অনুশীলন গোপনে ধারণ করা হয়েছে—যদিও তা নিশ্চিত হয়নি। সব মিলিয়ে আবারও হতাশা সঙ্গী হলো ইতালির। একসময় বিশ্ব ফুটবলে আধিপত্য বিস্তার করা দলটি। এখন বড় টুর্নামেন্টে নিয়মিত ব্যর্থতার মুখ দেখছে তারা। অন্যদিকে বসনিয়া লিখেছে নতুন ইতিহাস—দৃঢ়তা, ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত