প্লাস্টিক দূষণ আর নয়– বন্ধ করার এখনই সময়' এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সেভ দ্য চিলড্রেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার পৌরসভা ও কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশ এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান।
কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্টে আয়োজিত এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল আগামী প্রজন্মের জন্য পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।গত বুধবার দিনব্যাপী চলা এই অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) ও পৌরসভার প্রশাসক রুবাইয়া আফরোজ।এসময় তিনি বলেন,এই ধরণের উদ্যোগ আমাদের নাগরিক দায়িত্বের স্মারক। পরিবেশকে বাঁচাতে হলে এবং প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে প্রতিটি মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এই কর্মসূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের নয়, আমাদের সকলের দায়িত্ব। পরিবর্তন আনতে হলে একসাথে কাজ করাই সবচেয়ে বড় শক্তি।
এই অভিযানে উপস্থিত ট্যুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল মুকিত বলেন, কক্সবাজার শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যটন কেন্দ্র। আমাদের দেশের পর্যটক ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা এখানে ভ্রমণে আসে। এই ধরনের অভিযান আরও সাফল্যমন্ডিত হবে যদি আমরা পর্যটকদের সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে উৎসাহিত করি। আমাদের সকলের দায়িত্ব এর সৌন্দর্য রক্ষা করা, যাতে আগামী প্রজন্মও এর প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য উপভোগ করতে পারে।সেভ দ্য চিলড্রেন এর এরিয়া ডিরেক্টর গোলাম মোস্তফা বলেন, আজকের শিশুরা আগামী দিনের পরিবেশ রক্ষার কাণ্ডারি।
তাদের পাশে থেকে আমরা যদি পরিবেশগত সচেতনতা তৈরি করতে পারি, তবে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব। এছাড়াও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পরিবর্তিত পরিবেশকে স্বাভাবিক রূপে ফিরিয়ে আনতে আমাদের সকলের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় বেশি বেশি বৃক্ষরোপনসহ প্লাস্টিকের ব্যবহার রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।এইসময় পরিচ্ছন্নতাকর্মী, শিক্ষার্থী, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক, যারা লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত সমুদ্র সৈকতকে প্লাস্টিক ও বর্জ্যমুক্ত করতে একসাথে কাজ করেছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্টে আয়োজিত এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল আগামী প্রজন্মের জন্য পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।গত বুধবার দিনব্যাপী চলা এই অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) ও পৌরসভার প্রশাসক রুবাইয়া আফরোজ।এসময় তিনি বলেন,এই ধরণের উদ্যোগ আমাদের নাগরিক দায়িত্বের স্মারক। পরিবেশকে বাঁচাতে হলে এবং প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে প্রতিটি মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এই কর্মসূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের নয়, আমাদের সকলের দায়িত্ব। পরিবর্তন আনতে হলে একসাথে কাজ করাই সবচেয়ে বড় শক্তি।
এই অভিযানে উপস্থিত ট্যুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল মুকিত বলেন, কক্সবাজার শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যটন কেন্দ্র। আমাদের দেশের পর্যটক ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা এখানে ভ্রমণে আসে। এই ধরনের অভিযান আরও সাফল্যমন্ডিত হবে যদি আমরা পর্যটকদের সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে উৎসাহিত করি। আমাদের সকলের দায়িত্ব এর সৌন্দর্য রক্ষা করা, যাতে আগামী প্রজন্মও এর প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য উপভোগ করতে পারে।সেভ দ্য চিলড্রেন এর এরিয়া ডিরেক্টর গোলাম মোস্তফা বলেন, আজকের শিশুরা আগামী দিনের পরিবেশ রক্ষার কাণ্ডারি।
তাদের পাশে থেকে আমরা যদি পরিবেশগত সচেতনতা তৈরি করতে পারি, তবে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব। এছাড়াও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পরিবর্তিত পরিবেশকে স্বাভাবিক রূপে ফিরিয়ে আনতে আমাদের সকলের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় বেশি বেশি বৃক্ষরোপনসহ প্লাস্টিকের ব্যবহার রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।এইসময় পরিচ্ছন্নতাকর্মী, শিক্ষার্থী, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক, যারা লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত সমুদ্র সৈকতকে প্লাস্টিক ও বর্জ্যমুক্ত করতে একসাথে কাজ করেছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব