ইটের পর ইট, পাথরের এই ব্যস্ত নগরে হঠাৎ হেঁটে যেতে যেতে যদি চোখের সামনে ভেসে ওঠে—‘মহা-বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত’, তবে থমকে দাঁড়াতে হয় বইকি! যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততায় যখন আমরা আমাদের শেকড় আর সৃষ্টিকে ভুলতে বসেছি, ঠিক তখনই তরুণ প্রজন্মের মগজে ও মননে জাতীয় কবির চেতনাকে ছড়িয়ে দিতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে নগরীর প্রধান প্রধান মোড়গুলোতে স্থাপন করা হয়েছে বিশালাকার সব বিলবোর্ড। তবে কোনো বাণিজ্যিক পণ্যের প্রচারণায় নয়, এই বিলবোর্ডগুলো সেজেছে কবির কালজয়ী সব কবিতার পঙক্তিতে। খুলনার ইতিহাসে এমন ব্যতিক্রমী ও মননশীল উদ্যোগ এবারই প্রথম।
নগরের মোড়ে মোড়ে কবির ডাক:
শহিদ হাদিস পার্ক: এখানে গেলেই পথচারীদের নজর কাড়ছে কবির দ্রোহের চিরন্তন বাণী—‘মহা বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত, আমি সেই দিন হবো শান্ত’।
ময়লাপোতা মোড়: এই ব্যস্ত চত্বরে বিলবোর্ডের মাধ্যমে কবি যেন নগরবাসীকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন তাঁর সেই আবেগী অভিমান—‘তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু, আর আমি জাগিব না’।
জোড়াগেট বিমান চত্বর: তরুণ ও সাধারণ মানুষকে দায়িত্বশীলতার পাঠ দিতে এই মোড়ে শোভা পাচ্ছে কান্ডারি কবিতার সেই চিরজাগরণী অংশ—‘দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু, দুস্তর পারাবার হে/ লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি-নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার!’
আয়োজকদের ভাবনা:
কেসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজকের প্রজন্মের তরুণরা যেন করপোরেট সংস্কৃতির ভিড়ে জাতীয় কবির সৃষ্টি ও দর্শন ভুলে না যায়, সেই লক্ষ্যেই এই উন্মুক্ত প্রদর্শনীর আয়োজন। যাতায়াতের পথে বিলবোর্ডের এই পঙক্তিগুলো ক্ষণিকের জন্য হলেও পথচারীদের মনে দেশপ্রেম ও মানবিকতার চেতনাকে নাড়া দিয়ে যাবে।
বিলবোর্ডে নজর কাড়ছে নজরুলের কবিতা: খুলনায় জন্মজয়ন্তীতে অভিনব উদ্যোগ
বিলবোর্ডে নজর কাড়ছে নজরুলের কবিতা: খুলনায় জন্মজয়ন্তীতে অভিনব উদ্যোগ
ইটের পর ইট, পাথরের এই ব্যস্ত নগরে হঠাৎ হেঁটে যেতে যেতে যদি চোখের সামনে ভেসে ওঠে—‘মহা-বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত’, তবে থমকে দাঁড়াতে হয় বইকি! যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততায় যখন আমরা আমাদের শেকড় আর সৃষ্টিকে ভুলতে বসেছি, ঠিক তখনই তরুণ প্রজন্মের মগজে ও মননে জাতীয় কবির চেতনাকে ছড়িয়ে দিতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে নগরীর প্রধান প্রধান মোড়গুলোতে স্থাপন করা হয়েছে
বিশালাকার সব বিলবোর্ড। তবে কোনো বাণিজ্যিক পণ্যের প্রচারণায় নয়, এই বিলবোর্ডগুলো সেজেছে কবির কালজয়ী সব কবিতার পঙক্তিতে। খুলনার ইতিহাসে এমন ব্যতিক্রমী ও মননশীল উদ্যোগ এবারই প্রথম। নগরের মোড়ে মোড়ে কবির ডাক:শহিদ হাদিস পার্ক: এখানে গেলেই পথচারীদের নজর কাড়ছে কবির দ্রোহের চিরন্তন বাণী—‘মহা বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত, আমি সেই দিন হবো শান্ত’। ময়লাপোতা মোড়: এই ব্যস্ত চত্বরে বিলবোর্ডের মাধ্যমে কবি যেন নগরবাসীকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন তাঁর সেই আবেগী অভিমান—‘তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু, আর আমি জাগিব
না’।জোড়াগেট বিমান চত্বর: তরুণ ও সাধারণ মানুষকে দায়িত্বশীলতার পাঠ দিতে এই মোড়ে শোভা পাচ্ছে কান্ডারি কবিতার সেই চিরজাগরণী অংশ—‘দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু, দুস্তর পারাবার হে/ লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি-নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার!’ আয়োজকদের ভাবনা:কেসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজকের প্রজন্মের তরুণরা যেন করপোরেট সংস্কৃতির ভিড়ে জাতীয় কবির সৃষ্টি ও দর্শন ভুলে না যায়, সেই লক্ষ্যেই এই উন্মুক্ত প্রদর্শনীর আয়োজন। যাতায়াতের পথে বিলবোর্ডের এই পঙক্তিগুলো ক্ষণিকের জন্য হলেও পথচারীদের মনে দেশপ্রেম ও মানবিকতার চেতনাকে নাড়া দিয়ে যাবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত