নিজস্ব প্রতিবেদক:- র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সবসময় বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
গত ১৫/২/২০২৫, ডিএমপি, ঢাকার দক্ষিণখান থানাধীন কাওলা গ্রামস্থ ১৯০ শিয়ালডাঙ্গা রোড এর “ভাই ভাই মেডিকেল হক” এর মালিক সুনীল চন্দ্র পাল দোকানে অবস্থান কালে আসামী ১। মোঃ আব্দুল করিম (৪৫), পিতা-মৃত চাঁদ মিয়া, গ্রাম-বগাবাইদ, থানা-জামালপুর সদর, জেলা-জামালপুর ২। মোঃ হেলাল (৪৪), পিতা-মোঃ আব্দুল মালেক, গ্রাম-হালগড়া, থানা-শ্রীবরদী, জেলা-শেরপুর উভয় বর্তমান নিকুঞ্জ, থানা-খিলক্ষেত, ডিএমপি, ঢাকাদ্বয়সহ অজ্ঞাতনামা একজন আসামী এসে লোহার হাতুড়ি দিয়ে ভিকটিমের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে দোকানের ডয়ার হতে নগদ ১২,০০০/- (বার হাজার) টাকা জোরপূর্বক ছিনাইয়া নিয়ে যায়। ভিকটিম সুনীল চন্দ্র পাল এর ডাক চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীদের পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন ১নং আসামী মোঃ আব্দুল করিমকে হাতুড়িসহ ধৃত করে এবং অন্যান্য আসামীরা পালিয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে ভিকটিম সুনীল চন্দ্র পাল এর স্ত্রী সেতু রানী পাল দোকানে এসে দেখতে পান যে, তার স্বামী ভিকটিম সুনীল চন্দ্র পাল গুরুত্বর রক্তাক্ত অজ্ঞান অবস্থায় দোকানের ফ্লোরে পড়ে আছে। স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায় ভিকটিম সুনীল চন্দ্র পালকে চিকিৎসা করার জন্য প্রথমে আর-রাহা প্রাইভেট হাসপাতাল পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকায় নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগে কর্মরত ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষনা করেন। এই ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে দক্ষিণখাণ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ঘটনার পরপরই র্যাব আসামী গ্রেফতারের জন্য ছায়াতদন্ত শুরু করে।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে র্যাব-১ আসামী গ্রেফতার করার জন্য অভিযান পরিচালনা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১ উত্তরা, ঢাকা আভিযানিক দল র্যাব-১৪ এর সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে পলাতক আসামী মোঃ হেলাল (৪৪), পিতা-মৃত আব্দুল মালেক, গ্রাম- হলগড়া (বস্টিমচর), থানা-শ্রীবরদী, জেলা-শেরপুর’কে শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানাধীন কলাকান্দি এলাকা হতে অদ্য ০২ মাচ ২০২৫ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব
গত ১৫/২/২০২৫, ডিএমপি, ঢাকার দক্ষিণখান থানাধীন কাওলা গ্রামস্থ ১৯০ শিয়ালডাঙ্গা রোড এর “ভাই ভাই মেডিকেল হক” এর মালিক সুনীল চন্দ্র পাল দোকানে অবস্থান কালে আসামী ১। মোঃ আব্দুল করিম (৪৫), পিতা-মৃত চাঁদ মিয়া, গ্রাম-বগাবাইদ, থানা-জামালপুর সদর, জেলা-জামালপুর ২। মোঃ হেলাল (৪৪), পিতা-মোঃ আব্দুল মালেক, গ্রাম-হালগড়া, থানা-শ্রীবরদী, জেলা-শেরপুর উভয় বর্তমান নিকুঞ্জ, থানা-খিলক্ষেত, ডিএমপি, ঢাকাদ্বয়সহ অজ্ঞাতনামা একজন আসামী এসে লোহার হাতুড়ি দিয়ে ভিকটিমের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে দোকানের ডয়ার হতে নগদ ১২,০০০/- (বার হাজার) টাকা জোরপূর্বক ছিনাইয়া নিয়ে যায়। ভিকটিম সুনীল চন্দ্র পাল এর ডাক চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীদের পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন ১নং আসামী মোঃ আব্দুল করিমকে হাতুড়িসহ ধৃত করে এবং অন্যান্য আসামীরা পালিয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে ভিকটিম সুনীল চন্দ্র পাল এর স্ত্রী সেতু রানী পাল দোকানে এসে দেখতে পান যে, তার স্বামী ভিকটিম সুনীল চন্দ্র পাল গুরুত্বর রক্তাক্ত অজ্ঞান অবস্থায় দোকানের ফ্লোরে পড়ে আছে। স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায় ভিকটিম সুনীল চন্দ্র পালকে চিকিৎসা করার জন্য প্রথমে আর-রাহা প্রাইভেট হাসপাতাল পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকায় নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগে কর্মরত ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষনা করেন। এই ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে দক্ষিণখাণ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ঘটনার পরপরই র্যাব আসামী গ্রেফতারের জন্য ছায়াতদন্ত শুরু করে।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে র্যাব-১ আসামী গ্রেফতার করার জন্য অভিযান পরিচালনা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১ উত্তরা, ঢাকা আভিযানিক দল র্যাব-১৪ এর সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে পলাতক আসামী মোঃ হেলাল (৪৪), পিতা-মৃত আব্দুল মালেক, গ্রাম- হলগড়া (বস্টিমচর), থানা-শ্রীবরদী, জেলা-শেরপুর’কে শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানাধীন কলাকান্দি এলাকা হতে অদ্য ০২ মাচ ২০২৫ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব