আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে নওগাঁ-১ আসনের রাজনীতি। পোরশা, সাপাহার ও নিয়ামতপুর এই তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত ৪৬নওগাঁ-১ আসন । ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনী এলাকায় নিজেদের প্রার্থীতার কথা জানান দিয়ে গণসংযোগ, সভা ও সমাবেশ করে চলেছেন।
নির্বাচনি এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেও বিএনপিসহ অন্য কোনো রাজনৈতিক দল এখনো দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। নেতা কর্মীরা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন বেশ সরবে। রাজনীতির মাঠে রয়েছে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও গনঅধিকার পরিষদ। মাঠে নেই আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও এনসিপিসহ অন্যন্যা রাজনৈতিক দল। ৫ই আগস্টের পরে আওয়ামী লীগের কোন কর্মকান্ড চোখে পড়েনি এখানে। আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় বর্তমানে তালাবদ্ধ দেখা গেছে।
২০০৬সাল পর্যন্ত বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত ছিল নওগাঁ-১ আসন। আসনটি গত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দখলে যায় আওয়ামী লীগের ঘরে। এরপর লম্বা সময় এক তরফা রাজত্য করেছে আওয়ামী লীগ।
এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসাবে বিএনপির ৬নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন এ আসন থেকে পরপর তিন বারের নির্বাচিত সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: মো: ছালেক চৌধুরী। ছালেক চৌধুরী নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি। এর পর আলোচনায় আছেন ২০১৮সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচন করা প্রার্থী নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির বর্তমান সাধারন সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান। যদিও ঐ নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে। এ আসনে আরো যারা নির্বাচন করতে চান তারা হলেন, পোরশা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদ লায়ন মো: মাসুদ রানা।
২০১৮সালের নির্বাচনের পূর্বে বিএনপির প্রাথমিক মনোনিত তিন প্রার্থীর মধ্যে তার নাম ঘোষনা করা হয়েছিল। প্রকৌশলী খালেদ হাসান চৌধুরী পাহিন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য। পোরশা উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি শাহ্ আহম্মদ মো: মোজাম্মেল চৌধুরী তিনিও বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইবেন। তবে ডা: ছালেক চৌধুরী ও প্রকৌশলী খালেদ হাসান চৌধুরী পাহিন এবং লায়ন মাসুদ রানা। এই তিন জনকে দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এক সাথে একই মঞ্চে দেখা যায়। এছাড়াও আলোচনায় আছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সদস্য মো: মাহমুদুস সালেহীন।
আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকায় গনসংযোগ ও সভা সমাবেশ করে যাচ্ছেন বিএনপির এই ৬নেতা। বিএনপির ৬জন মনোনয়ন প্রত্যাশী সকলেই বলেন, আমরা যার যার মতো করে দলীয় মনোনয়ন চাইবো। তবে দল যাকেই মনোনয়ন দিক না কেন, আমরা সকলে তার জন্য এক সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করবো।
এদিকে মাঠে সরব রয়েছেন জামায়াতের একক প্রার্থী অধ্যক্ষ মো: মাহবুবুল আলম। তিনি সাপাহার আল-হেরা ইসলামী একাডেমির অধ্যক্ষ। জামায়াতের মনোনীত এই একক প্রার্থীর নাম ঘোষনা করা হয়েছিল অনেক আগেই। জামায়াতের কর্মী সমর্থকরা একক প্রার্থীর পক্ষে গনসংযোগ, সভা ও সমাবেশ করে যাচ্ছেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন এর নেতাকর্মীরা। যদিও এই নিউজ লেখার সময় পর্যন্ত তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষনা করা হয়নি। তবে আলোচনায় আছেন নওগাঁ জেলা ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র সদস্য মাওলানা মো: উমর আলী ও পোরশা উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: তৈয়ব শাহ্ চৌধুরী। সাপাহার উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ও সাপাহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো: খন্দকার ফারুক আহম্মেদ মাষ্টার এবং নিয়ামতপুর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মো: শফিকুল ইসলাম। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসলামী আন্দোলনের নেতা কর্মীরা নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। করছেন সভা ও সমাবেশ। ইসলামী আন্দোলনের নেতারা বলেন, দল যাকেই মনোনয়ন দিক না কেন, আমরা সকলে এক সাথে হয়ে তার জন্য কাজ করবো।
নির্বাচনী মাঠে নেই আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও এনসিপিসহ অন্যান্য দলের প্রার্থী।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
নির্বাচনি এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেও বিএনপিসহ অন্য কোনো রাজনৈতিক দল এখনো দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। নেতা কর্মীরা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন বেশ সরবে। রাজনীতির মাঠে রয়েছে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও গনঅধিকার পরিষদ। মাঠে নেই আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও এনসিপিসহ অন্যন্যা রাজনৈতিক দল। ৫ই আগস্টের পরে আওয়ামী লীগের কোন কর্মকান্ড চোখে পড়েনি এখানে। আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় বর্তমানে তালাবদ্ধ দেখা গেছে।
২০০৬সাল পর্যন্ত বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত ছিল নওগাঁ-১ আসন। আসনটি গত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দখলে যায় আওয়ামী লীগের ঘরে। এরপর লম্বা সময় এক তরফা রাজত্য করেছে আওয়ামী লীগ।
এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসাবে বিএনপির ৬নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন এ আসন থেকে পরপর তিন বারের নির্বাচিত সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: মো: ছালেক চৌধুরী। ছালেক চৌধুরী নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি। এর পর আলোচনায় আছেন ২০১৮সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচন করা প্রার্থী নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির বর্তমান সাধারন সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান। যদিও ঐ নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে। এ আসনে আরো যারা নির্বাচন করতে চান তারা হলেন, পোরশা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদ লায়ন মো: মাসুদ রানা।
২০১৮সালের নির্বাচনের পূর্বে বিএনপির প্রাথমিক মনোনিত তিন প্রার্থীর মধ্যে তার নাম ঘোষনা করা হয়েছিল। প্রকৌশলী খালেদ হাসান চৌধুরী পাহিন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য। পোরশা উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি শাহ্ আহম্মদ মো: মোজাম্মেল চৌধুরী তিনিও বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইবেন। তবে ডা: ছালেক চৌধুরী ও প্রকৌশলী খালেদ হাসান চৌধুরী পাহিন এবং লায়ন মাসুদ রানা। এই তিন জনকে দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এক সাথে একই মঞ্চে দেখা যায়। এছাড়াও আলোচনায় আছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সদস্য মো: মাহমুদুস সালেহীন।
আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকায় গনসংযোগ ও সভা সমাবেশ করে যাচ্ছেন বিএনপির এই ৬নেতা। বিএনপির ৬জন মনোনয়ন প্রত্যাশী সকলেই বলেন, আমরা যার যার মতো করে দলীয় মনোনয়ন চাইবো। তবে দল যাকেই মনোনয়ন দিক না কেন, আমরা সকলে তার জন্য এক সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করবো।
এদিকে মাঠে সরব রয়েছেন জামায়াতের একক প্রার্থী অধ্যক্ষ মো: মাহবুবুল আলম। তিনি সাপাহার আল-হেরা ইসলামী একাডেমির অধ্যক্ষ। জামায়াতের মনোনীত এই একক প্রার্থীর নাম ঘোষনা করা হয়েছিল অনেক আগেই। জামায়াতের কর্মী সমর্থকরা একক প্রার্থীর পক্ষে গনসংযোগ, সভা ও সমাবেশ করে যাচ্ছেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন এর নেতাকর্মীরা। যদিও এই নিউজ লেখার সময় পর্যন্ত তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষনা করা হয়নি। তবে আলোচনায় আছেন নওগাঁ জেলা ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র সদস্য মাওলানা মো: উমর আলী ও পোরশা উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: তৈয়ব শাহ্ চৌধুরী। সাপাহার উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ও সাপাহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো: খন্দকার ফারুক আহম্মেদ মাষ্টার এবং নিয়ামতপুর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মো: শফিকুল ইসলাম। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসলামী আন্দোলনের নেতা কর্মীরা নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। করছেন সভা ও সমাবেশ। ইসলামী আন্দোলনের নেতারা বলেন, দল যাকেই মনোনয়ন দিক না কেন, আমরা সকলে এক সাথে হয়ে তার জন্য কাজ করবো।
নির্বাচনী মাঠে নেই আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও এনসিপিসহ অন্যান্য দলের প্রার্থী।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব